এসএমই ফাউন্ডেশন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ৪৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পর্যটন ভবনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়। পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।

সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের অপ্রতুল বীমা সুরক্ষার চাহিদা পূরণে উদ্ভাবনী, প্রযুক্তিনির্ভর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বীমা সমাধান তৈরির লক্ষ্যেই এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কারিগরি দক্ষতা, উদ্ভাবন, আর্থিক সম্ভাবনা ও সামাজিক প্রভাবসহ বিভিন্ন মানদণ্ডে মূল্যায়নের পর পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের প্রস্তাবকে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত করা হয়।

প্রস্তাবিত সমাধানের আওতায় রয়েছে ‘ক্লাইমেট অ্যান্ড অল রিস্ক বিজনেস কন্টিনিউটি প্রটেকশন’, ‘ফায়ার প্রটেকশন’ এবং ‘হসপিটালাইজেশন ক্যাশ’-এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষা। এর ফলে দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য বীমাকৃত ক্ষতির পর উদ্যোক্তারা দ্রুত আর্থিক সহায়তা পেয়ে ব্যবসা পুনরায় চালু করতে পারবেন। পাশাপাশি ঋণের দায় পরিশোধের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের ঋণঝুঁকি কমানোও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

উদ্যোগটির নেতৃত্ব দিচ্ছে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স। কনসোর্টিয়ামের কারিগরি অংশীদার হিসেবে রয়েছে লন্ডনভিত্তিক জলবায়ু-ঝুঁকি ও ইনক্লুসিভ ইন্স্যুরেন্স পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কেএম দাস্তুর অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড (কেএমডি)। চারটি মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠান তৃণমূল পর্যায়ে সেবা পৌঁছে দেবে। আর সফটোগ্রাফ লিমিটেড তৈরি করছে এআই-নির্ভর ডিজিটাল প্লাটফর্ম। এর মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি, নিবন্ধন, পলিসি ব্যবস্থাপনা ও দাবি নিষ্পত্তির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শাহরিয়ার আহসান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি ব্যবসাকে বীমা সুরক্ষা দেয়া নয়। আমরা ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শ্রেণীর নিম্ন-মধ্যম ও মধ্যম আয়ের ব্যবসায়ী, স্বনিযুক্ত ব্যক্তি কিংবা ছোট ব্যবসা পরিচালনাকারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখা এবং ঋণ পরিশোধের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখা।’

তিনি আরো বলেন, ‘কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে দ্রুত পুনরুদ্ধারের সুযোগ তৈরি করা হবে। এতে অর্থায়ন সুবিধা আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়ার পাশাপাশি সিএমএসএমই খাতের প্রবৃদ্ধি আরো স্থিতিশীল ও সহনশীল হবে।’