প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে মোট ৫৭ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সে হিসেবে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মোট লেনদেনে কোম্পানিটির অবদান ছিল ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, ডমিনেজ স্টিলের বর্তমান কার্যক্রমের অবস্থা যাচাই করতে গত ৩ ও ৪ নভেম্বর ডিএসইর একটি পরিদর্শক দল কোম্পানিটির সাভারের আশুলিয়া ও নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত কারখানা পরিদর্শন করে। যেখানে আশুলিয়া ইউনিটটি সচল থাকলেও পলাশ ইউনিটটি বন্ধ পাওয়া যায়।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ডমিনেজ স্টিলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ২২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ডমিনেজ স্টিলের ইপিএস হয়েছে ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ডমিনেজ স্টিলের ইপিএস হয়েছে ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ডমিনেজ স্টিলের ইপিএস হয়েছে ৫৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ২৩ পয়সায়।
২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর দেশের পুঁজিবাজারে ডমিনেজ স্টিলের লেনদেন শুরু হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০ কোটি ২৬ লাখ। এর ৩০ দশমিক ২০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৬৩, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫০ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।









