বস্ত্র খাতে তালিকাভুক্ত শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৯৩ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা।

৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৪১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৪১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানির। আলোচ্য হিসাব বছরে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৩৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ১৬ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫ টাকা ২৫ পয়সায়।

২০১৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অনুমোদিত মূলধন ১৯০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৫৪ কোটি ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫ কোটি ৪০ লাখ ৪৬ হাজার ৪৭৩। এর ৫১ দশমিক ৪৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২২ দশমিক ৪৫, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৪ দশমিক ৭৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২১ দশমিক ৩০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।