আইসিই ফিউচারস এক্সচেঞ্জে কোকোর দাম বেড়ে ৪৬ বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ৪ শতাংশ। ঘানায় আশঙ্কার চেয়েও বেশি মাত্রায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ সংকুচিত হয়ে এসেছে। এ কারণেই মূলত পণ্যটির বাজারদরে নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। খবর রয়টার্স। 

আইসিইতে কোকোর ডিসেম্বরে সরবরাহ চুক্তির দাম একদিনের ব্যবধানে ৭৩ পাউন্ড বা ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৩ হাজার ৫০ পাউন্ডে। জুনের পর থেকেই পণ্যটির দাম বাড়ছে। ফিচ সলিউশনের গবেষণা ইউনিট বিএমআই জানায়, পশ্চিম আফ্রিকায় সবচেয়ে বেশি কোকো উৎপাদন হয়। এ অঞ্চলে কোকো উৎপাদন কমে যাওয়ায় ২০২২-২৩ মৌসুমে বৈশ্বিক ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঘানায় ২০২২-২৩ মৌসুমে ৭ লাখ ৫০ হাজার টন কোকো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু সম্প্রতি উৎপাদন সে তুলনায় ১১ শতাংশ কমার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২৩-২৪ মৌসুমে কোকোর সরবরাহ ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ১ লাখ ৭৩ হাজার টনে।