২০১৯ সালের শেষার্ধ্বে পরিচালিত ‘বাংলাদেশে শিক্ষিত তরুণের কর্মসংস্থান ও বেকারত্ব’ শীর্ষক বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সমীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য জানাচ্ছে, দেশে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী এ হার আরো বেশি। তাদের হিসাবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় উত্তীর্ণ স্নাতকদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৬৬ শতাংশ। অবশ্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের এ-সংক্রান্ত তথ্য একসঙ্গে করলেও সেটি বিআইডিএসের প্রতিবেদনে উল্লিখিত হারের চেয়ে বেশি হবে বলেই মনে হয়। কারণ কভিড-১৯-এর কারণে অন্য বিভিন্ন শ্রেণীর মতো শিক্ষিত বেকারদের মধ্যেও বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।

শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হারসংক্রান্ত পরিসংখ্যানের সঠিকতা নিরূপণ এ আলোচনার উদ্দেশ্য নয়। বক্ষ্যমান নিবন্ধের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে এটি বলতে চেষ্টা করা যে দেশে বর্তমানে যে বিপুলসংখ্যক কর্মপ্রার্থী শিক্ষিত তরুণ রয়েছেন, যাদের অধিকাংশের আকাঙ্ক্ষার মধ্যে রয়েছে যেকোনো উপায়েই হোক একটি চাকরি খুঁজে পাওয়া, তাদের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে পারলে তাদের মধ্যকার বেকারত্বের হার সহসাই অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। আর এ পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গিটি হতে পারে চাকরির পেছনে হন্যে হয়ে না ঘুরে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং এটি করতে পারলে তা শুধু শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হারই কমাবে না, অধিকতর মেধাবীদের যুক্ততার কারণে দেশের প্রায় সব খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি ও উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনেও সহায়ক হবে।

কিন্তু একজন শিক্ষিত তরুণকে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য মুখে বলা যতটা সহজ, এর বাস্তব প্রয়োগ ততটাই সমস্যাসংকুল। একেবারে প্রথম সমস্যা হচ্ছে মানসিকতার। বাংলাদেশ সমাজের অভ্যস্ত ধারায় অধিকাংশ মানুষের মধ্যে ব্যবসাকে যথেষ্ট সম্মানজনক পেশা হিসেবে গ্রহণের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রস্তুতি এখন পর্যন্ত একেবারেই গড়ে ওঠেনি। বেশির ভাগ মানুষ এখনো চাকরিকেই সবচেয়ে কাম্য পেশা বলে গণ্য করেন। ফলে একজন শিক্ষিত তরুণ মনে মনে উদ্যাক্তা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করলেও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির কাছে হেরে গিয়ে শেষ পর্যন্ত করণিক, খাজাঞ্চি বা বিক্রয়কর্মী হওয়ার পথকেই বেছে নেন।

অবশ্য শিক্ষিত তরুণের উদ্যোক্তা হওয়ার পথে বিদ্যমান উদ্যোক্তাদের আচরণও অনেকখানি দায়ী। বাংলাদেশের এ-যাবত্কালের উদ্যোক্তাদের একটি বড় অংশকে মানুষ যখন ঋণখেলাপি, কর ও শুল্ক ফাঁকি, অর্থ পাচার, ভূসম্পত্তি জবরদখল, মিথ্যা তথ্য ও ঘোষণা দিয়ে নগদ ভর্তুকি গ্রহণ, কৃত্রিম মজুদদারি ইত্যাদির মতো কাজে নিয়মিত যুক্ত হতে দেখেন, তখন সাধারণ মানুষ তথা সমাজ আর কিছুতেই উদ্যোক্তাবৃত্তিকে খুব স্বাভাবিকভাবেই সম্মানজনক পেশা হিসেবে দেখতে রাজি হয় না এবং সেজন্য তাদের দোষও দেয়া যায় না। আর এসব দেখে উদ্যোক্তা হতে আকাঙ্ক্ষী তরুণ যখন তার পেশাগত জীবনের স্বপ্ন বা লক্ষ্য পরিবর্তন করেন, তখন কোন সান্ত্বনায় তাকে তার মূল স্বপ্নে ধরে রাখা সম্ভব?

উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিধিবিধানগত শর্ত পূরণ এবং একই উদ্দেশ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দেশে যেসব হয়রানি, দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়মের চর্চা রয়েছে, সেগুলোও উদ্যোক্তাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে গ্রহণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে বৈকি! অনেক সম্ভাবনাময় আগ্রহী নতুন উদ্যোক্তাই এসব ‘ব্যয়বহুল’ ও হয়রানিপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার ধরন দেখে ভয় পেয়ে গিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার ব্যাপারে সব আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। উদ্যোক্তা উন্নয়নের তাত্ত্বিক আলোচনায় যতই বলা হোক না কেন যে ঝুঁকি গ্রহণের সামর্থ্যই একজন প্রকৃত উদ্যোক্তার মূল বৈশিষ্ট্য কিন্তু বাংলাদেশের উদ্যোক্তা উন্নয়ন সংস্কৃতিতে ঝুঁকির যে আদল, তা মোকাবেলার সাহস সঞ্চয় করা সত্যি এক কঠিন কাজ! 

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো বহুলাংশে কৃষিনির্ভর। জিডিপির খাতওয়ারি অবদানের হিসাব দিয়ে এ নির্ভরতার মাত্রা ও ব্যাপ্তির পুরোটা বোঝানো সম্ভব নয়, বিশেষত, এর মনোসাংস্কৃতিক দিকটি। দীর্ঘকালীন কৃষিঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে আমাদের মানুষেরা কৃষিকাজ ও এর ব্যবস্থাপনার বিষয়টি যত সহজে বোঝে, ব্যবসায় ও শিল্পোদ্যোগ তাদের কাছে ততটা সহজ নয় মোটেও। এটিও শিল্পোদ্যোগ কার্যক্রমে শিক্ষিত তরুণদের যুক্ত না হওয়ার আরেকটি কারণ।

সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিজাত আড়ষ্টতা, বিদ্যমান উদ্যোক্তাদের নানা অবাঞ্ছিত আচরণ, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রতা, ব্যবসায় ও শিল্পোদ্যোগ কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহ ও অভ্যস্ততা গড়ে না ওঠা প্রভৃতি কারণে উদ্যোক্তাবৃত্তিতে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষিত তরুণরা যে এখনো অনেকখানি পিছিয়ে আছে, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু পাশাপাশি তো এটাও সত্য, নিকট ভবিষ্যতের পৃথিবীতে শিক্ষিত তরুণের জন্য গবেষণা ও উদ্ভাবনার মতোই উদ্যোক্তাবৃত্তিও অন্যতম মর্যাদাবান পেশা হয়ে উঠতে পারে। তবে কাজটি অনায়াসে হওয়ার নয়। এজন্য প্রয়োজন একটি বহুপাক্ষিক সমন্বিত উদ্যোগ। ওই উদ্যোগের আওতায় একদিকে থাকবে রাষ্ট্রীয় নীতিমালার সমর্থন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ব্যবস্থায় অধিকতর দক্ষতা ও স্বচ্ছতা আনার অঙ্গীকার, আর অন্যদিকে থাকবে শিক্ষিত তরুণের নিজের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনা এবং সে পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষক ও অভিভাবকদের পরামর্শ ও সহায়তার ধরনের ক্ষেত্রে সমন্বয় সাধন।

প্রথমেই আসা যাক উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ে রাষ্ট্রীয় নীতিমালার সমর্থন ও দেশে বিরাজমান প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রসঙ্গে। উদ্যোক্তা উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারের শিল্প নীতি, আমদানি নীতি, রফতানি নীতি, কর ও শুল্ক কাঠামো, ঋণ নিয়মাচার ইত্যাদি নীতিগত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা রয়েছে। এগুলোর ধারণাগত বিবরণ ও অঙ্গীকার যথেষ্ট উদ্যোক্তাবান্ধব। কিন্তু তা সত্ত্বেও গ্লোবাল অনট্রাপ্রেনারশিপ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের (জিইডিআই) করা বৈশ্বিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন সূচকে ১৩৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো ১৩৪তম। কারণ মূলত এই যে ওইসব নীতি গ্রন্থে যা যা বলা আছে, বাস্তবে সেসবের প্রয়োগ হয় খুবই সামান্য এবং যেটুকু হয়, সেটাও আবার ব্যাপকভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত ও অদক্ষ। ছোট একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি খোলাসা করা যাক। বাংলাদেশে যেকোনো ব্যবসায় বা শিল্প শুরু করার জন্য প্রথমেই দরকার হয় স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স। এ ট্রেড লাইসেন্স পেতে যুক্তিসংগত পরিস্থিতিতে সাধারণভাবে কত দিন লাগার ও কত ব্যয় হওয়ার কথা, আর বাস্তবে কত দিন লাগে ও কত ব্যয় হয়, তার একটি হিসাব করলেই উদ্যোক্তা উন্নয়নের পুরো প্রক্রিয়ার হয়রানি ও ‘ব্যয়’ সম্পর্কে মোটামুটি একটি ধারণা পাওয়া সম্ভব। প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন, শিল্প স্থাপন বা ব্যবসায় শুরুর ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহের কাজটিই তুলনামূলকভাবে কম জটিল এবং এ-সংক্রান্ত পরবর্তী ধাপগুলো আরো অনেক বেশি কঠিন, হয়রানিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল। আর এ থেকে সহজেই অনুমান করা যায় যে পুরো প্রক্রিয়াটি একজন নবীন উদ্যোক্তার জন্য মোটেও উৎসাহজনক নয়। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার অন্যতম উপায় হচ্ছে সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থাগুলোকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রমের উপযোগী দক্ষতা দিয়ে ঢেলে সাজানো। আর এক্ষেত্রে বুঝেশুনে দায়িত্ব নিয়েই আরেকটি প্রস্তাব করতে চাই, যা শুনলে স্বার্থসংশ্লিষ্টদের অনেকেই হয়তো খানিকটা খিটমিট করে উঠবেন। বর্তমানে বিসিএসের আওতায় যে বহুসংখ্যক ক্যাডার রয়েছে, তার অনেকগুলোই এখন অপ্রয়োজনীয় (কোনগুলো অপ্রয়োজনীয় সে আলোচনা আলাদাভাবে করা যেতে পারে)। সেক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ক্যাডারগুলো বাদ দিয়ে ‘শিল্প ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ এবং এরূপ অন্য কিছু নতুন ক্যাডার প্রবর্তন করা যেতে পারে।

উদ্যোক্তাবৃত্তির কাজটি সামাজিকভাবে আরো আগ্রহোদ্দীপক ও সম্মানজনক হয়ে উঠতে না পারার পেছনে এ দেশের কিছু উদ্যোক্তার নানা হীন আচরণ বস্তুতই পদে পদে বাধা হয়ে আছে, যা আগেও উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের ঋণখেলাপি চরিত্র দেখে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন নিষ্ঠাবান উদ্যোক্তাদেরও বিশ্বাস করতে চায় না, তাদের কর ও শুল্ক ফাঁকির প্রবণতা দেখে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর কর্মচারীরা নতুনদের নিয়েও একই আঙ্গিকে ছক কষে, আর প্রায় কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই সমাজের অধিকাংশ মানুষ মনে করে অর্থ পাচার, ভূসম্পত্তির জবররদখল, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ ইত্যাদি কাজ উদ্যোক্তাদের সঙ্গেই ভালো যায়। অথচ সত্য হচ্ছে, এই যে উদ্যোক্তাদের একটি বড় অংশই সব নিয়মকানুন মেনে সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যবসা করছেন কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অসাধু উদ্যোক্তার হীনতার কারণে গোটা উদ্যোক্তাবৃত্তি পেশা সমালোচিত হচ্ছে এবং এর সম্ভাবনা হারাচ্ছে, বিশেষত নতুন প্রজন্মের সৎ ও শিক্ষিত উদ্যোক্তাদের এ খাতে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে। এ অবস্থায় বিদ্যমান অস্বচ্ছ উদ্যোক্তাদের পরামর্শ দিয়ে কাজ হবে বলে মনে হয় না। ফলে এ ধরনের অস্বচ্ছতার চর্চা বন্ধ করতে হলে বস্তুত এর মূল উৎসগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং সেজন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও অধিকতর নীতিমান ও দায়িত্বশীল নির্বাহী বিভাগ।

আর কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক পটভূমি থেকে উঠে আসার কারণে উদ্যোক্তাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে গ্রহণের ব্যাপারে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে যে নিরুৎসাহ রয়েছে, সেটিকে উৎসাহে রূপান্তরের ব্যাপারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যদি তার শিক্ষার্থীদের এ মর্মে উৎসাহিত করতে পারে যে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় উদ্যোক্তাবৃত্তির কাজটি এখন অধিকতর সম্মানজনক এবং এখানে বর্ধিত আয়ের শুধু সুযোগ নেই, অন্যের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির সুবিধাও রয়েছে তাহলে এতে যুক্ত হওয়ার ব্যাপার তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি না পাওয়ার কোনোই কারণ থাকবে না। তদুপরি তাকে এ কথাও বোঝাতে হবে যে এই বর্ধিত আয়ের মাধ্যমে তার পক্ষে দেশ ও জনগণের জন্যও কাজ করার বিরাট সুযোগ রয়েছে, যার আওতায় শিক্ষা ও গবেষণার মতো মৌলিক কাজগুলোও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

পরিশেষে বলব, নতুন প্রজন্মের শিক্ষিত তরুণদের জন্য উদ্যোক্তাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে নেয়ার পরামর্শটি শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টির দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, সমাজ ও অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা গুণগত পরিবর্তন আনার জন্যও জরুরি। শিক্ষিত তরুণ বর্ধিত সংখ্যায় শিল্প ও ব্যবসায় যুক্ত হলে তাদের উচ্চতর মেধা একদিকে যেমন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে, অন্যদিকে তেমনি উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন উদ্ভাবনময় ক্ষেত্রগুলোয় বিনিয়োগও বৃদ্ধি পাবে, যা সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সমাজ ও তার অর্থনীতিকে প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক মানদণ্ডে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

 

আবু তাহের খান: পরিচালক, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ; সাবেক পরিচালক, বিসিক, শিল্প মন্ত্রণালয়