আদর্শ অর্থনীতির
দাবি,
বিনিময়
হারের
গাড়ি
চলবে
ক্রয়সক্ষমতা
সমতা
নীতি
মেনে।
মানে
আমাদের
দেশে
এক
ঝুড়ি
নিত্যপ্রয়োজনীয়
পণ্য
কিনতে
যে
টাকা
লাগবে
তা
সমান
হবে
বাইরের
কোনো
দেশের
সেই
পরিমাণ
মুদ্রার,
যা
দিয়ে
সমজাতীয়
পণ্যের
ঝুড়ি
কেনা
যাবে।
কিন্তু
পদ্ধতিগত
সীমাবদ্ধতা
ছাড়াও
বিশ্বের
দেশগুলোর
আপত্তি
রয়েছে
এ
সমতার
নীতিতে
বাধা
পড়তে।
দি
ইকোনমিস্ট
ম্যাকডোনাল্ড’সের
বিগ
ম্যাকের
ভিত্তিতে
রেনমিনবির
ক্রয়ক্ষমতা
নির্দেশিত
মূল্য
বের
করেছিল
৩
দশমিক
৮৬
রেনমিনবি
১
ডলারের
বিনিময়ে,
কিন্তু
অফিশিয়াল
বিনিময়
হার
ছিল
৬
দশমিক
৪৩,
যা
আসলে
চীনের
মুদ্রানীতির
কারণে
ঘটেছিল,
চীনের
অর্থনীতি
রফতানিনির্ভর
ছিল।
আর
সে
সবসময়ই
বিনিময়
হারকে
অবমূল্যায়িত
রেখেছিল।
অবমূল্যায়িত
মুদ্রা
রফতানিকে
সাবসিডাইজ
বা
প্রণোদিত
করে
এবং
আমদানির
ভোক্তাদের
ওপর
কর
আরোপ
করে।
যেমন
যুক্তরাষ্ট্রের
ফোর্ড
কোম্পানি
সেই
একই
আয়ই
করবে,
তার
মুদ্রা
বাংলাদেশের
তুলনায়
দুর্বল
হলেও,
এক্ষেত্রে
বাংলাদেশ
সস্তায়
আমেরিকান
গাড়ি
কিনতে
পারবে,
আর
আমেরিকান
ফোর্ড
কোম্পানিও
লাভবান
হবে,
মানে
সব
পক্ষ
লাভবান
হবে।
তবে
ডলার
জাপানের
মুদ্রার
কাছে
মূল্য
হারালে
আমেরিকান
ফোর্ড
তার
দেশের
গাড়ি
বিক্রয়েও
সুবিধা
পাবে,
জাপানি
গাড়ি
এমনকি
যদি
দাম
নাও
বাড়ায়,
তাও
আমদানি
খরচ
বেশি
হওয়ায়
আমেরিকানরা
কম
টয়োটা
কিনবে
আর
বেশি
ফোর্ড
কিনবে।
এক্ষেত্রে
জাপান
ক্ষতিগ্রস্ত
হবে
হয়তো,
বৈদেশিক
মুদ্রা
কম
পাবে,
কিন্তু
আমেরিকান
ফোর্ড
প্রতিযোগিতা
সুবিধা
ভোগ
করবে।
এক্ষেত্রে
অবশ্য
ডলারের
মূল্যহ্রাসে
সব
পক্ষের
লাভ
নিশ্চিত
হবে
না।
এভাবে
মুদ্রার
মূল্য
হ্রাস
রফতানিকারক
বা
উৎপাদনকারীদের
সুবিধা
দেয়,
নিজ
দেশের
আমদানিকারকদের
ক্ষতি
করে,
অন্য
দেশের
আমদানিকারকদের
সুবিধা
দেয়।
অর্থবছরের
প্রথম
নয়
মাসে
আমদানি
গত
বছরের
৪২
দশমিক
৭৭
থেকে
বেড়ে
৬১
দশমিক
৫২
বিলিয়ন
ডলারে,
রফতানি
গত
বছরের
২৭
দশমিক
৫৫
থেকে
বেড়ে
৩৬
দশমিক
৬২
বিলিয়ন
ডলারে
এবং
রেমিট্যান্স
গত
বছরের
১৮
দশমিক
৬০
থেকে
নেমে
১৫
দশমিক
৩
বিলিয়ন
ডলারে
অবস্থান
করছে।
একই
সময়ে
আমাদের
বাণিজ্য
ঘাটতি
২৪
দশমিক
৯০
বিলিয়ন
ডলার
এবং
চলতি
হিসাব
ঘাটতি
১৪
দশমিক
শূন্য
৭
ডলার,
যা
ভেঙে
দিয়েছে
আগের
সব
রেকর্ড।
ব্যালান্স
অব
পেমেন্ট
৩
দশমিক
১০
বিলিয়ন
ডলার
ঋণাত্মক
রেখায়
অবস্থান
করছে,
যা
গত
বছরই
৬
দশমিক
৯৯
বিলিয়ন
ডলার
ধনাত্মক
ছিল।
বর্তমান
ধারা
বজায়
থাকলে
বছর
শেষে
প্রায়
১০০
বিলিয়ন
ডলারে
দাঁড়াবে
আমদানি,
ফলে
হাতে
বৈদেশিক
মুদ্রা
আর
থাকবে
কিনা
সন্দেহ।
তবে
চলতি
হিসাবের
ঘাটতি
বা
উদ্বৃত্ত
আসলে
অর্থনীতিবিদদের
কাছে
কোনো
অর্থ
বহন
করে
না।
যেখানে
যুক্তরাষ্ট্র
বড়
ধরনের
চলতি
হিসাব
ঘাটতি
দেখে
যাচ্ছে
ফি
বছর,
সেখানে
দ্রব্যাদির
গুণগত
মান
বা
প্রতিযোগিতামূলক
শ্রমিক
দক্ষতায়
যুক্তরাষ্ট্র
থেকে
যোজন
যোজন
পিছিয়ে
থাকার
পরও
বতসোয়ানা
ও
আজারবাইজানের
চলতি
হিসাবে
বড়
ধরনের
উদ্বৃত্ত
ছিল
২০১৭
সালে।
একটি
দেশের
চলতি
হিসাব
ঘাটতি
না
উদ্বৃত্ত
দেখাবে
তা
নির্ভর
করে
অনেক
সময়
তার
ইচ্ছে
বা
নীতি
কৌশলের
ওপর।
যেমন
কোনো
দেশ
যদি
যা
উৎপাদন
করে
তার
চেয়ে
কম
ভোগ
করে
তাহলে
স্বভাবতই
উদ্বৃত্ত
থাকবে।
অন্যদিকে
ধরা
যাক
কোনো
দেশ
১০০
টাকার
পণ্য
আমদানি
করল,
কিন্তু
তার
কাছে
রফতানি
করার
মতো
আছে
মাত্র
৫০
টাকা,
তাহলে
ঘাটতি
দেখা
দেবে
চলতি
হিসাবে,
যে
ঘাটতি
মেটাতে
কোনো
দেশের
কাছ
থেকে
ঋণ
করতে
হবে
অথবা
বিক্রি
করে
দিতে
হবে
রিয়েল
এস্টেট
বা
বন্ড
বা
স্টক।
ঋণের
ক্ষেত্রে
সুদ
গুনতে
হবে।
আর
সম্পদ
বিক্রির
ক্ষেত্রে
ভবিষ্যৎ
ভাড়া
আয়
বা
সুদ
আয়
হারাতে
হবে।
মানে
উভয়
ক্ষেত্রেই
বর্তমান
ভোগ
চাহিদাকে
মূল্য
দিতে
ভবিষ্যৎ
আয়
কমিয়ে
দিতে
হবে।
সাধারণত
আত্মশুদ্ধি
পদ্ধতিতে
এসব
ভারসাম্যহীনতা
দূর
হয়।
আমাদের
বিনিময়
হারের
বাজারে
দাবানল
ছড়িয়ে
পড়ার
কারণ
বর্ধিত
ঋণ
চাহিদা,
প্রণোদনা
ঋণ
সরবরাহ,
বর্ধিত
মূল্যের
আমদানি,
বর্ধিত
আমদানি-রফতানির
তুলনায়
কম
রেমিট্যান্স।
আমরা
এ
বছর
প্রবৃদ্ধি
টার্গেট
৭
দশমিক
৫
ছাড়িয়ে
যাচ্ছি।
আমাদের
উৎপাদন
খাত
১২
দশমিক
৮৭
শতাংশ
বেড়েছে।
যেখানে
আমাদের
ব্যক্তি
খাত
ভোগে
দেখিয়েছে
১৩
দশমিক
১৮
শতাংশ
প্রবৃদ্ধি।
আমাদের
বিনিয়োগ
হার
মাত্র
২৩
দশমিক
৭
শতাংশ
জিডিপির,
রফতানি
বাড়লেও
ভোগ
খেয়ে
ফেলছে
বেশির
ভাগ
অর্জিত
বৈদেশিক
মুদ্রা
মাঝপথেই,
আমাদের
সঞ্চয়
গত
দুই
বছরে
ভাঙা
হয়েছে।
৩০
এপ্রিল
আমাদের
বৈদেশিক
মুদ্রার
মজুদ
ছিল
৪৪
বিলিয়ন
ডলার,
যা
৪২
বিলিয়ন
ডলারে
নেমে
এসেছে
আকু
সেটলমেন্টের
কারণে। মাত্র
৫
দশমিক
৫
মাস
চালাতে
সক্ষম
এ
মজুদ,
যা
আগে
অনায়াসে
নয়
মাস
পার
করে
দিতে
পারত।
বৈশ্বিক
ঘটনা,
যেমন
বর্তমানে
ইউক্রেন
যুদ্ধ
আমাদের
মুদ্রার
ওপর
চাপ
সৃষ্টি
করছে।
কিন্তু
আমাদের
নিজস্ব
ব্যর্থতাও
আছে।
দেবপ্রিয়
ভট্টাচার্য
বলেছেন,
বাংলাদেশ
বিশ্বের
দুর্বলতম
দেশ
বিনিময়
হারের
যথাযথ
তদারকি
ও
নিয়ন্ত্রণের
ক্ষেত্রে।
দুবাইসহ
মধ্যপ্রাচ্যে
বড়
ব্যবসায়ীরা
দপ্তর
খুলেছেন,
বড়রা
আমদানি-রফতানি
ওভার
ও
আন্ডার
ইনভয়েসিং
এবং
ছোটরা
হুন্ডির
আশ্রয়
নিচ্ছেন
অর্থ
পাচারে।
গত
জুনে
ইতিহাসের
রেকর্ড
ভেঙে
অতিরিক্ত
তারল্য
পৌঁছেছিল
২
লাখ
৩১
হাজার
৪৬২
কোটি
টাকায়।
তখন
২
শতাংশ
রেমিট্যান্স
প্রণোদনা
প্রত্যাহারের
পরামর্শ
দেয়া
হয়েছিল।
কিন্তু
রেমিট্যান্স
ঠিকমতো
কাজে
লাগাতে
ব্যর্থ
হলে
সেই
ব্যর্থতা
অন্যের
ঘাড়ে
চাপানো
ঠিক
নয়।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের
২০২০-২১
বার্ষিক
প্রতিবেদনে
আভাস
দেয়া
হয়েছে,
ব্যাপ্তমান
তারল্য
ও
নিম্ন
সুদহার
আর্থিক
বাজারকে
অস্থিতিশীল
করার
সমূহ
আশঙ্কা।
বাংলাদেশ
তার
ইতিহাসের
সবচেয়ে
বেশি
বৈদেশিক
সাহায্য
৬
দশমিক
৭৯
বিলিয়ন
ডলার
পেয়েছে
প্রথম
নয়
মাসে।
এর
মধ্যে
৬
দশমিক
৬১
বিলিয়ন
ডলার
হচ্ছে
ঋণ,
বাকিটা
অনুদান।
এ
সময়ে
১
দশমিক
৫৯
বিলিয়ন
ডলার
ঋণ
পরিশোধ
করেছে
বাংলাদেশ।
বর্তমানে
পাইপলাইনে
আছে
৫০
দশমিক
৩৬
বিলিয়ন
ডলার।
গত
পাঁচ
বছরে
বেসরকারি
খাতে
বিদেশী
ঋণ
দ্বিগুণ
হয়েছে,
সামনে
এ
ঋণ
পুনর্জাগরণের
সম্ভাবনা
কম,
যেহেতু
বিদেশী
ঋণদাতা
বর্ধিত
সুদহার
ও
বিশ্বাসযোগ্যতার
কারণে
শিল্পোন্নত
দেশগুলোয়
চলে
যেতে
পারেন।
ফলে
ডলারের
ওপর
চাপ
বাড়ার
সমূহ
সম্ভাবনা
অদূরভবিষ্যতে,
বিশেষত
যখন
প্রকল্প
ঋণ
পরিশোধের
বিলম্বিত
সময়সীমা
শেষ
হতে
যাচ্ছে।
আর্জেন্টিনা,
মেক্সিকো,
রাশিয়া,
তুরস্ক,
দক্ষিণ
কোরিয়া,
থাইল্যান্ড,
আইসল্যান্ড—এ
দেশগুলোর
মধ্যে
কোনো
সাংস্কৃতিক
বা
জলবায়ুগত
মিল
নেই,
কিন্তু
তারা
সবাই
এক
কাতারে
দাঁড়িয়ে
থাকবে
ইতিহাসের
মুদ্রা
আলোচনায়।
কারণ
প্রতিটি
দেশই
প্রথমে
বিপুল
বৈদেশিক
ঋণের
সায়রে
ভেসেছে।
এরপর
একসময়
প্রবল
বুদ্বুদে
মুদ্রার
মান
নেমে
গিয়েছে
তরতর
করে,
প্রচণ্ড
শঙ্কায়
বিদেশী
বিনিয়োগকারীরা
আরো
দাম
হারানোর
আগেই
তাদের
মুদ্রা
বিক্রি
করে
পালানোর
চেষ্টা
করেছেন,
এই
করে
মুদ্রা
আরো
তলানিতে
ঠেকেছে।
একসময়
দেশগুলো
বিশ্বদরবারে
হাত
পেতেছে
নিজেকে
দেউলিয়া
ঘোষণা
করে।
আইসল্যান্ডের
বিদেশী
তহবিলের
ওপর
এত
তীব্র
আকর্ষণ
ছিল
যে
মানুষ
একটি
গাড়ি
হলেও
ইউরো
বা
ইয়েনে
ক্রয়
করত।
অনেক
মুদ্রা
কুশীলব
মনে
করেন,
আরো
বড়
পরিসরে
অবমূল্যায়ন
করা
দরকার
টাকা
ডলারের
বিপরীতে,
কারণ
তাহলে
আমদানির
প্রবৃদ্ধি
৪৬
থেকে
৩০
শতাংশে
নামানো
যাবে
এবং
মানুষের
চাহিদাও
নিয়ন্ত্রিত
হবে।
আর
না
হলে
কার্ব
মার্কেটে
চলে
গিয়ে
রেমিট্যান্স
দাবানল
ছড়িয়ে
দেবে।
এদিকে
মুদ্রাস্ফীতি
৬
দশমিক
২২
শতাংশ
পৌঁছে
গেছে,
যা
১৭
মাসের
মধ্যে
সর্বোচ্চ।
একদিকে
আন্তর্জাতিক
বাজারে
পণ্যমূল্য,
জাহাজ
ভাড়া
আকাশচুম্বী;
অন্যদিকে
আমাদের
ভোগ্যপণ্য
আমদানিনির্ভর—শিল্প
খাতের
জন্য
বিপুল
পরিমাণ
কাঁচামাল,
মধ্যবর্তী
পণ্য
ও
পুঁজি
যন্ত্রপাতি
আনতে
হয়।
কিন্তু
দেশের
মানুষের
এ
মূল্যস্ফীতি
সহ্য
করে
যেতে
হবে
মনে
করেন
মুদ্রা
কৌঁসুলিরা,
যদি
শ্রীলংকার
মতো
বৈদেশিক
মুদ্রার
অভাবে
দেউলিয়া
হয়ে
না
যাওয়ার
ইচ্ছে
থাকে।
করহার
কমিয়ে,
খোলাবাজারে
পণ্য
বিক্রি,
নগদ
সহায়তা,
সামাজিক
নিরাপত্তা
ইত্যাদি
বাড়িয়ে
মানুষকে
মূল্যস্ফীতির
দাহ
থেকে
কিছুটা
বাঁচানোর
পরামর্শ
তাদের।
এদিকে
বিলাসদ্রব্যের
ওপর
৭৫
শতাংশও
অপরিহার্য
নয়,
এমন
দ্রব্যের
ওপর
৫০
শতাংশ
মার্জিন
আরোপ
করেছে
কেন্দ্রীয়
ব্যাংক।
নীতিনির্ধারণী
মহলে
ব্যয়
সংযমের
একটি
রব
শোনা
যাচ্ছে,
দ্রুতই
সারা
দেশে
ছড়িয়ে
পড়তে
পারে
এ
ঢেউ।
কিন্তু
সেক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট
ব্যবসা
বা
শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর
কী
হবে?
আসলে
এগুলো
সবই
বাজারবহির্ভূত
হস্তক্ষেপমূলক
পদক্ষেপ।
আমদানিকে
ব্যয়বহুল
করে
একে
কমানো
সম্ভব
নাও
হতে
পারে,
মানুষ
তো
পেঁয়াজ
খেয়েই
যায়,
যতই
নীতিনির্ধারকরা
এর
অনুপযোগিতার
কথা
প্রচার
করুক।
অন্যদিকে
শিল্প
উৎপাদন
না
বাড়লে
মার্জিন
বাড়িয়ে
বা
ডলারের
বিপরীতে
টাকার
মূল্য
বাড়িয়ে
আমদানি
নিয়ন্ত্রণ
করা
যাবে
কি?
তাছাড়া
মেগা
প্রকল্পগুলোয়
যে
বিপুল
শ্রমিক
কাজ
করেন,
তারাই-বা
কোথায়
যাবেন
রাতারাতি
বন্ধ
করে
দিলে?
টাকার
উপর্যুপরি
অবমূল্যায়নে
জরুরি
পণ্যের
সরবরাহ
সংকট
ও
সম্ভাবনা
উড়িয়ে
দেয়া
যায়
কি?
বাংলাদেশের
অর্থনীতির
৩০
শতাংশ
বিশ্বের
সঙ্গে
বাধা
আমদানি
ও
রফতানির
মাধ্যমে।
১৯৭০-এর
পর
‘স্ট্যাগফ্লেশন’-এর
এ
যুগে
যখন
উচ্চ
মূল্যস্ফীতি
ও
নিম্ন
প্রবৃদ্ধি
বিরাজিত
শিল্পোন্নত
দেশগুলোয়,
তখন
বিনিময়
হারের
অবমূল্যায়ন
করেই
অর্থনীতির
ফুসফুস
অক্ষত
রাখা
দুরাশা
হতে
পারে।
মার্চের
একটি
হিসাব
অনুযায়ী,
সরকারের
‘ফিসকাল স্পেস’
রয়েছে
সর্বোচ্চ
৯৪
হাজার
৯০০
টাকা
এবং
সর্বনিম্ন
২৮
হাজার
৫০০
টাকা,
যদি
ধীর
বাজেট
বাস্তবায়নকে
বিবেচনায়
নেয়া
হয়।
যদি
রফতানিকারকদের
সুবিধা
দিতেই
হয়,
এ
জায়গা
থেকে
দেয়া
যায়।
আর্থিক
স্পেসকে
কাজে
লাগিয়ে
প্রয়োজনীয়
খাদ্য
আমদানিতেও
প্রণোদনা
দেয়া
যেতে
পারে।
অনেকের
মতে,
২০২১
সালে
যে
ছয়
লাখ
প্রবাসী
শ্রমিক
ফিরে
গেছেন
কর্মস্থলে,
তাদের
প্রত্যাবাসিত
অর্থে
রেমিট্যান্স
গতি
পেতে
যাচ্ছে
সামনে।
তাদের
জন্য
প্রণোদনা
৩
শতাংশ
পর্যন্ত
করা
যেতে
পারে।
এদিকে
সুদহার
বাড়ালে
বিদেশী
বিনিয়োগকারীরা
বিনিময়
হারকে
কাঙ্ক্ষিত
স্বস্তি
জোগাতে
পারেন।
রফতানিনির্ভর
পোশাক
শিল্প,
যা
আমাদের
রফতানির
৮১
শতাংশ,
তার
বেশির
ভাগ
কাঁচামালই
আমদানি
করতে
হয়,
নিট
পোশাকে
এ
নির্ভরতা
কমে
এলেও
ওভেন
খাতে
প্রায়
৮০
শতাংশ
কাঁচামাল
আমদানি
করতে
হয়,
তাই
বিনিময়
হারের
বল্গাহীন
অবমূল্যায়ন
হলে
রফতানিরও
শিরঃপীড়া
ঘটতে
পারে।
তাছাড়া
বিদেশী
আমদানিকারক
বাংলাদেশের
অবমূল্যায়িত
মূল্যের
পরিপ্রেক্ষিতে
তাদের
মূল্য
সমন্বয়
করতে
পারে।
আসলে
রফতানি
বাড়ানোর
প্রাকৃতিক
তরিকা
হলো
নতুন
পণ্য
ও
নতুন
বাজার
অনুসন্ধান।
যেখানে
২০১৯-এ
এলডিসির
রফতানি
জিডিপির
অনুপাত
২৩
দশমিক
৩৮
শতাংশ,
বাংলাদেশে
তা
১৫
দশমিক
৩২
শতাংশ।
রফতানি
পণ্যের
কেন্দ্রীকরণ
অনুপাত
২০২০-এ
বাংলাদেশে
ছিল
শূন্য
দশমিক
৪,
যেখানে
এলডিসিতে
শূন্য
দশমিক
১৮।
গত
এপ্রিলে
৪
দশমিক
৭৩
বিলিয়ন
ডলার
বৈদেশিক
মুদ্রা
উপহার
দিয়েছে
রফতানি
খাত
৫১
শতাংশের
প্রবৃদ্ধির
ওপর
ভর
করে।
ভারত,
পাকিস্তান,
শ্রীলংকা,
ভিয়েতনাম,
মিয়ানমার,
ইথিওপিয়া
থেকে
অর্ডার
আমাদের
দেশে
আসছে,
যেহেতু
কভিডে
আমরা
ভালো
করেছি,
কিন্তু
রফতানিকারকরা
সতর্ক,
যেহেতু
অর্ডার
নেয়ার
পর
সুতা,
কাপড়
ও
কেমিক্যালে
বেশি
মূল্যের
কারণে
ক্ষতি
গুনতে
হয়েছে।
‘ভবিষ্যৎ চুক্তি’
করে
পণ্যমূল্যের
একটা
নির্ধারিত
মূল্য
আগে
থেকেই
নিশ্চিত
করে
নিলে
এ
অনিশ্চয়তা
এড়ানো
সম্ভব।
বিনিময়
হার
যদিও
মুদ্রানীতির
উপাদান,
কিন্তু
একে
মেরামত
করতে
এখন
মুদ্রা
ও
রাজস্ব
উভয়
নীতির
যন্ত্রপাতি
প্রয়োগ
করা
অপরিহার্য
হয়ে
পড়েছে।
বিনিময়
হারের
খুব
বেশি
অবমূল্যায়ন
শ্রীলংকার
মতো
জ্বালানি
দুষ্প্রাপ্যতা
ঘটিয়ে
নৈরাজ্য
সৃষ্টি
করতে
পারে,
যা
যেকোনো
নিরাময়
প্রচেষ্টাকে
কঠিন
করে
তুলতে
পারে।
আবার
তুরস্কের
মতো
দিগ্বিদিকশূন্য
হয়ে
অবমূল্যায়ন
ঠেকানোর
প্রচেষ্টা
ব্যর্থতায়
পর্যবসিত
হতে
পারে,
ডলার
বিক্রি
থেকে
প্রাপ্ত
৩২
হাজার
৫০০
টাকা
দীর্ঘদিন
পড়ে
রয়েছে
বাংলাদেশ
ব্যাংকের
ভল্টে।
বিনিময়
হারের
অবমূল্যায়ন
করলেই
আমদানি
কমবে,
আর
বৈদেশিক
মুদ্রার
মজুদ
বেড়ে
যাবে—এমন
কোনো
স্বতঃসিদ্ধ
সূত্র
নেই
অর্থবিজ্ঞানে।
আর
মুদ্রার
সঞ্চালন
বা
বিয়োজন
বা
শুষে
নেয়ার
কাজ
সবসময়ই
সাময়িক
ডোজ
হতে
পারে
সংকটাপন্ন
অর্থনীতিকে
প্রাণের
স্পন্দন
দিতে,
কিন্তু
দীর্ঘমেয়াদে
সেগুলো
সবসময়ই
অকার্যকর
বলে
প্রমাণিত
হয়েছে।
যদি
একটি
দেশের
মুদ্রাকে
ব্যাপক
পতনের
হাত
থেকে
রক্ষা
করতে
হয়
তাহলে
রফতানি
বা
প্রবাসী
আয়
বা
বিদেশী
বিনিয়োগের
মতো
দীর্ঘমেয়াদি
রসদ
জোগাতে
হবে
অর্থনীতির
শিরা-উপশিরায়,
শুল্ক
বা
অশুল্ক
সব
বাণিজ্য
বাধার
বিরুদ্ধে
গড়ে
তুলতে
হবে
উপযুক্ত
প্রতিষেধক,
প্রয়োজনীয়
আয়
তুলে
আনতে
ব্যর্থ
অর্থনীতির
সূত্রে
অদক্ষ
বলে
প্রমাণিত
প্রকল্প
ব্যয়ের
হিড়িক,
ঘুষ
বাণিজ্য,
অনিয়ন্ত্রিত
ভোগ
ইত্যাদির
বিরুদ্ধে
গড়ে
তুলতে
হবে
শক্ত
প্রতিরোধ।
মোহাম্মদ কাজী মামুন: ব্যাংকার










