বাংলাদেশ স্বাধীনতা
অর্জনের
৫০
বছর
পূর্ণ
করেছে।
যুদ্ধবিধ্বস্ত
দেশ
গঠনে
অনেক
চ্যালেঞ্জ
ছিল।
অনেক
চড়াই-উতরাই
পেরিয়ে
এগিয়েছি
আমরা।
মানুষের
খাদ্যের
চাহিদা
পূরণ
করতে
সক্ষম
হয়েছি।
সন্তোষজনক
পর্যায়ে
পৌঁছেছে
দেশ।
নব্বইয়ের
দশক
থেকে
শুরু
করে
পরবর্তী
তিন
দশক
ধারাবাহিকভাবে
৬
শতাংশের
অধিক
হারে
প্রবৃদ্ধি
অর্জনের
পাশাপাশি
অন্যান্য
অর্থনৈতিক
সূচকগুলোয়ও
অগ্রগতি
অর্জনে
সক্ষম
হয়েছে
বাংলাদেশ।
কভিড-১৯
মহামারী
আসার
ফলে
গোটা
বিশ্বই
নতুন
চ্যালেঞ্জের
মুখোমুখি;
বাংলাদেশ
তো
বটেই।
সব
দেশের
মতোই
আমাদেরও
আন্তর্জাতিক
বাণিজ্যের
প্রভাব
পড়েছে।
আমদানি-রফতানি,
প্রবাসী
আয়ে
চ্যালেঞ্জের
পাশাপাশি
অভ্যন্তরীণ
চ্যালেঞ্জও
বাড়ছে।
শিল্প,
বাণিজ্য,
কৃষির
অভ্যন্তরীণ
সমস্যা
সমাধান
করে
আমাদের
অগ্রসর
হতে
হবে।
তবে
কভিড
পরিস্থিতিতে
আমাদের
সমপর্যায়ের
দেশগুলোর
তুলনায়
উদীয়মান
সমস্যাগুলোর
অনেকটাই
সামাল
দিতে
পেরেছি
আমরা।
দক্ষিণ
এশিয়ার
দেশগুলোর
মধ্যে
আমরাই
এক
ধরনের
স্থিতিশীল
অবস্থায়
আছি
বলা
যেতে
পারে।
আমাদের
অর্থনীতির
চাকা
একেবারে
থেমে
যায়নি।
তবে কভিডের
দ্বিতীয়
ঢেউ
চিন্তার
উদ্রেগ
ঘটাচ্ছে।
এ
পরিপ্রেক্ষিতে
আমাদের
সামনে
বড়
কয়েকটি
চালেঞ্জ
রয়েছে।
আমরা
দেখছি
বিদ্যমান
পরিস্থিতির
সবচেয়ে
বড়
প্রভাব
পড়ছে
দরিদ্র
ও
প্রান্তিক
জনগোষ্ঠীর
ওপর।
তাদের
মধ্যে
আবার
নারী,
শিশু,
তরুণ
ও
সুবিধাবঞ্চিতদের
ওপর
প্রভাবের
মাত্রাটা
বেশি।
এ
শ্রেণীর
মানুষের
জীবনমান
বজায়
রাখা
অত্যন্ত
কষ্টকর
হয়ে
উঠেছে।
তাদের
অনেকেই
কর্ম
হারিয়ে
বেকার
হয়েছে।
এর
সঙ্গে
যোগ
হয়েছে
আয়
ও
সম্পদবৈষম্য,
যেটা
আগেই
আমাদের
সমস্যা
ছিল।
আমাদের
জিনি
সহগ
এখন
শূন্য
দশমিক
পাঁচের
কাছাকাছি।
এটি
বড়
ধরনের
সম্পদবৈষম্যের
ইঙ্গিত
দেয়।
দেশের
ছোট
একটা
গোষ্ঠীর
কাছে
মোট
সম্পদের
বড়
একটা
অংশ
চলে
গেছে।
পাশাপাশি
কর্মসংস্থান
কমছে,
মানুষের
আয়
বাড়ছে
না।
এখন আমাদের
প্রয়োজন
সমন্বিত
ও
অংশগ্রহণমূলক
উন্নয়ন।
আমরা
অন্তর্ভুক্তিমূলক
উন্নয়নের
কথা
বলছি
অনেক
দিন
থেকে।
আমাদের
অষ্টম
পঞ্চবার্ষিক
পরিকল্পনায়ও
বৈষম্য
দূর,
প্রবৃদ্ধি
ও
কর্মসংস্থানের
প্রতি
বিশেষ
জোর
দেয়া
হয়েছে।
আমাদের
প্রত্যাশা,
উন্নয়নের
সুফল
সবাই
ভোগ
করবে।
আর
তা
করতে
হলে
আমাদের
সমন্বিত
ও
অংশগ্রহণমূলক
উন্নয়ন
প্রয়োজন।
আমরা
প্রবৃদ্ধি
অর্জনের
কথা
বলছি,
অর্থনৈতিক
অগ্রগতির
কথা
বলছি,
এর
বেশির
ভাগই
সাধারণ
মানুষের
অংশগ্রহণের
কারণে
অর্জিত
হয়েছে।
দেশের
কৃষক,
শ্রমিক,
সাধারণ
জনতা
ও
ছোট-বড়
ব্যবসায়ীদের
উদ্যোগের
কারণে
হয়েছে।
সরকার
এখানে
সহায়ক
ভূমিকা
পালন
করেছে।
তাদের
উন্নয়নের
মূল
চালিকাশক্তি
হিসেবে
না
দেখা
হলে
বেশিদূর
এগোতে
পারব
না
আমরা।
সাধারণ
মানুষের
অংশগ্রহণ
নিশ্চিতের
মাধ্যমে
যেকোনো
সরকারি
সিদ্ধান্ত
ও
নীতি
বাস্তবায়ন
সহজ
হয়ে
যায়।
আমরা
দেখছি,
কভিডের
সময়েও
মানুষ
মাস্ক
পরছে
না, জীবিকার
তাগিদে
বাইরে
বের
হচ্ছে।
এখানে
মানুষের
চেয়ে
সরকারের
আচরণ
বেশি
গুরুত্বপূর্ণ।
সরকার
যে
সাধারণ
মানুষের
জন্য
কাজ
করছে,
সেটা
অন্যান্য
কাজে
তেমন
প্রতিফলিত
হচ্ছে
না।
উন্নয়নের
সুবিধা
যখন
সাধারণ
মানুষ
ভোগ
করতে
না
পারে,
তখন
তারা
মনে
করে
সরকার
যা
করছে
তা
আমাদের
জন্য
না।
এমন
প্রবণতা
সুখকর
নয়।
কভিড
এসে
আমাদের
স্বাস্থ্য
খাতের
ভঙ্গুর
অবস্থা
উন্মোচন
করেছে।
আমরা
যদি
স্বাস্থ্য
খাতকে
বিকেন্দ্রীকরণ
করতাম,
তাহলে
আজ
পরিস্থিতি
অন্য
রকম
হতে
পারত।
কিন্তু
স্বাস্থ্য
খাতে
আমরা
জনবান্ধব
বেসরকারি
উদ্যোগগুলো
দেখছি
না।
স্থানীয়
পর্যায়ের
বেসরকারি
ও
সামাজিক
প্রতিষ্ঠানগুলোর
ভূমিকা
তেমন
একটি
দেখতে
পারছি
না।
একথা
সত্য,
স্থানীয়
প্রশাসনের
লোকজন
আছে।
এক্ষেত্রে
তাদের
খুব
একটা
ভূমিকা
পালন
করতে
দেখছি
না।
স্বাস্থ্য
খাতে
সবচেয়ে
বড়
অর্জন
প্রিভেন্টিভ
হেলথ
কেয়ার।
এতে
বড়
অবদান
এনজিওগুলোর।
সরকারের
উদ্যোগের
চেয়ে
এখানে
বেসরকারি
উদ্যোগের
সাফল্যই
বেশি।
স্বাস্থ্য
খাতের
অন্যান্য
দিক
যেমন
স্যানিটেশন।
স্যানিটারি
ব্যবস্থা
উন্নয়নে
এনজিওগুলো
বড়
অবদান
রেখেছে।
ভারতের
৫০
শতাংশ
মানুষ
এখনো
স্বাস্থ্যসম্মত
স্যানিটেশন
ব্যবস্থার
আওতায়
আসেনি।
এক্ষেত্রে
বাংলাদেশের
সাফল্য
বিশ্বে
প্রশংসিত
হয়েছে।
ঐতিহাসিকভাবে
আমাদের
বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানের
ভূমিকা
দেখতে
হবে।
ক্ষুদ্রঋণ,
স্বাস্থ্য,
শিক্ষা,
স্যানিটেশন
ব্যবস্থা
উন্নয়নে
বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানের
অবদান
অনেক
বেশি।
তাদের
সঙ্গে
নিয়ে
কাজ
করার
মাধ্যমে
আমরা
কেন
এখনো
স্বাস্থ্য
ব্যবস্থার
উন্নয়ন
করতে
সক্ষম
হলাম
না,
তা
আমাদের
সবচেয়ে
বড়
দুর্বলতা।
ভ্যাকসিনেশন
কার্যক্রমে
তাদের
সম্পৃক্ত
করা
গেলে
তা
আরো
ফলপ্রসূ
হতো।
সরকারি
নেতৃত্বে
সবাইকে
সঙ্গে
নিয়ে
সমন্বিত
পদক্ষেপ
গ্রহণের
মাধ্যমে
অগ্রসর
হলে
আমরা
আমাদের
স্বাস্থ্য
খাতের
সমস্যাগুলোকে
অতিসহজে
দূর
করতে
সক্ষম
হব।
স্থানীয়
পর্যায়ে
দরিদ্র
মানুষের
জন্য
ক্যান্সার
থেকে
শুরু
করে
অন্যান্য
জটিল
রোগের
চিকিৎসা
করাতে
না
পারলে
আমরা
বেশিদূর
অগ্রসর
হতে
পারব
না।
স্বাস্থ্য
ব্যবস্থা
বেসরকারি
খাতে
চলে
গেছে,
যা
অত্যন্ত
ব্যয়বহুল।
অনেকে
প্রশ্ন
করতে
পারেন,
বিত্তবানরা
স্বাস্থ্য
খাতে
বিনিয়োগ
করেন
না
কেন?
এখানে
মানবতার
সেবা
এবং
ব্যবসার
স্বাভাবিক
মুনাফা
করা
যায়।
এক্ষেত্রে
প্রতিবন্ধকতা
আমাদের
কর
ব্যবস্থা।
এ
ধরনের
উদ্যোগকে
ট্যাক্স
হলিডের
আওতায়
আনার
কথা
বিবেচনা
করতে
হবে।
যুক্তরাজ্যে
দাতব্য
বহু
সংস্থার
কর
ছাড়
আছে।
বাংলাদেশে
এ
ব্যবস্থা
নেই।
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ক্ষেত্রেও
কর
ব্যবস্থা
জনবান্ধব
হতে
হবে।
শিক্ষার
ক্ষেত্রেও
একই
কথা
প্রযোজ্য।
প্রাথমিক
শিক্ষাকে
আমরা
ছড়িয়ে
দিতে
সক্ষম
হয়েছি।
কিন্তু
বিভিন্ন
ক্ষেত্রে
শিক্ষার
গুণগত
মান
আমরা
বজায়
রাখতে
পারিনি।
বিশেষ
করে
কলেজ
ও
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর
ব্যবস্থাপনা
আমলা
ও
রাজনৈতিক
ব্যক্তি
দ্বারা
নিয়ন্ত্রিত।
সবচেয়ে
ভালো
হয়
যদি
এর
ব্যবস্থাপনার
দায়িত্ব
স্থানীয়
পর্যায়ের
মানুষের
হাতে
থাকে।
বাংলাদেশের
স্বাধীনতার
আগে
এবং
অব্যবহতি
পরেও
আমরা
দেখেছি
স্থানীয়
পর্যায়ের
গণ্যমান্য
ও
শিক্ষিত
ব্যক্তিরা
স্কুল-কলেজের
ব্যবস্থাপনার
কাজে
অংশ
নিতেন।
এখন
তার
তেমনটি
দেখা
যায়
না।
এখানে
জনগণের
অংশগ্রহণ
কমে
গেছে,
এটা
দুঃখজনক।
স্থানীয়
উন্নয়নে
কোথায়
রাস্তা
সংস্কার
করতে
হবে
বা
ব্রিজ
তৈরি
করতে
হবে
তা
বাজেট
তৈরির
সময়
যেমন
করা
হয়
না,
তেমনি
অন্য
সময়ও
করা
হয়
না।
জেলা
বাজেট
অনেকটাই
হাস্যকর
বিষয়ে
পরিণত
হয়েছে।
ওই
জেলায়
কী
দরকার
তা
যাচাই
না
করেই
বাজেটে
বরাদ্দ
দেয়া
হয়।
তাছাড়া
এক
জেলার
সঙ্গে
অন্য
জেলার
বাজেটের
মিল
হবে
না।
আয়ের
উৎসও
মিলবে
না।
বাজেট
ব্যয়ের
ক্ষেত্রেও
পার্থক্য থাকবে।
কোনো
জেলায়
হয়তো রাস্তাঘাট
আছে কিন্তু
সেখানে
স্কুলের
দরকার।
কোনো
জেলায়
হাসাপাতাল
প্রয়োজন।
কোনো
জেলায়
বিশুদ্ধ
পানির
অভাব
বিদ্যমান
কিংবা
কোনো
জেলায়
স্যানিটেশন
বা
সেচ
ব্যবস্থা
নিয়ে
কাজ
করতে
হবে।
বাজেট
প্রণয়নের
সময়
এসব
বিষয়
বিবেচনায়
রাখতে
হবে।
সবচেয়ে
বড়
কথা
হলো
সামাজিক
সৌহার্দ
এবং
সামাজিক
উদ্যোগ।
যেটাকে
আমরা
সোস্যাল
ক্যাপিটাল
ও
সামাজিক
পুঁজি
বলে
আখ্যায়িত
করি।
এ
পুঁজি
অর্থ
বরাদ্দের
সঙ্গে
যোগ
করলে
যেকোনো
ইতিবাচক
উদ্যোগ
সুস্থভাবে
বাস্তবায়ন
সহজ
হয়ে
যায়।
সেজন্য
সাধারণ
মানুষকে
উৎসাহিত
করতে
হয়।
যেমন
কাজের
বিনিময়ে
খাদ্য
বা
খাল
কাটা
কর্মসূচিতে
স্থানীয়
জনগণ
স্বতঃস্ফূর্ত
অংশগ্রহণ
করে।
এ
ধরনের
কর্মসূচি
ধারাবাহিকভাবে
পরিচালিত
করার
দায়িত্ব
সরকারের
ওপর
ন্যস্ত।
জনগণকে
সঙ্গে
নিয়ে
কাজ
করলে
সামাজিক
শান্তি
ও
সৌহার্দ
প্রতিষ্ঠিত
হবে।
জনগণকে
সঙ্গে
নিয়ে
কাজ
না
করলে
স্থানীয়
সরকারের
প্রতিনিধিদের
সঙ্গে
দূরত্ব
তৈরি
হয়।
তাদের
অনুশাসন
বা
পরামর্শ
তারা
শুনবে
না।
সরকার
হয়তো
জোর
করে
আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীকে
দিয়ে
জনগণকে
কাজ
করতে
বাধ্য
করতে
পারে
কিন্তু
সেখানে
সামাজিক
সৌহার্দ,
শান্তি
ও শক্তি
প্রতিষ্ঠিত
হবে
না।
রাস্তাঘাট
নির্মাণ,
ব্রিজ
তৈরির
মতো
প্রকল্প
বাস্তবায়নে
কত
ব্যয়
হচ্ছে
কিংবা
কারা
কাজ
করছে
এ
সম্পর্কে
স্থানীয়
জনগণ
ওয়াকিবহল
থাকলে
তারা
তা
রক্ষণাবেক্ষণে
উৎসাহী
হয়।
আগে
কোথাও
নতুন
কোনো
প্রকল্পের
কাজ
শুরু
হলে
সেখানে
সাইনবোর্ড
টানিয়ে
প্রকল্পটি
সম্পর্কে
বিস্তারিত
লেখা
থাকত।
কত
টাকার
প্রকল্প,
কে
করছে,
দৈর্ঘ্য-প্রস্থ
কতটুকু
এবং
প্রকল্পটি
কতদিনে
শেষ
হবে।
এর
উদ্দেশ্য
ছিল
সাধারণ
জনগণকে
জানানো।
তখন
প্রকল্প
ঘিরে
কোনো
সমস্যা
হলে
স্থানীয়
জনগণ
জেলা
প্রশাসক
বা
অন্য
প্রতিনিধিদের
কাছে
গিয়ে
অভিযোগ
করত।
এখন
এটি
কমে
গেছে।
ক্ষমতার
বিকেন্দ্রীকরণ
করতে
হবে।
ঢাকায়
বসে
বা
কয়টা
জেলা
শহরে
বসে
নির্দেশনা
দেয়া
নয়,
ক্ষমতাকেও
স্থানীয়
সরকারের
কাছে
নিয়ে
যেতে
হবে।
আর
উন্নয়নকেও
বিকেন্দ্রীকরণ
করতে
হবে।
স্থানীয়
পর্যায়ে
পরিকল্পনা
করতে
হবে।
অনেক
আগে
জেলা
পর্যায়ে
পরিকল্পনা
করা
হতো।
এগুলো
প্রচেষ্টা
হিসেবে
ভালো
ছিল,
হয়তো
প্রক্রিয়াগত
কিছু
সমস্যা
ছিল
কিন্তু
সেগুলো
একেবারে
বন্ধ
করে
দেয়া
ঠিক
হয়নি।
সুইডেন,
সুইজারল্যান্ডসহ
বিশ্বের
বিভিন্ন
দেশে
বিকেন্দ্রীকরণ
ব্যবস্থা
অত্যন্ত
শক্তিশালী
এবং
তা
অর্থ
ও
ক্ষমতা
উভয়
দিক
থেকেই।
স্থানীয়
পর্যায়ে
তাদের
স্বাস্থ্য ইউনিটগুলো
অত্যন্ত
শক্তিশালী।
আমাদের
দেশে
এগুলো
নিয়ে
অনেক
আলোচনা
হয়েছে
কিন্তু
তেমন
কোনো
অগ্রগতি
চোখে
পড়ে
না।
করোনা
পরিস্থিতিতে
সরকার
যে
প্রণোদনা
প্যাকেজ
দিয়েছিল,
সেখানে
ক্ষুদ্র,
কুটির
ও
মাঝারি
শিল্পগুলো
সে
অর্থের
বরাদ্দ
উল্লেখযোগ্যভাবে
পায়নি।
তাদের
কাছে
প্রণোদনার
অর্থ
পৌঁছেনি
বললেই
চলে।
ব্যাংকগুলোর
কাছে
ক্ষুদ্র
উদ্যোগ
ও
ব্যবসায়ীদের
হালনাগাদ
তালিকা
অনেক
সময়
থাকে
না।
তারা
জানে
না
কে
কোথায়
আছে।
এখানে
এনজিওগুলোকে
সম্পৃক্ত
করা
যায়।
তারা
জানে
কে
কোথায়
আছে।
তাদের
কাছে
তালিকা
আছে।
তারা
স্থানীয়
ও
গ্রাম
পর্যায়ে
বিভিন্ন
প্রশিক্ষণও
দিয়েছে।
যে
এনজিওগুলো
ক্ষুদ্রঋণ
প্রদান
করে,
তাদের
সম্পৃক্ত
করা
যেতে
পারত।
এখানে
পিকেএসএফ
ছিল,
এসএমই
ছিল।
ছোট
ছোট
শহরভিত্তিক
সদস্যভিত্তিক
বাণিজ্য
সংগঠন
আছে।
তাদেরও
সাহায্য
নেয়া
যায়।
কিন্তু
এটা
না
করে
ব্যাংকাররা
গতানুগতিক
ধারায়
অফিসে
বসে
কাজ
করতে
অধিকতর
উৎসাহী।
ক্ষুদ্র
ব্যবসায়ীরা
তাদের
অফিসে
আসবেন,
তারা
তখন
তাদের
হাতে
প্রণোদনার
অর্থ
তুলে
দেবেন। এ
মনোভাব
ও
প্রক্রিয়া
কোনোভাবে
ক্ষুদ্র
ব্যবসায়ীদের
জন্য
সুবিধাজনক
নয়।
স্বাস্থ্য
ক্ষেত্রে
যেমন
বিদ্যমান
করোনা
পরিস্থিতিতে
মানুষের
মধ্যে
জনসচেতনতা
তৈরি
করার
জন্য
এনজিওদের
সম্পৃক্ত
করা
যেত।
ব্র্যাক
বিশ্বমানের
সংস্থা।
তাদের
এ
ধরনের
কাজের
প্রচুর
অভিজ্ঞতা
রয়েছে।
স্থানীয়
পর্যায়ে
বহু
সংস্থা
রয়েছে,
তাদের
কেন
সম্পৃক্ত
করা
হচ্ছে
না?
তাদের
মাধ্যমে
জনগণকে
সচেতন
করার
কাজ
করা
যেত।
দরিদ্রদের
প্রণোদনার
অর্থ
বরাদ্দের
ক্ষেত্রে
স্বেচ্ছাসেবক
সংগঠনগুলোকেও
কাজে
লাগানো
যেতে
পারে।
গেল
বছর
কিছু
লোককে
আড়াই
হাজার
টাকা
করে
দেয়া
হয়।
সে
অর্থের
কিছুটা
স্থানীয়
জনগণকে
দেয়া
হয়েছে
কিন্তু
তাও
রাজনৈতিক
বিবেচনায়।
তালিকাটা
করেছেন
ইউনিয়ন
পরিষদের
মেম্বার,
চেয়ারম্যানরা।
এখানে
স্থানীয়
পর্যায়ের
স্বেচ্ছাসেবক
প্রতিষ্ঠানগুলোকে
কাজে
লাগানো
যেতে
পারে।
আমাদের
সমাজকল্যাণ
মন্ত্রণালয়ের
অধীনে
অনেক
ভালো
ভালো
স্বেচ্ছাসেবক
প্রতিষ্ঠান
রয়েছে।
তাদের
মাধ্যমে
দরিদ্রদের
তালিকা
করা
হলে
সত্যিকারের
প্রান্তিক
ও
দারিদ্র
মানুষ
অর্থটা
পেত।
এখনো
সময়
আছে
তালিকাটা
যাচাই-বাছাই
করার।
দুঃখজনক
যে
অনেকেই
ভাতা
পাচ্ছেন
না।
এটা
আমাদের
ব্যবস্থাপনা
ও
প্রশাসনের
দুর্বলতা।
শহরের
দরিদ্রদের
তালিকাও
হালনাগাদ
করা
হয়নি।
শুধু
ওয়ার্ড
কমিশনার
নয়,
স্বেচ্ছাসেবক
সংগঠনগুলোকে
দিয়ে
এ
কাজগুলো
করানো
যায়।
এখানে
ভারসাম্য
রক্ষার
ব্যাপার
আছে।
উন্নয়নের
মূলমন্ত্র
হলো,
জনগণের
দ্বারা
উন্নয়ন
এবং
জনগণের
জন্য
উন্নয়ন।
জনগণের
অংশগ্রহণ
ছাড়া
সত্যিকারের
উন্নয়ন
সম্ভব
নয়।
আমাদের
উন্নয়নকে
শুধু
অর্থনৈতিক
দৃষ্টিকোণ
থেকে
দেখলে
চলবে
না, সুশাসন,
দুর্নীতি,
অর্থের
অপচয়ের
বিষয়গুলোও
মূল্যায়ন
করতে
হবে।
সরকারের
অর্থের
প্রচুর
অপচয়
হচ্ছে।
সরকারি
খাতের
পাশাপাশি
ও
ব্যক্তিখাতের
লোকজনও
নানাভাবে
সরকারের
অর্থ
অপচয়
করছে।
এগুলো
বন্ধ
করতে
হবে।
আমাদের
দুর্নীতি
দমন
কমিশন
আছে।
তারা
কিছু
বিষয়
দেখভাল
করছে,
তবে
সুফল
পেতে
হলে
প্রকল্প
তৈরি
ও
বাস্তবায়নে
জনসম্পৃক্ততা
বাড়াতে
হবে।
জনগণ
জানবে
কত
টাকা
খরচ
করে
কোথায়
কোন
প্রকল্প
তৈরি
হচ্ছে।
জনগণের
কথাগুলো
বিবেচনায়
নেয়া
হলেই
কেবল
সুশাসন
প্রতিষ্ঠা
করা
সম্ভব।
এতে
দুর্নীতির
পরিমাণও
কমবে।
সম্পদের
ও
অর্থের
অপচয়
কমবে।
পাশাপাশি
যেকোনো
প্রকল্প
ও
কাজের
গুণগত
মান
বজায়
থাকবে
এবং
সময়মতো
প্রকল্প
শেষ
হবে।
আমাদের
সামনে
টেকসই
উন্নয়ন
লক্ষ্যমাত্রা
রয়েছে।
যেখানে
দারিদ্র্য
দূরীকরণের
লক্ষ্য
নিয়ে
আমরা
অগ্রসর
হচ্ছি।
বিশেষ
করে
দরিদ্র
নারী—সিদ্ধান্ত
গ্রহণের
ক্ষেত্রে
কিংবা
উন্নয়ন
প্রকল্পের
ক্ষেত্রে
তাদের
অংশগ্রহণ
বৃদ্ধি
করতে
হবে।
তাদের
মজুরিবৈষম্যের
দিকে
নজর
দিতে
হবে।
এ
সমস্যাগুলোর
সমাধান
হলেই
সামাজিক
উন্নয়নের
বিষয়টি
নিশ্চিত
করতে
হবে।
উন্নয়নশীল
ও
উন্নত
দেশের
পথে
অগ্রসর
হওয়ার
প্রক্রিয়ায়
আমরা
যদি
সমতাভিত্তিক
উন্নতি
অর্জন
করতে
চাই
এবং
সমাজের
সবার
কাছে
উন্নয়নের
সুবিধা
পৌঁছে
দিতে
চাই,
তাহলে
উন্নয়নকে
সমন্বিত
ও
অন্তর্ভুক্তিমূলক
উন্নয়ন
করতে
হবে।
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: বাংলাদেশ ব্যাংকের
সাবেক
গভর্নর
বর্তমানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক










