দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামে ২০২৩ সালে কফি রফতানি কমেছে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। রফতানির পরিমাণ নেমেছে ১৬ লাখ টনে। দেশটির সরকারি শুল্ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর রয়টার্স।
বিশ্বব্যাপী রোবাস্তা কফি ও অ্যারাবিকা কফির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ভিয়েতনাম রোবাস্তা কফির শীর্ষ সরবরাহকারী। তথ্য বলছে, বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমায় ২০২৩ সালে রোবাস্তা কফির দাম ২৮ বছরের সর্বোচ্চে উঠেছে। দাম বাড়ায় ভিয়েতনামের কফি খাত বেশ লাভবান হয়েছে।
শুল্ক তথ্য বলছে, রফতানির পরিমাণ কমলেও জনপ্রিয় এ পানীয় পণ্যটির উচ্চ মূল্যের কারণে আগের বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে দেশটির। ২০২৩ সালে কফি রফতানি আয় ২০২২ সালের তুলনায় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। বছরটিতে কফি রফতানি থেকে ৪২০ কোটি ডলার আয় করেছে ভিয়েতনাম।
এল নিনোর প্রভাবে দেশটিতে কফির ফলন কমেছে। ভিয়েতনাম কফি-কোকোয়া অ্যাসোসিয়েশন (ভিকোফা) জানিয়েছে চলতি বছরও জনপ্রিয় পানীয় পণ্যটির সরবরাহ চাপের মুখে থাকতে পারে। ভিকোফার জরিপ অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কফির ফলন ১৬-১৭ লাখ টনের মধ্যে থাকতে পারে, যা ২০২২-২৩ সালের ১৭ লাখ ৮০ হাজার টনের চেয়ে কম। তাই এমন অবস্থায় ভিয়েতনাম কফি শিল্পের টেকসই উন্নয়নের প্রতি জোর দিচ্ছে।










