আফ্রিকায় উপস্থিতি বাড়াতে চাইছে জার্মান প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশেষ করে সংস্থাগুলো গ্রিন হাইড্রোজেন ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো খাতে কার্যক্রম বাড়াবে। এ লক্ষ্যে মহাদেশটিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের জরিপে উঠে এসেছে, ৪৩ শতাংশ জার্মান প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালে আফ্রিকায় বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
জার্মান-আফ্রিকান বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের
সদস্যদের ওপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে,
আরো ৩৯ শতাংশ
প্রতিষ্ঠান আফ্রিকায় বিনিয়োগের মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে চায়। অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান
ক্রিস্টোফ ক্যানেগিসার রয়টার্সকে বলেন,
অধিকাংশ
কোম্পানি আগামী বছর আফ্রিকায় কার্যক্রম বাড়াতে চায়। কারণ মহাদেশটির অর্থনীতি এখনো
প্রবৃদ্ধির গতিপথে রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে,
জার্মান
কোম্পানিগুলো ২০২১ সালে আফ্রিকায় প্রায় ১৬০ কোটি ইউরো বিনিয়োগ করেছে। এর মধ্যে
প্রায় ১১০ কোটি ইউরো গেছে সাব-সাহারা অঞ্চলে।
ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর থেকেই জ্বালানি সংকটে রয়েছে ইউরোপ। ফলে ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতি রুশ গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে। এ অবস্থায় জার্মান প্রতিষ্ঠানগুলো আফ্রিকার জ্বালানি খাতে বড় সুযোগ দেখতে পাচ্ছে। ক্রিস্টোফ ক্যানেগিসার বলেন, গ্রিন হাইড্রোজেন ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রগুলো আফ্রিকায় বিনিয়োগ বাড়াতে আমাদের প্ররোচিত করছে। এক্ষেত্রে সেনেগাল, নাইজেরিয়া ও মৌরিতানিয়ায় বিনিয়োগ সম্ভাবনা অনেক বেশি। নামিবিয়াও গ্রিন হাইড্রোজেন উত্পাদন থেকে ব্যাপকভাবে লাভবান হতে পারে। কারণ জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভরতা কমাতে বিশ্বজুড়ে চাপ বাড়ছে।










