এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মাহবুব উর রহমান বলেছেন, ‘আমরা দেখেছি যে বাংলাদেশের ঋণমানে অবনমন হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার সংকটের সঙ্গে এ অবনমনের সম্পর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে যখন বাংলাদেশের ‘ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা’ বা ‘অ্যাবিলিটি টু সার্ভিস ডেট’ কমে গেছে বলে মনে করা হয়, তখন তার একটা সিগনালিং ইমপ্যাক্ট আছে। এ ঋণমান কমে যাওয়ায় আর্থিক খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সরাসরি ব্যবসার খরচ বা ‘কস্ট অফ ডুইং বিজনেস’-এর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সুতরাং রফতানি বহুমুখীকরণ এবং দেশের ঋণমানে উন্নয়ন—এ দুটি বিষয়ে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।’

রাজধানীর শেরাটন হোটেলে সোমবার (১১ মে) বণিক বার্তা আয়োজিত প্রথম সোনার বাংলা নীতি আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘রফতানি বহুমুখীকরণ এবং পোশাক খাতে আমাদের এখন যে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা রয়েছে তা ধরে রাখা এবং বাজার সম্প্রসারণের জন্য আমাদের প্রয়োজন জ্বালানির পর্যাপ্ততা, প্রাপ্যতা ও নিরাপত্তা। কিন্তু খাতটি এখন জ্বালানি নিরাপত্তার অভাবেই ভুগছে। আর এ কারণে খাতটির প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, ‘রফতানি খাতের যে মাল্টিপ্লায়ার ইমপ্যাক্ট আছে, সেটির ওপরেও আমাদের গুরুত্বারোপ করতে হবে, যা একইসঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়ক হবে। রফতানি খাতের মাল্টিপ্লায়ার ইমপ্যাক্টে একাধারে কর্মসংস্থান তৈরি হয় ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়।’