দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ আমদানি হয়। বর্তমানে ভারত থেকে পণ্যটির আমদানিতে বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে হিলির আমদানিকারকদের। এর প্রধান কারণ ভারতে পেঁয়াজের রফতানিমূল্য বেড়ে যাওয়া। এর জের ধরে আগামী দিনগুলোয় হিলির পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বর্তমানের তুলনায় বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে ভারত থেকে প্রতি টন পেঁয়াজ আমদানিতে মানভেদে ১৫০-২৫০ ডলার ব্যয় হতো। বর্তমানে ভারতীয় রফতানিকারকরা পেঁয়াজের রফতানিমূল্য বাড়িয়ে টনপ্রতি ৩০০-৪২০ ডলারে উন্নীত করেছেন। ভারতের বাজারে ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির জের ধরে পেঁয়াজের রফতানিমূল্য বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তারা। যদিও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানিমূল্য বেঁধে দেয়া হয়নি।
এ বিষয়ে হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, দেশের মোট চাহিদার সিংহভাগ পেঁয়াজ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি হয়। দেশের বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে দেশের মতো ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বন্যা হওয়ার কারণে সরবরাহ কমায় কিছুদিন থেকেই দেশটিতে পেঁয়াজের দাম বাড়তির দিকে রয়েছে। বাড়তি দামের কারণে এবার পেঁয়াজের রফতানিমূল্য বাড়িয়েছেন ভারতীয় রফতানিকারকরা। ফলে এখন থেকে পেঁয়াজ আমদতানিতে হিলির রফতানিকারকদের বাড়তি অর্থ গুনতে হবে।
ভারতে রফতানিমূল্য বাড়তির দিকে থাকায় দেশের বাজারেও পেঁয়াজের দাম বাড়বে বলে মনে করছেন মোবারক হোসেন। বণিক বার্তার সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ভারতীয় রফতানিকারকরা পেঁয়াজ রফতানির ক্ষেত্রে টনপ্রতি ৩০০ ডলারের নিচে কোনো এলসি নিচ্ছেন না। এতে দেশের বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাবে। যদিও এখন বর্তমানে হিলি স্থলবন্দরে পাইকারি বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ মানভেদে ৩৮-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগামীতে এ দাম আরো বাড়তে পারে।










