আগামী মৌসুমে তুলা উৎপাদন ৫০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে মিসর। দেশটির কৃষিমন্ত্রী চলতি সপ্তাহে এ ঘোষণা দিয়েছেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মধ্যে দেশটিতে দ্বিগুণ তুলা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া তুলা আবাদি জমির পরিমাণ ২৩৬ থেকে বেড়ে ৩৫০ ফেদ্দানে উন্নীত হতে পারে।
মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটির সরকার স্থানীয় কৃষকদের তুলা চাষ বাড়াতে নানাভাবে উৎসাহ দিচ্ছে। পাশাপাশি ভুট্টা ও অন্যান্য কৌশলগত শস্য উৎপাদন বাড়ানোরও জোর প্রচেষ্টা চলছে। বাজারে বাণিজ্যিকভাবে বীজ ছাড়ার পর আবাদের কার্যকর প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্দিষ্টসংখ্যক চাষীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
জাতিসংঘের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশনের (ইউএনআইডিও) সঙ্গে ইজিপশিয়ান কটন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের অংশীদারত্ব রয়েছে। এটি দেশটিতে উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করবে। এছাড়া মডার্ন নাইল কটন ২০১৯ সালে বেটার কটন ইনিশিয়েটিভ চালু করেছে।
এ ইনিশিয়েটিভের আওতায় ইজিপশিয়ান কটন প্রজেক্টের ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে। উদ্দেশ্য তুলার গুণগত মানোন্নয়ন ও মার্কেটিং।










