২০২২ সালের প্রথম ১১ মাসে ১ কোটি ২৮ লাখ ২০ হাজার বিদেশী দর্শনার্থী পেয়েছে দুবাই। এ সংখ্যা প্রাক-মহামারী ২০১৯ সালের পর্যায়ের ৮৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এমিরেটসের জানুয়ারি-ডিসেম্বর সময়ের পারফরম্যান্স ২০২১ সালের একই সময়ের মধ্যে শহরটি পরিদর্শনকারী ৬০ লাখের দ্বিগুণেরও বেশি। খবর দ্য ন্যাশনাল।

দুবাইয়ের অর্থনীতি ও পর্যটন বিভাগের তথ্য অনুসারে, বছরের প্রথম ১১ মাসে বিদেশী দর্শনার্থীর সংখ্যা ২০১৯ সালের ১ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজারের চেয়ে ৩৯ লাখ ১০ হাজার কম। গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ২০৩১ সালের মধ্যে বার্ষিক চার কোটি হোটেল অতিথি আকর্ষণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে একটি জাতীয় পর্যটন কৌশল চালু করেছে। আরব দেশটি বসবাস, চাকরি, বিনিয়োগ ও অবসর কাটানোর জন্য আরো বেশি দর্শনার্থী আকর্ষণ করতে চায়।

এ সময়ে দুবাইয়ের দর্শনার্থীদের শীর্ষ উৎস দেশ ছিল ভারত। দেশটি থেকে যাওয়া দর্শনার্থীর সংখ্যা ১০৬ শতাংশ বেড়ে ১৬ লাখ ৪০ হাজারে পৌঁছেছে। ভারতের পর শীর্ষ উৎস দেশের তালিকায় রয়েছে ওমান, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া।

ওমান থেকে দুবাইয়ে যাওয়া দর্শনার্থীর সংখ্যা ৪৪৯ শতাংশ বেড়ে ১২ লাখে উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি সৌদি আরব থেকে ১৮৫ শতাংশ বেড়ে ১১ লাখ, যুক্তরাজ্য থেকে ১৯৮ শতাংশ বেড়ে ৯ লাখ ৩৮ হাজার এবং রাশিয়া থেকে ৭৩ শতাংশ বেড়ে ৬ লাখ ৪৭ হাজারে পৌঁছেছে। এছাড়া এ সময়ে দুবাই ভ্রমণ করেছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ইসরায়েলি। এ সংখ্যা এক বছর আগের তুলনায় ১৫৭ শতাংশ বেশি।

এছাড়া অঞ্চলভিত্তিতে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে সবচেয়ে বেশি পর্যটক পেয়েছে দুবাই। মোট দর্শনার্থীর ২১ শতাংশই এ অঞ্চল থেকে গেছে। এরপর ইউরোপ ২০ শতাংশ, দক্ষিণ এশিয়া ১৭ শতাংশ এবং মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (এমইএনএ) থেকে ১২ শতাংশ দর্শনার্থী পেয়েছে শহরটি। এছাড়া এক্ষেত্রে রাশিয়া ও স্বাধীন কমনওয়েলথ রাষ্ট্রগুলো থেকে শহরটি দর্শনার্থী পেয়েছে ১১ শতাংশ।

বিদেশী পর্যটকদের আগমন দুবাইয়ের হোটেলগুলোকে ব্যস্ত রাখছে। জানুয়ারি-নভেম্বরে হোটেলগুলো পূর্ণতার হার ৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০২১ সালের এ সময়ে হোটেলগুলো পূর্ণ হওয়ার হার ৬৬ শতাংশে ছিল। এছাড়া ২০১৯ সালের এ সময়ে ছিল ৭৫ শতাংশ।