নতুন প্রজন্মের বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির (ইভি) উৎপাদন ব্যয় অর্ধেকে কমিয়ে আনতে যাচ্ছে টেসলা। বিদ্যুচ্চালিত গাড়িকে আরো সাশ্রয়ী ও জনপ্রিয় করে তুলতে নেয়া হচ্ছে এ উদ্যোগ। বুধবার বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনাকালে এমনটাই জানিয়েছেন টেসলার কয়েকজন প্রকৌশলী। তবে কবে নাগাদ গাড়ি বাজারে আসবে, তা নিয়ে মুখ খোলেননি প্রধান নির্বাহী ইলোন মাস্ক। খবর রয়টার্স।

ইলোন মাস্কের নেতৃত্বে এক ডজনের বেশি জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী নতুন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বৈশ্বিক উৎপাদনবিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা টম চু। উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে কোন মডেলের গাড়ি বাজারে আনা হবে এবং কবে বাজারে আনা হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। মাস্ক অনেক আগে থেকেই বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে দাম কমিয়ে আনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। 

টেসলার পরবর্তী প্রজন্মের গাড়ি কয়েকটি মডেলের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা জ্যাক কিরখর্ন জানিয়েছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ টেসলা যে দুই কোটি গাড়ি প্রস্তুতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, নতুন পরিকল্পনা তাতে অন্তর্ভুক্ত করা হলে আরো ছয়গুণ বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। তখন ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। ইলোন মাস্কের ভাষ্য অনুযায়ী, টেসলার পরবর্তী বিনিয়োগ হবে মেক্সিকোয় নতুন একটি কারখানা স্থাপন। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সেটিই হবে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও চীনের বাইরে প্রথম কারখানা। এদিকে ডিজাইন নির্বাহী ফ্রাঞ্জ ফন হোলজাওসেন আশা প্রকাশ করেছেন, সাইবারট্রাক পিকআপ এ বছরই বাজারে চলে আসবে।

টেসলা এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তারপর সম্প্রতি শেয়ার দরে সূচক নিম্নমুখী ছিল। ২০২১ সালের পর থেকে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছিল শেয়ার দর। যদিও এ বছর তার ৬০ শতাংশই পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।