যুক্তরাজ্যের মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখা কঠিন হবে বলে মনে করেন ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি। ফলে দেশটিতে সুদহার শিগগিরই কমার সম্ভাবনা নেই। যার কারণে দেশটির উচ্চ সুদহার আরো কিছুদিন স্থায়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর গার্ডিয়ান।
এক সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো গভর্নর আর্থিক বাজার নিয়ে জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মানে অফিশিয়াল ঋণ ব্যয় শিগগিরই ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনা হবে।
গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৭ থেকে ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমেছে। কারণ বিদ্যুতের দাম নতুন করে না বাড়া।’
গভর্নর জানান, মূল্যস্ফীতির কমার অর্থ এ নয় যে দাম কমছে। এর মানে এক বছর আগের তুলনায় কম বাড়ছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা অস্বস্তিকর আরো কিছু দেখতে পাব। কিন্তু আরেকটি মাস বাকি আছে। আমি ভয় পাচ্ছি। মূল্যস্ফীতি হয়তো আরো ২ শতাংশ কমে যাচ্ছে।’
চলতি মাসের শুরুর দিকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নয় সদস্যের মধ্যে ছয়জন সুদহার ৫ দশমিক ২৫ শতাংশে রাখার পক্ষে ভোট দেন। বাকি তিনজন দশমিক ২৫ শতাংশ পয়েন্ট বাড়ানোর পক্ষে মত দেন।
গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি জানান, কম সচ্ছলদের প্রতি খুব সচেতন থাকতে হবে। মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। এ কারণে সুদহার কমানোর কথা ভাবছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে পূর্বাভাসের সময় পেছানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমি জানি, উচ্চ সুদহারের প্রভাব রয়েছে। এটি মর্টগেজ ঋণ এবং ভাড়া খরচের ওপরও প্রভাব ফেলে। তবে সত্যি বলতে, আমরা যদি মূল্যস্ফীতি না কমাতে পারি, তাহলে এটি আরো খারাপ হবে।’
২০২৪ সালের প্রথম প্রান্তিক শেষে মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশের কিছুটা কম হতে পারে। তবে এটি ২ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনতে ব্যাংকের কঠোর মুদ্রানীতির প্রয়োজন।










