টানা তিন নিলাম ধরে বাড়তির দিকে রয়েছে দুগ্ধপণ্যের বৈশ্বিক গড় মূল্যসূচক। এ ধারাবাহিকতায় নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আন্তর্জাতিক নিলামে এ সূচক ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। গ্লোবাল ডেইরি ট্রেড (জিডিটি) অকশনের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে। খবর নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড।
জিডিটি প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী, সর্বশেষ আন্তর্জাতিক নিলামে ২৩ হাজার ৪৬০ টন দুগ্ধপণ্য সরবরাহ হয়েছিল। নিলামে বিক্রি হয়েছে ২১ হাজার ৪১০ টন দুগ্ধপণ্য। এ সময় দুগ্ধপণ্যের বৈশ্বিক গড় মূল্যসূচক আগের নিলামের তুলনায় ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। গত ১৯ মের পর থেকে টানা তিনটি নিলামে দুগ্ধপণ্যের গড় মূল্যসূচক বাড়তির দিকে রয়েছে। এর আগের নিলামে এ সূচকমান দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছিল। সর্বশেষ নিলামে প্রতি টন দুগ্ধপণ্যের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৭৯ ডলারে।
এদিকে সর্বশেষ নিলামে পনির এবং ননিযুক্ত ও ননিবিহীন—দুই ধরনের গুঁড়ো দুধের দাম বেড়েছে। কমেছে মাখনের দাম। এ সময় প্রতি টন পনিরের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬৩১ ডলার, যা আগের নিলামের তুলনায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
সর্বশেষ নিলামে প্রতি টন ননিবিহীন গুঁড়ো দুধের গড় দাম ২ হাজার ৬০৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের নিলামের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। ননিযুক্ত গুঁড়ো দুধের গড় দাম আগের নিলামের তুলনায় ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে টনপ্রতি ২ হাজার ৮২৯ ডলারে উঠেছে।
অন্যদিকে সর্বশেষ জিডিটিতে মাখনের গড় দাম দাঁড়িয়েছে টনপ্রতি ৩ হাজার ৫৯৭ ডলারে, যা আগের নিলামের তুলনায় ১ শতাংশ কম।










