এমএসএমই
খাতের
উন্নয়ন
একটি
দেশকে
বৈশ্বিক
অর্থনৈতিক
মন্দার
মধ্যেও
কীভাবে
দেশের
অর্থনৈতিক
অবস্থানকে
সুদৃঢ়
রাখতে
পারে,
তার
একটি
প্রকৃষ্ট
উদাহরণ।
২০১০
সালের
ইন্ডাস্ট্রি
পলিসিতে
এমএসএমই
খাতের
অন্তর্ভুক্তি
আজকে
২০২১
সালের
বাংলাদেশকে
এনে
দিয়েছে
একটি
সুদৃঢ়
অর্থনৈতিক
অবস্থান।
এজন্য
অবশ্যই
আমাদের
দূরদর্শী
নেতৃত্বকে
ধন্যবাদ
দিতে
হয়।
তাই
আজকে
এমএসএমই
খাত
ও
বাংলাদেশের
অর্থনৈতিক
উন্নয়নের
বিষয়ে
লিখতে
গিয়ে
স্মরণ
করছি
হাজার
বছরের
শ্রেষ্ঠ
বাঙালি
জাতির
জনক
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমানের
সুযোগ্য
কন্যা
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনাকে,
তার
দূরদর্শী
নেতৃত্বের
কারণেই
২০১০
সালের
ইন্ডাস্ট্রি
পলিসিতে
এমএসএমই
খাত
অন্তর্ভুক্ত
হয়েছিল।
ফলে
২০২০
সালের
কভিড
মহামারীর
কারণে
এত
বড়
বৈশ্বিক
অর্থনৈতিক
মন্দার
মধ্যেও
বাংলাদেশের
জিডিপির
প্রবৃদ্ধি
ছিল
চোখে
পড়ার
মতো,
অর্থাৎ
৫
শতাংশের
ওপরে।
যেখানে
আমাদের
পার্শ্ববর্তী
দেশ
ভারতের
জিডিপির
প্রবৃদ্ধি
ছিল
নেগেটিভ
(ঋণাত্মক)।
আরো
একটি
লক্ষণীয়
বিষয়
ছিল,
২০২০
সালের
এ
মন্দার
সময়েও
বাংলাদেশে
কোনো
খাদ্য
ঘাটতি
দেখা
দেয়নি।
তার
একমাত্র
কারণ
হচ্ছে
কৃষি
খাতের
উন্নয়ন।
এক্ষেত্রেও
মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীর
প্রশংসা
করতে
হয়,
তার
দূরদর্শী
নেতৃত্ব
এবং
সঠিক
দিকনির্দেশনায়
এবং
কেন্দ্রীয়
ব্যাংকের
কঠোর
তদারকির
কারণে
বাংলাদেশের
সব
ব্যাংক
ও
আর্থিক
প্রতিষ্ঠান
কৃষি
খাতের
উন্নয়নের
জন্য
সহজ
শর্তে
এবং
কম
সুদে
ঋণ
প্রদানের
মাধ্যমে
আজ
বাংলাদেশকে
করেছে
খাদ্যে
স্বয়ংসম্পূর্ণ
একটি
দেশ।
শুনতে
ভালো
লাগে,
আজকে
বাংলাদেশের
উৎপাদিত
কৃষিজ
পণ্য
বিদেশে
রফতানি
করে
দেশের
রফতানি
আয়
বৃদ্ধিতে
বিরাট
ভূমিকা
রাখছে।
ডিসেম্বর
২০২০
ভিত্তিক
তথ্য
পর্যালোচনা
করলে
দেখা
যায়,
দেশের
সামগ্রিক
নিট
ঋণ
ও
অগ্রিম
স্থিতির
পরিমাণ
ছিল
১০
লাখ
৫০
হাজার
৫৬২
দশমিক
৯৬
কোটি
টাকা,
যেখানে
এমএসএমই
খাতে
ঋণ
ও
অগ্রিম
স্থিতির
পরিমাণ
২
লাখ
৬
হাজার
৮০৩
দশমিক
৬৪
কোটি
টাকা,
যা
শতকরা
হারে
নিট
ঋণ
ও
অগ্রিম
স্থিতির
১৯
দশমিক
৬৯
শতাংশ।
যেখানে
বাংলাদেশের
লক্ষ্যমাত্রা
হচ্ছে
২০২০
সালে
এমএসএমই-নিট
ঋণ
ও
অগ্রিম
হতে
হবে
২১
শতাংশ
এবং
২০২৪
সালে
এ
লক্ষ্যমাত্রা
হচ্ছে
২৫
শতাংশ।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের
নির্দেশনা
মতে,
প্রতি
বছর
এমএসএমই
খাতে
ন্যূনতম
১
শতাংশ
হারে
ঋণ
বাড়াতে
হবে।
দ্য
প্রিমিয়ার
ব্যাংক
লি.
প্রধানমন্ত্রীর
লক্ষ্য
বাস্তবায়নের
জন্য
বাংলাদেশ
ব্যাংকের
দিকনির্দেশনাকে
অত্যন্ত
গুরুত্বের
সঙ্গে
বিবেচনা
করে
২০১৬
সাল
থেকেই
প্রয়োজনীয়
পরিকল্পনা
প্রণয়ন
করে।
একই
সঙ্গে
প্রিমিয়ার
ব্যাংক
বার্ষিক
পরিকল্পনার
অংশ
হিসেবে
সামগ্রিক
ঋণ
স্থিতির
লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণের
ক্ষেত্রে
২০২৪
সালের
এমএসএমই
খাতের
লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ
করেছে
৫০
শতাংশ।
ফলে
প্রিমিয়ার
ব্যাংক
২০২০
সালেই
বাংলাদেশ
ব্যাংক
২০২৪
সালের
জন্য
যে
লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ
করেছে,
তার
অধিক
অর্জন
করতে
সমর্থ
হয়েছে।
২০২০
সালের
ডিসেম্বর
পর্যন্ত
প্রিমিয়ার
ব্যাংকের
এমএসএমই
ঋণের
পরিমাণ
ছিল
নিট
ঋণের
২৯
শতাংশ।
এবার
দেখা
যাক
ব্যবসার
ধরন
অনুযায়ী
বাংলাদেশ
ব্যাংকের
লক্ষ্যমাত্রা
কী?
ব্যবসার
ধরন
বিবেচনায়
বাংলাদেশ
ব্যাংক
যে
লক্ষ্যমাত্রা
দিয়েছে,
তা
হচ্ছে
এমএসএমই
খাতে
ঋণ
ও
অগ্রিম
স্থিতির
মধ্যে
উৎপাদন
খাতে
হতে
হবে
সর্বনিম্ন
৪০
শতাংশ,
সেবা
খাতে
সর্বনিম্ন
২৫
শতাংশ
এবং
ট্রেডিং
অর্থাৎ
বাণিজ্য
খাতে
সর্বোচ্চ
৩৫
শতাংশ।
এক্ষেত্রে
প্রিমিয়ার
ব্যাংকের
অবস্থান
হচ্ছে
উৎপাদন
খাতে
৪৫
দশমিক
৮৯
শতাংশ,
সেবা
খাতে
২২
দশমিক
৮৫
শতাংশ
এবং
ট্রেডিং
খাতে
৩১
দশমিক
২৬
শতাংশ।
এবার
আসা
যাক
এমএসএমই
খাতে
কী
কী
চ্যালেঞ্জ
আছে।
এমএসএমই
খাতে
সবচেয়ে
লক্ষণীয়
চ্যালেঞ্জগুলো
হচ্ছে—
১. ঋণ
প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে জটিলতা: ঋণ প্রাপ্যতার
ক্ষেত্রে
জটিলতা
সমাধান
করতে
হলে
প্রথমেই
আমার
প্রস্তাবনা
হচ্ছে
ট্রেড
লাইসেন্স
প্রদানের
প্রক্রিয়া
একটি
ডিজিটাল
প্রক্রিয়ার
মাধ্যমে
নিয়ে
আসা।
বর্তমানে
ট্রেড
লাইসেন্স
প্রদানের
বিষয়টি
দেখভাল
করে
ইউনিয়ন
পরিষদ,
পৌরসভা
ও
সিটি
করপোরেশন।
বলতে
গেলে
তাদের
কোনো
সঠিক
তথ্যভাণ্ডার
নেই,
অল্প
কিছু
থাকলেও
কোন
ব্যক্তির
নামে
কয়টা
ট্রেড
লাইসেন্স
ইস্যু
হয়েছে,
সে
হিসাব
কেউ
দিতে
পারবে
না।
এ
ট্রেড
লাইসেন্স
প্রদানের
বিষয়টি
ডিজিটাল
সলিউশনের
আওতায়
এনআইডির
সঙ্গে
অন্তর্ভুক্ত
করে
যেকোনো
একটি
প্রতিষ্ঠানকে
দায়িত্ব
প্রদান
করতে
হবে।
সেক্ষেত্রে
আমরা
এসএমই
ফাউন্ডেশনের
কথা
চিন্তা
করতে
পারি।
দেশের
সব
ইউনিয়ন
পরিষদ,
পৌরসভা
ও
সিটি
করপোরেশনগুলোকে
প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ের
এ-টু-আই
প্রজেক্টের
সহযোগিতার
মাধ্যমে
এসএমই
ফাউন্ডেশন
কাজ
করতে
পারে।
যদি
এ
ট্রেড
লাইসেন্স
প্রদানের
বিষয়টি
একটি
সঠিক
অবকাঠামোর
মধ্যে
নিয়ে
আসতে
পারি
তাহলে
সব
ব্যবসায়িক
প্রতিষ্ঠান,
বিশেষ
করে
এমএসএমই
খাতের
একটি
সঠিক
তথ্যভাণ্ডার
তৈরি
হবে
এবং
সেই
সঙ্গে
বাংলাদেশ
ব্যাংকের
সিআইবি
সেলের
কাজটিও
সঠিকভাবে
পরিপালন
হবে।
তাহলে
ব্যাংক
ও
আর্থিক
প্রতিষ্ঠান
অনেক
সহজ
শর্তে
ক্যাশ
ফ্লো
বেজ
লেন্ডিংয়ে
আগ্রহী
হবে।
সেই
সঙ্গে
ব্যাংক
ও
আর্থিক
প্রতিষ্ঠানগুলো
জামানতবিহীন
ঋণ
দিতে
অনেকাংশে
স্বাচ্ছন্দ্য
বোধ
করবে।
যদিও
বর্তমানে
এজেন্ট
ব্যাংকিং
ও
এনজিওর
মাধ্যমে
এ
সমস্যা
অনেকাংশে
কমে
গেছে।
২. সঠিক
প্রশিক্ষণের অভাব:
সময়োপযোগী
এবং
সঠিক
প্রশিক্ষণ
একটি
প্রতিষ্ঠানের
উৎপাদন
ও
বিপণন
ত্বরান্বিত
করার
ক্ষেত্রে
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
রাখে।
তাই
এমএসএমই
খাতের
উন্নয়নের
জন্য
সরকারি
উদ্যোগে
প্রশিক্ষণের
ব্যবস্থা
করতে
পারলে
উৎপাদনের
হার
বৃদ্ধিসহ
উৎপাদিত
পণ্য
বিপণনের
ব্যবস্থা
সহজতর
হবে।
এতে
উদ্যোক্তারা
আরো
বেশি
উৎসাহ,
উদ্দীপনা
নিয়ে
ব্যবসায়
মনোনিবেশ
করবেন।
ফলে
শিক্ষিত
বেকার
যুবকরা
চাকরির
প্রত্যাশায়
ঘোরাঘুরি
বাদ
দিয়ে
ক্ষুদ্র
উদ্যোক্তা
হিসেবে
নিজেকে
দাঁড়
করানোর
চেষ্টা
করবেন।
আমার
জানামতে,
প্রশিক্ষণের
কাজটি
নিয়ে
সীমিত
আকারে
কাজ
করছে
এসএমই
ফাউন্ডেশন
ও
এনজিওগুলো।
এ
প্রশিক্ষণ
কর্মসূচি
আরো
বেগবান
এবং
প্রসার
ঘটাতে
পারলে
উদ্যোক্তারা
আরো
বেশি
উপকৃত
হতেন।
৩. উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাত: বর্তমানে
দ্রব্য
বাজারজাত
বা
বিপণন
উৎপাদনকারী
বা
ক্ষুদ্র
ব্যবসায়ীদের
জন্য
সবচেয়ে
বড়
সমস্যা
হিসেবে
দেখা
দিয়েছে।
মধ্যস্বত্বভোগীর
দৌরাত্ম্যের
কারণে
আজ
ক্ষুদ্র
উদ্যোক্তারা
তাদের
উৎপাদিত
পণ্যের
সঠিক
মূল্য
পাচ্ছেন
না।
ফলে
অনেক
ক্ষুদ্র
উদ্যোক্তা
আজ
অঙ্কুরে
বিনষ্ট
হচ্ছেন।
যা
বর্তমানে
নতুন
নতুন
উদ্যোক্তা
তৈরি
বাধাগ্রস্ত
করছে।
এক্ষেত্রে
আমার
প্রস্তাবনা
হচ্ছে,
থানা
অথবা
উপজেলাভিত্তিক
সরকারি
বিপণন
বা
বাজারজাত
প্রতিষ্ঠান
তৈরি
করা।
তাদের
প্রধান
কাজ
হবে
ব্যবসায়ীদের
উৎপাদিত
পণ্য
সঠিক
মূল্যে
ক্রয়পূর্বক
পার্শ্ববর্তী
উপজেলা
ও
জেলা
শহরে
বিক্রির
ব্যবস্থা
করা।
এতে
উৎপাদনকারী
বা
কৃষক
তার
উৎপাদিত
পণ্যের
সঠিক
মূল্য
পাবেন
এবং
সেই
সঙ্গে
ভোক্তারা
তাদের
নিত্যপ্রয়োজনীয়
দ্রব্য
সঠিক
মূল্যে
কিনতে
পারবেন।
এতে
মূল্যস্ফীতি
রোধ
হবে
এবং
ফটকা
কারবারীদের
দৌরাত্ম্য
কমবে।
এমএসএমই
ও
কৃষি
নিয়ে
কাজ
করতে
গিয়ে
বিভিন্ন
এনজিওর
কর্ণধারকে
দ্রব্য
বাজারজাতের
জন্য
একটি
সামাজিক
ব্যবসা
তৈরি
করার
অনুরোধ
করে
যাচ্ছি।
এবং
এরই
মধ্যে
কিছু
এনজিও
তাদের
নিজস্ব
আয়োজনে
উদ্যোক্তাদের
উৎপাদিত
পণ্য
বাজারজাতের
ব্যবস্থা
করছে।
এ
উদ্যোগকে
সঠিক
অবকাঠামোর
মাধ্যমে
পুরো
বাংলাদেশে
সম্প্রসারিত
করতে
পারলে
আমরা
সবাই
মিলে
অতি
অল্প
সময়েই
বঙ্গবন্ধুর
সোনার
বাংলা
সত্যিকার
অর্থে
রূপ
দিতে
পারব।
এক্ষেত্রে
সরকার
এসএমই
ফাউন্ডেশনকে
কাজে
লাগাতে
পারে।
মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন: বিভাগীয় প্রধান, এসএমই ও কৃষিঋণ বিভাগ, দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক লি.










