লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) অব্যাহতভাবে কমছে দস্তার মজুদ। বর্তমানে ধাতুটির মজুদ দুই বছরের সর্বনিম্নে অবস্থান করছে। এ কারণে সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। এদিকে মজুদ কমে যাওয়ায় ধাতুটির দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএনজির বিশ্লেষক ওয়েনইউ ইয়াও বলেন, দস্তার মজুদ এমনিতে তলানিতে অবস্থান করছে। এ কারণে ধাতুটির কেনাবেচা কমে গিয়েছে।

তথ্য বলছে, এলএমইর গুদামগুলোয় দস্তার মজুদ কমে ৭৮ হাজার ১২৫ টনে নেমেছে। ২০২০ সালের মে মাসের পর এটিই সর্বনিম্ন মজুদ। গত মাসের মাঝামাঝিও মজুদের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার টন।

এদিকে জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে ইউরোপের বেশকিছু বিগলন প্রতিষ্ঠান ধাতুটির উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। এছাড়া রুবলের মাধ্যমে গ্যাসের মূল্য পরিশোধের যে শর্ত জুড়ে দিয়েছে রাশিয়া, তার কারণে জ্বালানি বাজারে উত্কণ্ঠা আরো তীব্র হয়েছে। এটি দস্তার ঘাটতি ও দাম ব্যাপকভাবে বাড়াবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এরই মধ্যে এলএমইতে বাজার আদর্শ দস্তার দাম দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৪ হাজার ৩২৩ ডলারে। চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ধাতুটির দাম বেড়েছে ২৩ শতাংশ।