‘ দেশে বেকার কমে এখন ২৬ লাখ ৩০ হাজার’—শ্রমশক্তি জরিপ ২০২২-এর এ পরিসংখ্যান পাঠ করে আমার একটা বহু পুরনো গল্পের কথা মনে পড়ল। গল্পটি গুরুজনের মুখে শোনা এবং তা ভারতের। তখন ভারতে তীব্র খাদ্য সংকট চলছে। কোনো একটি রাজ্যের বিরোধী দলের লোকেরা অভিযোগ করল, না খেয়ে লোক মারা যাচ্ছে। সরকারি দল খেপে আগুন। তারা বলল, প্রশ্নই ওঠে না। কোনো লোক না খেয়ে মারা যায়নি। এই বাদানুবাদের ইতি টানলেন এক সাংবাদিক। তার কলামে তিনি লিখলেন, সরকারি দলের কথাই ঠিক। কারণ কোনো হিন্দুই না খেয়ে মারা যেতে পারে না। কারণ মৃত্যুর আগে তাকে ‘গঙ্গা জল’ খাওয়ানো হয়। অতএব বলা যাবে না, না খেয়ে লোক মারা যাচ্ছে। গল্পটির কথা কেন মনে পড়ল? গঙ্গা জল দিয়ে যে বাদানুবাদ বন্ধ করা যায়, তেমনি বেকারত্বের বাদানুবাদও একটি সংজ্ঞা (ডেফিনিশন) দিয়ে শেষ করা যায়। যেমন ঋণখেলাপি সমস্যা। এটা একটি সংজ্ঞার বিষয়। সংজ্ঞার পরিবর্তন করে খেলাপি ঋণ বাড়ানো-কমানো যায়। তিন মাস কিস্তির টাকা না দিলে ‘ খেলাপি’। না এখন থেকে ছয় মাস কিস্তির টাকা না দিলে ‘ খেলাপি’। ফলাফল হবে রাত-দিন। সংজ্ঞা বদলের ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বহুল পরিমাণে যাবে কমে। একই কথা ‘সাক্ষরতার (লিটারেসি)’ ক্ষেত্রেও। সংজ্ঞার ওপর নির্ভর করে দেশে কত লোক স্বাক্ষর দিতে পারে, আর কত লোক দিতে পারে না। বোকা বানানোর জন্য সংজ্ঞা একটা মোক্ষম জিনিস/অস্ত্র অনেক সময়। এই যেমন বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণ নিয়ে মতপার্থক্য আইএমএফের সঙ্গে। আইএমএফ বলছে আমাদের রিজার্ভ প্রকৃতপক্ষে ৬-৭ বিলিয়ন ডলার কম। আমরা বলছি, না, আমরাই সত্য। এখানেও ‘সংজ্ঞার’ সমস্যা। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ থেকে ডলার নিয়ে একটি ‘ফান্ড’ গঠন করা হয় রফতানিকারকদের ঋণ দেয়ার জন্য। আমরা ওই ডলার রিজার্ভে হিসাবে করি। আইএমএফ বলছে, না, তা হবে না। সংজ্ঞা বদলাও। এমন সমস্যা এখন দেখা দিয়েছে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২২ নিয়ে। দৃশত আমরা সবাই খুশি যখন বলা হচ্ছে যে দেশে বেকারের সংখ্যা ২০১৭ সালের তুলনায় ২০২২ সালে কমেছে। কমেছে ২৬ লাখ ৩০ হাজার। খুবই বড় খবর, বিশেষ করে এই সময়টা বড়ই দুর্যোগপূর্ণ। করোনাভাইরাস গেছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়ে চলছে। সারা বিশ্ব তছনছ, আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত। মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশ। জনজীবন বিপর্যস্ত। চারদিকে অশান্তি আর অশান্তির খবর। মানুষ ভোগ কমাচ্ছে, ক্রয়ক্ষমতা কম। ডলার নেই, ব্যাংকে তারল্যের অভাব। আমদানি কমছে। রেমিট্যান্স ও রফতানিতেও আগের মতো সুখবর বেশি নেই। এরই মধ্যে বেকারত্ব কমার খবর আনন্দের, বড়ই আনন্দের না হয়ে পারে না। কিন্তু কথার পৃষ্ঠেও কথা থাকে। তবে কি হিসাবে কোনো গণ্ডগোল। প্রশ্ন বিরোধীদের।
জরিপের যতটুকু খবর ও পরিসংখ্যান কাগজে প্রকাশিত হয়েছে তা পাঠ করে আমি বলব বেকারত্ব কমেনি, বরং বলা দরকার দেশে ‘ বেকার’ নেই। কর্মহীন কোনো মানুষ নেই। এ কথা আমি কীভাবে বলি? এর ভিত্তি কী? ভিত্তি হচ্ছে জরিপে ব্যবহৃত বেকারত্বের ‘সংজ্ঞা’ (ডেফিনিশন)। সংজ্ঞাটি আমাদের সরকারের মনগড়া সংজ্ঞা নয়। এটি বিখ্যাত আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএলওর (ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন)। এর পরে আর কথা থাকে না। এখানে বিশ্বের তাবৎ অর্থনীতির পণ্ডিতরা কাজ করেন। সেখানে আমাদের পণ্ডিতরাও আছেন। তাদের ‘ বেকারের’ সংজ্ঞা কী? বেকারত্ব সম্পর্কে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘আইএলওর সংজ্ঞা অনুযায়ী সপ্তাহে এক ঘণ্টা কাজ করার সুযোগ না পেলে বেকার ধরা হয়। এমনকি নিজের পরিবারের জন্য পণ্য উৎপাদন করলেও তা কাজ হিসেবে ধরা হবে। এর মানে উৎপাদনমুখী কাজে মজুরি না পেলেও তা বেকার হিসেবে ধরা হবে না। নিজের পরিবারের জন্য মুরগি পালন করলে তারা বেকার নন।’ এই যে আইএলওর সংজ্ঞা তার থেকে কী মনে হয়? দেশে কোনো বেকার কি আছে? আমাদের দেশে ঘণ্টা হিসেবে কোনো কাজ হয় কি? তালামিস্ত্রি, প্লাম্বার ইত্যাদি জাতীয় কাজও চুক্তি ভিত্তিতে হয়। গ্রামাঞ্চলে বীজ পোতা, নিড়ানি, ফসল তোলা, ফসল বাড়িতে নেয়া, ধান মাড়াই, ধান শুকানো, ধান থেকে চাল করা ইত্যাদি সব কাজই এখন হয় চুক্তিতে। কাঠমিস্ত্রিরাও চুক্তিতে কাজ করেন। দৈনিক ভিত্তিতে বাংলাদেশে কোথায় কোথায় কাজ হয় তা যদি ‘বিবিএস’ (বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকস) আমাদের জানায় তাহলে আমরা উপকৃত হই। আমার জানামতে তা কোথাও নেই। দিন ভিত্তিতে থাকতে পারে। রিকশাওয়ালারাও মালিকের কাছ থেকে রিকশা আনে বেলা হিসেবে—সকাল থেকে দুপুর, দুপুর থেকে রাত। অথচ বিবিএস আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের কথা বলে আমাদের বলে দিচ্ছে দেশে বেকারের সংখ্যা কমেছে। বলুন তো কর্মক্ষম কে সপ্তাহে এক ঘণ্টা কাজ করে না।
যে বেকার ছেলেটি এমএ পাস করে বাড়িতে বসে আছে সেও কাঁচাবাজারে যায়, বাজার সওদা করে, যা অন্যরা করলে মজুরি দিতে হতো। দেশে মুরগি, খাসি, গরু পালনে বেকাররা, এমনকি শিশুরাও বাবা-কাকা-দাদাকে সাহায্য করে। দর্জির ছেলেও বাবার পাশে বসে সেলাইয়ের কাজে সহায়তা করে। কামার-কুমার-তাঁতি এখনো যারা আছে তাদের সন্তানাদি কাজ করে অভিভাবকদের সঙ্গে। এখন ঘণ্টার হিসাবে, তাও সপ্তাহে একদিন, এক ঘণ্টা কাজের ভিত্তি যদি হিসাব করা হয় তাহলে দেশে বেকার কোথায়? এ প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে নেই। এখানে সমস্যা অন্ধ অনুকরণ। ব্যাংক, বীমা, ব্যবসা সর্বত্র চলছে অন্ধ অনুকরণ। উদারীকরণ, বিশ্বায়ন, বাজার অর্থনীতির নামে চলছে অন্ধ অনুকরণ। দেশের অবস্থা কী, আমাদের সামাজিক-রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা কী তা বিবেচনায় নেয়ার কোনো উপায় দেখা যাচ্ছে না। বেকারত্বের বর্তমান অনুসৃত সংজ্ঞটিও তাই। এতে ফল যা পাওয়া যাওয়ার কথা তাই পাওয়া যাচ্ছে এবং আমরা ‘ বেকুবরা’ এসব দেখেশুনে নানা কথা লিখে যাচ্ছি। প্রকৃত তথ্য সামনে আসছে না। তা বিশেষ করে ‘বিবিএসের’ তথ্যের ক্ষেত্রে সত্য। এর তথ্য ও পরিসংখ্যান নিয়ে মন্ত্রীদের মধ্যেই বাহাস আছে। কেউ কেউ একে একটি ‘বামন’ প্রতিষ্ঠান বলে আখ্যায়িত করছেন। কৃষিমন্ত্রী এবং পরিকল্পনামন্ত্রী তো খাদ্যের পরিসংখ্যান নিয়ে একবার সুন্দর বাহাসই করলেন। লোকসংখ্যা ঠিক থাকলে আর খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ ঠিক থাকলে আমাদের খাদ্যশস্য উদ্বৃত্ত থাকার কথা—এ কথাই বলা হয়।
এত সবের পরেও যদি বিবিএসের বর্তমান শ্রমশক্তি জরিপ-২০২২-এর ওপর আলোচনা করতে হয় তাহলে একটি তথ্যের অবতারণা করতেই হয়। জরিপে দেখা যাচ্ছে ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে শিল্প খাতে শ্রমশক্তি নিয়োগ কমেছে। বেড়েছে কৃষি ও সেবা খাতে। শিল্প খাতে ২০১৭ সালে নিয়োজিত ছিল ১ কোটি ২৪ লাখ লোক। সেই স্থলে ২০২২ সালে তা কমে হয় মাত্র ১ কোটি ২১ লাখ। অন্যদিকে কৃষিতে শ্রমিক নিয়োগ বেড়েছে ৭৫ লাখ। ২০১৬ সালে ছিল ২ কোটি ৪৭ লাখ। সেই স্থলে ২০২২ সালে তা ৩ কোটি ২২ লাখে উন্নীত হয় এবং সেবা খাতে শ্রমশক্তি ২ কোটি ৩৭ লাখ থেকে বেড়ে ২ কোটি ৬৭ লাখ হয়। জরিপে আরো দেখা যায় শিল্পের মধ্যে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে সেই শ্রমশক্তি উল্লেখিত সময়ে ২০ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ১৭.০২ শতাংশে নেমে আসে। বলা বাহুল্য, আরো অনেক পরিসংখ্যান এ জরিপে আছে যার ওপর ভালো আলোচনা হতে পারে। আজকের মতো শিল্পের শ্রমশক্তি নিয়েই আলোচনা করা যেতে পারে। বিস্ময়ের বিষয় শিল্পে শ্রমশক্তির শতাংশ কমছে। অথচ এতদিন শিল্পায়নের গুণগান করার সময় বলা হয়েছে দেশে শিল্পায়ন দরকার। কৃষিতে লোকের জায়গা হচ্ছে না। দেশ যতই শিল্পায়িত হবে ততই উপকার। বেকার লোকের চাকরি হবে। উৎপাদন বাড়বে, রফতানি বাড়বে, বেচাকেনা বাড়বে, ব্যবসা বাড়বে। বিগত কিছুদিনের তথ্যে দেখা যাচ্ছে শিল্প খাত দেশের একটি বর্ধিষ্ণু খাত। ক্রমেই এখানে প্রবৃদ্ধির হার বাড়ছে। এই তো কয়েকদিন আগের তথ্য। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) বলছে, দেশে এখন ৫১০টি স্পিনিং মিল আছে। ২০১২ সালে ছিল মাত্র ৩৯২টি। স্পিন্ডল ক্ষমতা বেড়েছে ৫০০ শতাংশ। তাদের মতে আগামী বছরে শুধু সুতা উৎপাদনেই খাতটিতে ৪০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বিনিয়োগ হবে। ১০০ টাকা দরে এই বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০ হাজার কোটি টাকা। একবার বলা হয়েছিল বস্ত্র খাতে ৬০-৭০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আছে। এমন হাজার হাজার কোটি টাকা, বিলিয়ন বিলিয়ন (এক বিলিয়ন সমান শতকোটি) টাকা, ট্রিলিয়ন ট্রিয়িলন (এক ট্রিলিয়ন সমান এক লাখ কোটি) টাকার বিনিয়োগের কথা শুনি। শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সরকারি ‘আদরের’ কোনো কমতি নেই। কর ছাড়, কর মওকুফ, কম সুদে ঋণ, রফতানি ভর্তুকি, বিনাসুদে ঋণ, ভ্যাট মওকুফ, আয়কর হ্রাস, প্রণোদনা প্যাকেজে টাকা, এমনকি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে সাহায্য পর্যন্ত সরকার করে যাচ্ছে। স্বল্প সুদে তাদের ঋণ দিতে গিয়ে বাজার অর্থনীতির সব নিয়ম পর্যন্ত ভাঙা হচ্ছে। সর্বত্রই এক কথা: বিনিয়োগ, বিনিয়োগ, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং কার্যত তাই হয়েছে। কিন্তু এর ফল কী? কর্মসংস্থানের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে তো বলতে হয় ফলাফল শূন্য, যা নেতিবাচক। ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন টাকা বিনিয়োগ করার পর শ্রমশক্তির সংখ্যা এখানে কমে কী করে? তবে কি এখানে স্বয়ংক্রিয় মেশিন বসছে, শ্রম বিকল্পের ব্যবস্থা হচ্ছে? এসব বড়ই দুশ্চিন্তার বিষয়। মানুষ কষ্ট করে, মূল্যস্ফীতি সহ্য করে এই শিল্প খাতকে সাহায্য সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে আর সেখানে কোনো চাকরির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে না। তবে কি গুণগত মানসম্পন্ন শ্রমিক, কর্মকর্তা পাওয়া যাচ্ছে না? বিদেশ থেকে কর্মকর্তা আসছে যার ফলে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। জানি না এর উত্তর কী?
আমার মনে হয় সরকারের উচিত শিল্পায়ন নীতিকে পর্যালোচনা করা। বিনিয়োগ করা হবে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হবে না, এটা কোনো কথা নয়। কোনোমতেই তা গ্রহণযোগ্য অবস্থা নয়। বিষয়টি আরো ভাবার। কারণ দেখা যাবে শিল্পের বিপরীতে কৃষি খাতে শ্রমশক্তি বেড়েছে। জিডিপিতে কৃষির অবদান কমছে দিন দিন। বর্তমানে বোধ হয় ১৬ শতাংশের মতো। অথচ শ্রমশক্তির ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ নিয়োজিত কৃষিতে। কিন্তু মজার ঘটনা হচ্ছে কৃষিতে কিন্তু বিনিয়োগ বাড়ছে না। বরং বহু দেশের তুলনায় জনপ্রতি সর্বনিম্ন (১৬.৪৫ ডলার)। বেসরকারি খাত তৈরি পোশাক শিল্প করতে রাজি। তবু কৃষিতে যেতে রাজি নয়। অথচ কৃষিতে প্রচুর বিনিয়োগের সম্ভাবনা। শুধু কৃষি নয় অতিক্ষুদ্র শিল্প, ক্ষুদ্র শিল্প, ছোট ছোট উদ্যোগ ব্যবসার সংখ্যা দেশে লাখ লাখ। এতে কাজ করে অনেক গুণ বেশি লোক। কম টাকা বিনিয়োগে এখানে শ্রমশক্তি বেশি বেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনেক বেশি। কামার, কুমার, তাঁতি ইত্যাদি শ্রেণীর লোকদের প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্য করলে লাখ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হতে পারে। গ্রামাঞ্চলে ছোট ছোট হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলের খামার হতে পারে। সাহায্যের অভাবে এসব এখন মারা যাচ্ছে। নতুন ফলমূল হতে পারে। ফুলের চাষ বাড়ানো যায়। ছোট ছোট জুতার কারখানা করা যায়। এসব অতি অল্প বিনিয়োগে করা যায়। লাভ? অধিকতরসংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান। এখন কোনটার দরকার বেশি? বড় বড় শিল্প করে অতিরিক্ত ক্যাপাসিটি তৈরি করা এবং লোকের চাকরি না হওয়া এটা দরকার, না অল্প বিনিয়োগে বেশি লোকের কর্মসংস্থান—কোনটা জরুরি। মনে রাখা দরকার, ছোট-মাঝারি শিল্প এবং উন্নত কৃষি আমাদের ক্রয়ক্ষমতা দেবে। বড় বড় শিল্প এরই মধ্যেই বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পুরো শিল্পায়ন নীতিটিরই সংস্কার দরকার নয় কি?
ড. আর এম দেবনাথ: অর্থনীতি বিশ্লেষক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক










