এক দশকে সরকারি ও বেসরকারি খাতের ডিজিটালাইজেশনে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বর্তমান সময়ে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হবে যে কোনো ইকেলট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করেনি। ইলেকট্রনিক যন্ত্র আমাদের আধুনিক জীবনের অংশ হয়ে গছে। তবে এ ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ নষ্ট বা বিকল হয়ে যাওয়ার পর যথাযথভাবে রিসাইকেল না করা হলে তা হয়ে ওঠে ই-বর্জ্য যা কিনা আমাদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ২০১৮ সালে পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে চার লাখ টন বৈদ্যুতিক ও বৈদ্যুতিন (ইলেকট্রনিকস) ই-বর্জ্য জমা হয়। এর মধ্যে কেবল ৩ শতাংশ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ বা রিসাইক্লিং শিল্পে ব্যবহার করা হয়। বাকি ৯৭ শতাংশের ঠাঁই হয় ভাগাড়ে। সে প্রতিবেদন থেকে আরো জানা যায়, দেশে প্রতি বছর ২০ শতাংশ হারে ই-বর্জ্য বাড়ছে। ইলেকট্রনিক বর্জ্য বা ই-বর্জ্য বলতে এমন ইলেকট্রনিক পণ্যকে বোঝানো হয়, যার মধ্যে থাকা ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, নষ্ট বা বিকল হয়ে গেছে। বস্তুত ই-বর্জ্য হচ্ছে ভাঙা বা অপ্রচলিত বৈদ্যুতিন উপাদান এবং উপকরণ নিষ্পত্তি বোঝায়। আমাদের মধ্যে অনেক ব্যবহারকারীই হয়তো জানেন না যে এ ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশে নানা ধরনের বিষাক্ত পদার্থ থাকে। তাই প্রয়োজন শেষ হলে বা নষ্ট হয়ে গেলে এগুলোকে খুব সাবধানতার সঙ্গে সামলাতে হয়। ইলেকট্রনিক পণ্যের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে আমরা অনেক সময় এগুলো এমন কাউকে দিয়ে দিতে পারি, যে কাজে লাগাতে পারবে। আজকাল অনেক দোকানেই এমন এক্সচেঞ্জ অফার দেয়া হয়, যেখানে পুরনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী জমা দিয়ে নতুন সামগ্রী কম দামে পাওয়া যায়। অদল-বদল করার সুযোগও দিয়ে থাকে অনেক দোকান। মূলত দোকানিরা অনেক সময় পুরনো যন্ত্র নিয়ে সেটাকে মেরামত করে কাজে লাগাতে পারে। অথবা তারা পুরনো মেশিন থেকে যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে অন্য যন্ত্রে ব্যবহার করতে পারে। তবে একটা পণ্য যদি পুরোপুরি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায় অথবা ভেঙে যায়, সেটাকে ডাস্টবিনে অন্যসব ময়লার সঙ্গে না ফেলে ই-বর্জ্যের জন্য নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলা উচিত, যাতে এটা পরে রিসাইকেল বা পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা যায়। ই-বর্জ্য রিসাইকেল করার মতো পর্যাপ্ত প্রতিষ্ঠান না থাকলে আমাদের উচিত শিগগিরই এমন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। কারণ সঠিকভাবে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না করা হলে তা মানুষ বা প্রাণিজগৎসহ পরিবেশের জন্য বিশাল হুমকি হয়ে উঠতে পারে। 

অনেক সময় ই-বর্জ্য ল্যান্ডফিল বা ময়লার ভাগাড়ে অন্যসব ময়লার সঙ্গে ফেলা হয়। এমনকি পতিত জমিতেও ফেলে রাখতে দেখা যায় এ ধরনের বর্জ্য। কিন্তু এভাবে ই-বর্জ্য ফেলে রাখা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ই-বর্জ্য কয়েক প্রজন্ম পর্যন্ত প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থানের ক্ষতি করতে থাকে। সঠিকভাবে ই-বর্জ্য নিষ্কাশন করা না হলে এর থেকে নির্গত বিষাক্ত রাসায়নিক আমাদের বাতাস, পানি, মাটি এবং সর্বোপরি মানবস্বাস্থ্যের ভয়ংকর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সঠিক পদ্ধতিতে ই-বর্জ্য বিচ্ছিন্ন করা না হলে বা টুকরো টুকরো করা না হলে অথবা গলিয়ে ফেলা না হলে সেখান থেকে বায়ুদূষণের সূত্রপাত হয়। এ সময় ডাইঅক্সিনের মতো বিষাক্ত ধূলি বা টক্সিন পরিবেশে ছড়িয়ে গিয়ে বায়ুকে দূষিত করে। আর এ দূষিত বায়ু নিশ্বাসের সঙ্গে টেনে নিলে মানুষের শ্বসনতন্ত্রে মারাত্মক সব রোগ তৈরি হতে পারে। অনেক সময় কম দামি যন্ত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর তা পুড়িয়ে ফেলা হয়। আবার তামার মতো ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর মধ্যে থাকা মূল্যবান ধাতু আলাদা করার জন্যও সেগুলো পোড়াতে হয়। কিন্তু এভাবে পোড়ানোর ফলে নির্গত ধোঁয়া নিশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কারণ এ ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকে সূক্ষ্ম কণা, যা বাতাসের সঙ্গে মিশে হাজার হাজার মাইল পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে এবং মানুষসহ অন্য যেকোনো প্রাণীর ক্ষতি করতে পারে। আবার ই-বর্জ্যের মধ্যে থাকা স্বর্ণ বা রুপার মতো দামি ধাতু আলাদা করার সময় ডিসোল্ডারিং পদ্ধতি কাজে লাগানো হয় কিংবা ব্যবহার করা হয় অ্যাসিডসহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ। এসব কাজের সময় সতর্ক না থাকলেও বিষাক্ত ধোঁয়া নির্গত হতে পারে। ই-বর্জ্যের কারণে বায়ুদূষণের ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি থাকে যারা এ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ করে। তবে বাতাসের সঙ্গে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে অনেক দূরে থাকা মানুষও এ থেকে নিরাপদ থাকে না। দেখা যায় ই-বর্জ্যের কারণে বায়ুদূষণ হলে তাতে অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় কিছু প্রজাতির প্রাণীর ক্ষতি হয় বেশি। এতে করে সেসব প্রজাতি বিলুপ্তির আশঙ্কায় পড়ে এবং কোনো ভৌগোলিক এলাকার জীববৈচিত্র্যে চিরস্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। 

দীর্ঘ সময় ধরে বায়ুদূষণের কারণে পানি বা মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয় আর গাছপালার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। পুরো বাস্তুসংস্থানের অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে এভাবে। এর প্রকৃত উদাহরণ পাওয়া যাবে চীনে। দেশটির গুইয়ু নামের অঞ্চলে অপরিকল্পিত উপায়ে গড়ে ওঠে বর্জ্য রিসাইকেল করার প্লান্ট। এ প্লান্ট যারা প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাদের উদ্দেশ্য ছিল ই-বর্জ্য রিসাইকেল করার প্লান্ট থেকে মূল্যবান ধাতু সংগ্রহ করার। কিন্তু অপরিকল্পিত উপায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে কিছুদিনের মধ্যে ওই এলাকার বাতাসে সিসার মাত্রা অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। ফলে এ সিসা মানুষের নিশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে এবং মলমূত্রের সঙ্গে বের হয়ে আবার মাটি ও পানিকে দূষিত করে তোলে। একসময় মানুষসহ ওই এলাকায় বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে সিসাজনিত বিষক্রিয়ার কারণে স্নায়ুঘটিত সমস্যা তৈরি হয়।

সঠিকভাবে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা না হলে একসময় এ বিষাক্ত বর্জ্য অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ময়লার ভাগাড়ে গিয়ে জমা হয়। তখন বর্জ্য থেকে আসা ভারী ধাতু মাটিতে মেশে এবং ধীরে ধীরে তা ভূগর্ভস্থ পানির সঙ্গে মিশে যায়। পার্শ্ববর্তী কোনো ক্ষেতের মাটির সঙ্গে মিশে এ বিষাক্ত পদার্থ ফসলের মধ্যেও চলে যেতে পারে। ভারী ধাতুর কারণে মাটি দূষিত হয়ে পড়লে ফসলেও এ দূষণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এতে ফসলের তো ক্ষতি হয়ই, ফসলি জমির উৎপাদনও আগের চেয়ে কমে যায়। 

ই-বর্জ্য পোড়ালে বা ভেঙে ফেলা হলে এর ছোট আর ভারী অনেক অংশই মাটিতে রয়ে যায়। ভারী এসব কণা বাতাসে মিশে যেতে পারে না। তবে এই ই-বর্জ্য মাটিকে কতটুকু দূষিত করবে তা নির্ভর করে মাটির তাপমাত্রা, ধরন, অম্লতার মাত্রা এবং মাটির উপাদানের ওপর। অনেক সময় দীর্ঘদিনের জন্য এ দূষিত পদার্থ মাটিতে মিশে গিয়ে উদ্ভিদ ও মাটির জন্য প্রয়োজনীয় অণুজীবদের ক্ষতি করে। একসময় বন্যপ্রাণীরা এমন বিষাক্ত উদ্ভিদ গ্রহণ করার ফলে নিজেরাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। 

মাটিকে দূষিত করার পর ই-বর্জ্যে থাকা পারদ, লিথিয়াম, দস্তা এবং বেরিয়ামের মতো বিভিন্ন ভারী ধাতু ভূগর্ভের আরো গভীরে প্রবেশ করে। এতে ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত হয়। ঠিক এমনটাই বণিক বার্তায় সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এসেছে দেশের আট জেলার ভূগর্ভস্থ পানিতে ভারী ধাতুর মাত্রা পাওয়া গেছে যা কিনা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। একবার ভূগর্ভস্থ পানিতে পৌঁছে গেলে এসব দূষিত পদার্থ পুকুর, ঝর্ণা, নদী এবং সাগরেও ছড়িয়ে যায়। এভাবে পানিতে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং পানি বিষাক্ত হয়ে পড়ে, যা মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদ সবার জন্যই অনিরাপদ। এভাবে সঠিক পদ্ধতিতে রিসাইকেল প্লান্টের কাজ পরিচালনা না করলে প্লান্টটি জনবসতি থেকে অনেক দূরে স্থাপন করলেও দূষণের ঝুঁকি রয়ে যায়। একই সঙ্গে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহও কমে আসে। স্বাদু বা নোনা পানির কোনো জলাশয়ে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে অণুজীবরা সেখানে বসবাস করতে পারে না। ফলে জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয় এবং স্বাভাবিক বাস্তুসংস্থানের ক্ষতি হয়। এভাবে সাপ্লাইয়ের পানিতেও অ্যাসিড দূষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে বাস্তুসংস্থানের ক্ষতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সেখান থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা খুবই দুরূহ।

মানবদেহের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব অত্যধিক—আগে যেমনটা বলা হয়েছে, ই-বর্জ্যের মধ্যে এমন বিষাক্ত উপাদান থাকে যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। ক্ষতিকর এসব উপাদানের মধ্যে থাকতে পারে পারদ, সিসা, ক্যাডমিয়াম, বেরিয়াম এবং লিথিয়ামের মতো ধাতু। এছাড়া যেকোনো ইলেকট্রনিক পণ্যে যাতে সহজে আগুন ধরে না যায়, সেজন্য অনেক যন্ত্রেই বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের মিশ্রণ যোগ করা হয়, যাকে বলে ‘পলিব্রোমিনেটেড ফ্লেইম রিটারডান্ট’। মানবশরীরে এ ধরনের বিষাক্ত উপাদান প্রবেশ করলে তা মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, যকৃৎ, কিডনি ও হাড়ে মারাত্মক ক্ষতির সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে হতে পারে জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী বিভিন্ন ধরনের রোগ। অনেক সময় আমাদের স্নায়ু এবং প্রজননতন্ত্রের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা যায়। এর ফলে সদ্যভূমিষ্ঠ হওয়া শিশুর মধ্যে জন্মগত ত্রুটি দেখা যায়। 

বাংলাদেশে প্রতি বছর চার লাখ টন ই-বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। ২০৩৫ সাল নাগাদ যার পরিমাণ দাঁড়াবে ৪৬ লাখ ২০ হাজার টন। আমাদের দেশে ই-বর্জ্য বাড়ছে, সঙ্গে দেশে ই-বর্জ্য দূষণ বাড়ছে। তা মোকাবেলায় আমাদের নেই পর্যাপ্ত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। ই-বর্জ্য দূষণ থেকে পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্য নিরাপদ করতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্লান্ট স্থাপন জরুরি। ঠিকমতো ই-বর্জ্য নিষ্কাশন করা না হলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের অকল্পনীয় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই এ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করা জরুরি, যাতে মানুষ নতুন এ সমস্যা উপলব্ধি করতে পারে এবং এর ক্ষতিকর প্রভাবের ব্যাপারে সচেতন হয়। 

ই-বর্জ্য বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে যথার্থ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি উন্নয়ন করা, আইনের দুর্বলতা দূর করা এবং ই-বর্জ্য যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পুনর্ব্যবহারের বা রিসাইকেলের ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। ই-বর্জ্যে থাকা বিষাক্ত পদার্থ থেকে নিজেদের বাঁচাতে চাইলে আমাদের সঠিক নিয়ম মেনে এর রিসাইকেল করতে হবে। ইলেকট্রিক এবং ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে বর্জ্য উৎপাদনও বাড়ছে। সুতরাং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই এবং এ-সংক্রান্ত বিধিমালাটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালাটির যুগোপযোগিতা বাড়ানো দরকার এবং সেটি প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি। 

এছাড়া ই-বর্জ্যে দামি ধাতু থাকায় একে ‘আরবান মাইন’ বলা হয়। পরিবেশসম্মত কার্যকর উপায়ে এসব ধাতু সংগ্রহ করা গেলে ই-বর্জ্য পরিণত হবে একটি মূল্যবান সম্পদে। চাইলে সরকারি ও বেসকারি উদ্যোগে সমন্বয় করে সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে রিসাইকেলিং প্লান্ট তৈরির মাধ্যমে ই-বর্জ্য থেকে অর্থনৈতিক লাভ অর্জন করা সম্ভব, যেমন চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া করতে সক্ষম হয়েছে। সর্বোপরি ই-বর্জ্য সমস্যা সমাধানে সঠিক এবং সময়োপযোগী ব্যবস্থাপনা ও পদক্ষেপ পারে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে রক্ষা করতে।

মো. আবিদ মঈন খান: সাংবাদিক