গত ফেব্রুয়ারি থেকে চার দফায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস লিমিটেডের মোট ৩৫ লাখ ১৯ হাজার শেয়ার কিনেছে কোম্পানিটির করপোরেট পরিচালক এ জে করপোরেশন লিমিটেড। পঞ্চম দফায় আরো ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিলেও এখনো ক্রয় সম্পন্নের কোনো বার্তা দেয়া হয়নি। এরই মধ্যে ষষ্ঠ দফায় আরো ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছে এ করপোরেট পরিচালক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল এ ঘোষণা দেয়া হয়।
তথ্য অনুসারে, ডিএসইর ব্লক মার্কেটের মাধ্যমে বিদ্যমান বাজারদরে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ১৫ লাখ শেয়ার কিনবে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনসের করপোরেট পরিচালক এ জে করপোরেশন।
২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনসের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৯৪ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭১ কোটি ১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৯ কোটি ৪৯ লাখ ৭৪ হাজার ৫৫৫। এর মধ্যে ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৬২ দশমিক ৪৭ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৬ টাকা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৫ টাকা ৭০ থেকে ৭ টাকা ১০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৮৪ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষেও যা একই ছিল (পুনর্মূল্যায়িত)। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১১ টাকা ৯১ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষেও যা একই ছিল (পুনর্মূল্যায়িত)।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস। সর্বশেষ ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।










