মাখন রফতানিকারক দেশগুলোর বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় বেলারুশের অবস্থান তৃতীয়। নভেল করোনাভাইরাস মহামারী দেশটির দুগ্ধ শিল্পে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। এর জের ধরে চলতি বছর মাখন রফতানি আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারে দেশটি। এর মধ্য দিয়ে বেলারুশ থেকে দুগ্ধপণ্যটির রফতানিতে পরপর দুই বছর মন্দা ভাব বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। খবর এগ্রিমানি ও বিজনেস রেকর্ডার।
মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে বেলারুশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ৭৮ হাজার টন মাখন রফতানি হয়েছিল। আগের বছরের তুলনায় ওই সময় দেশটি থেকে দুগ্ধপণ্যটির রফতানি বেড়েছিল ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। কেননা ২০১৭ সালে বেলারুশ সব মিলিয়ে ৭৩ হাজার টন মাখন রফতানি করেছিল।
তবে ২০১৯ সালে এসে বেলারুশ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে মাখন রফতানি আগের বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ কমে ৬৯ হাজার টনে নেমে আসে। আর চলতি বছর দেশটি থেকে দুগ্ধপণ্যটির রফতানি কমে ৬৫ হাজার টনে নেমে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ কম। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশটি থেকে মাখন রফতানি কমতে পারে চার হাজার টন।










