জাতীয় গ্রিডে লোডশেডিংয়ের ফলে বিভিন্ন কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি মোকাবেলায় অনেক ক্ষেত্রেই বিদ্যুতের জন্য বিকল্প উৎসের ওপর নির্ভর করতে হয়। জেনারেটরের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে জীবাশ্ম জ্বালানি (পেট্রোলিয়াম) ব্যবহৃত হয়, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। আবার এসব জ্বালানি নবায়নযোগ্য নয়। সেক্ষেত্রে কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখতে রুফটপ সোলার একটি কার্যকর সমাধান বলে মনে করেন হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের কোম্পানি সেক্রেটারি মো. রেজাউল করিম। তিনি সাভারেস্থ কারখানার ছাদে স্থাপিত ২ দশমিক ৬৭ মেগাওয়াট পিক ক্ষমতার রুফটপ সোলার প্রকল্প নিয়ে এসব কথা বলেন। মোট ১৪ দশমিক ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত এ প্রকল্প থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
রেজাউল করিম বলেন, ‘হাতিলের কারখানার ছাদ অব্যবহৃত পড়ে ছিল। আমরা সেটা ব্যবহার করার চিন্তা করলাম। ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরি আর অর্থ সুবিধা দিচ্ছে এমন সংবাদ জানার পর রুফটপ সোলার স্থাপনের উদ্যোগ নিই। পরে দেখলাম প্রকল্পটি খুবই লাভজনক।’
তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ যেকোনো শিল্প-কারখানার লাইফ লাইন। বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হলে কারখানার উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে, যা বিপুল লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ আহরণ করা সম্ভব এবং তা অন্য বিকল্প উৎস যেমন জেনারেটরে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে বেশ সাশ্রয়ী। একই সঙ্গে তা পরিবেশবান্ধব। সবকিছু বিবেচনায় হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষ কারখানার ছাদে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করে।’
হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের কোম্পানি সেক্রেটারি বলেন, ‘আমরা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে যে বিদ্যুৎ পাই, তা পৃথিবী যতদিন পর্যন্ত আছে ততদিনই থাকবে। বিদ্যুতের এ উৎস নবায়নযোগ্য ও ক্লিন, যা পরিবেশকে নিরাপদ রাখছে। এতে একদিকে জাতীয় গ্রিডের ওপর নির্ভরতা যেমন কমেছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ ব্যয়ও কমেছে আর পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারছি।’—বিজ্ঞপ্তি










