মাসিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ড ৪০ বছরের মধ্যে সেরা সময় পার করার পথে রয়েছে। এর পেছনে আগামী বছর সুদহার কমানোর প্রত্যাশা প্রণোদনা হিসেবে কাজ করছে। চলতি শরতের শুরু থেকে মার্কিন বন্ডের বিক্রি দ্রুতগতিতে বেড়েছে।
একটি সংস্থার বন্ড ইনডেক্স অনুযায়ী, সুদহার বাড়ানোর পর নভেম্বরে মার্কিন ফিক্সড ইনকাম ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। এটা ১৯৮৫ সালের পর থেকে মাসিক ভিত্তিতে সেরা অবস্থান।
চলতি বছর বন্ডের বাজার একটি ইতিবাচক অবস্থানে চলে এসেছে। তিন বছরের ধারাবাহিক লোকসানের পর এটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
নভেম্বরে বন্ডের মূল্য দ্রুত বেড়েছে এবং ইয়েল্ডের মূল্য কমেছে। অর্থনীতিবিদরা মোটামুটি নিশ্চিত যে ফেড নতুন করে আর সুদহার বাড়াবে না।
যুক্তরাষ্ট্র সুদহার বাড়ানোর পর বিশ্বজুড়ে সরকারগুলোর ঋণের মূল্য বেড়েছে। একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের হিসাব অনুসারে, ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পর এটা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
ফেডারেল রিজার্ভের গত মে মাসের বৈঠকে সুদহার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ হ্রাসের পর বিনিয়োগকারীরা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন। এটার সঙ্গে মধ্য অক্টোবরের তুলনা করলে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এটা কমার কোনো সম্ভাবনা ছিল না।
গ্লোবাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি জানুস হেন্ডারসনের পোর্টফোলিও ম্যানেজার জন কার্শনার বলেন, ‘ছয় সপ্তাহ আগে এক হাজার পোর্টফোলিও ম্যানেজারের মধ্যে জরিপ করলে আমি নিশ্চিত কেউ এমন ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারতেন না। অথচ মাত্র একটি কী দুটি ঘটনায় দ্রুত প্রচুর অর্থ বাজারে লেনদেন হচ্ছে।
সম্প্রতি জিডিপির ডাটা পুনর্নিরীক্ষণ করে দেখা গেছে, তৃতীয় প্রান্তিকে যতটা ভাবা হয়েছিল তার চেয়ে কম গতিতে মূল্যস্ফীতি কমছে। পিসিইর প্রাইস ইনডেক্স দেখাচ্ছে যে ফেড লক্ষ্য রাখছে মূল্যস্ফীতির আকারের দিকে। নতুন পর্যবেক্ষণে এটা শূন্য দশমিক ১ থেকে ২ দশমিক ৮ শতাংশ কম দেখা যাচ্ছে।
বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকসের প্রধান ঋণ পরিকল্পনাবিদ লোটফি কারোই বলেন, ‘আমরা এমন এক পরিস্থিতি পার করে এসেছি যে মনে হয়েছিল ফেড সবকিছু জটিল করে ফেলেছে। এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। ১৬ বছরের মধ্যে ইল্ড ভালো অবস্থানে রয়েছে। মুদ্রানীতি নিয়ে এখন আরো বেশি প্রত্যাশা করা যায়।’










