ক্যান্সার বাসা
বাঁধে
শরীরে।
কিন্তু
এর
সঙ্গে
জড়িয়ে
আছে
লিঙ্গ,
সামাজিক
দৃষ্টিভঙ্গি,
আর্থিক
বিষয়গুলোও।
বিভিন্ন
গবেষণা,
প্রতিবেদন
জানাচ্ছে
চিকিৎসা
নেয়া
না-নেয়া
বা
বিলম্বে
চিকিৎসা
নেয়ার
ক্ষেত্রেও
এসব
বিষয়
মুখ্য
ভূমিকা
রাখে।
এমনকি
চিকিৎসা
সেবা
পাওয়ার
অধিকার
থেকেও
বঞ্চিত
করে।
শুধু
তাই
নয়,
সারভাইক্যাল
বা
ব্রেস্ট
ক্যান্সারের
বেশ
কায়েকটি
ধরন
সহজ
পদ্ধতিতে
আগে
শনাক্ত
করা
গেলে
সঠিক
সময়ে
কার্যকর
চিকিৎসা
দিয়ে
জীবন
রক্ষা
করা
যায়।
এক্ষেত্রে
নারীর
শরীর
নিয়ে
সমাজের
যে
দৃষ্টিভঙ্গি
তা
খুবই
প্রভাব
ফেলে।
এর
প্রভাব
এত
তীব্র
যে
এর
নির্মমতায়
বাকরুদ্ধ
হয়ে
যেতে
হয়।
একজন
ব্রেস্ট
ক্যান্সার
আক্রান্তের
কথা
জানি,
যিনি
সার্জারির
পর
চিকিৎসাশাস্ত্রের
ভাষায়
সুস্থ
হয়ে
উঠেছিলেন।
কিন্তু
সার্জারিটাই
মেনে
নিতে
পারেননি।
সারাক্ষণই
তিনি
নিজেকে
অপূর্ণ
ভাবতেন।
ব্রেস্ট
না
থাকাটা
মেনে
নিতে
পারতেন
না।
সে
কষ্ট
থেকে
তার
মানসিক
সমস্যা
সৃষ্টি
হয়।
এক
পর্যায়ে
তিনি
মারা
যান।
এ
ঘটনা
একেকজন
একেকভাবে
ব্যাখ্যা
করতে
পারেন।
কিন্তু
সত্যিটা
হচ্ছে
তার
সামাজিকীকরণ
এভাবেই
হয়।
বেশির
ভাগ
ক্যান্সারের
ক্ষেত্রে
শরীরের
দৃশ্যমান
বা
অভ্যন্তরের
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ
কেটে
বাদ
দিতেই
হয়।
সেসবের
প্রতিটি
মেনে
নেয়া
এবং
নতুন
এক
পরিস্থিতিকে
সঙ্গে
চলা
যে
কী
কঠিন,
তা
সে
অবস্থার
মধ্য
দিয়ে
না
গেলে
কিছুতেই
উপলব্ধি
করা
কারো
পক্ষই
সম্ভব
নয়।
গ্লোবক্যানের
রিপোর্ট
মতে,
২০২০
সালে
১৩
হাজার
২৪
জন
নতুন
ব্রেস্ট
ক্যান্সার
রোগী
শনাক্ত
হয়েছে।
এনআইসিআর
এইচ
আরেক
রিপোর্টে
বলেছে,
এসব
আক্রান্তের
গড়
বয়স
৪১
দশমিক
৮
বছর।
অর্থাৎ
তারা
রিপ্রডাক্টিভ
বয়সের
নারী।
আবার
এদের
বেশির
ভাগের
(৯০%) স্টেজ
৩-৪
চিহ্নিত
হয়েছে।
এর
বড়
কারণ
সমাজে
ব্রেস্ট
ক্যান্সার
নিয়ে
আলোচনা-আড়ষ্টতা
আবার
ব্রেস্ট
ক্যান্সারের
ক্ষেত্রে
ব্রেস্ট
সেলফ
এক্সামিনেশন
(বিএসই) প্রচার
করার
কথা
বলা
হয়।
সমাজের
দৃষ্টিভঙ্গি
বদলালে
নারীদের
পক্ষেও
কেবল
নারীরা
এ
বিএসই
বিষয়ে
সতর্ক
হয়ে
উঠবেন।
চর্চা
করবেন।
অস্বীকার
করার
উপায়
নেই
পারিবারিক
অনেক
সিদ্ধান্তের
মতো
চিকিৎসার
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ
নারীর
ওপর
নির্ভর
করে
না।
এমনকি
রোজগেরে
নারী
নিজের
বড়
কোনো
চিকিৎসার
সিদ্ধান্ত
নিজে
নিতে
পারেন
না।
পিতৃতান্ত্রিক
পরিবার
কাঠামোয়
তাই
ক্যান্সারের
মতো
জটিল
ও
দীর্ঘমেয়াদি
রোগ
চিহ্নিতকরণ
ও
চিকিৎসার
ক্ষেত্রে
পরিবারের
বিশেষ
করে
পুরুষদের
অংশগ্রহণ
ও
মতামত
একান্তই
জরুরি।
আবার
সামাজিক
লোকনিন্দা
বা
কলঙ্কিত
করার
যে
সংস্কৃতি
তা
এখনো
নারীর
যেকোনো
অসুখকে
নেতিবাচকভাবে
দেখে।
আর
ক্যান্সারের
মতো
অসুখকে
‘পাপের’ ফল
হিসেবে
দেখার
মনোভাবও
সমাজে
প্রকটভাবেই
বিদ্যমান।
ক্যান্সার
মানে
নির্ঘাৎ
মৃত্যু।
তাই
চিকিৎসা
করিয়ে
লাভ
কী—এমন
কথাও
ভুক্তভোগীদের
কাছে
শুনেছি।
নিজের
অভিজ্ঞতা
অন্যদের
বলি
বলে
অনেকেই
আমার
কাছে
এটা-সেটা
জানতে
যোগাযোগ
করেন।
কয়েক
মাস
আগে
আমার
এক
বন্ধুর
বড়
বোনের
এ
সমস্যা
দেখা
দেয়ায়
যোগাযোগ
করলেন।
সেই
বড়
বোনের
স্বামীও
কথা
বলতে
চাইলেন।
কথার
শুরুতেই
প্রথম
প্রশ্ন,
ক্যান্সার
হলে
বাঁচার
সম্ভাবনা
কতটুকু?
তার
মনোভাব
হচ্ছে
যদি
না-ই
বাঁচে
তাহলে
চিকিৎসা
করাব
কেন?
যদিও
আর্থিকভাবে
তিনি
দেশের
বাইরে
চিকিৎসা
করানোর
মতো
সামর্থ্য
রাখেন।
নিজে
আক্রান্ত
হওয়ার
পর
থেকে
হাজারো
রকম
অভিজ্ঞতার
মধ্য
দিয়ে
যাচ্ছি।
প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ
সেসব
অভিজ্ঞতা
থেকে
এটুকু
বলতে
পারি
যে
আমাদের
সমাজে
এখনো
ক্যান্সার
নিয়ে
বিভ্রান্তি,
সঠিক
প্রচারণার
অভাব
রয়েছে।
রয়েছে
আক্রান্ত
এবং
তার
পরিবারের
প্রতি
সমাজের
মানুষদের
সংবেদনশীল
আচরণের
অভাব।
আরেকটা
অভিজ্ঞতা
বলি।
আমার
বিশ্ববিদ্যালয়
জীবনের
হলের
সিনিয়র
আপার
সঙ্গে
হঠাৎ
দেখা।
বছর
সাতেক
আগে।
সন্তানদের
খবর
জানিয়ে
একটা
দীর্ঘশ্বাস
ফেলে
বলেছিলেন,
তার
মনে
মাঝে
মাঝে
একটা
ভাবনা
উঁকি
দেয়,
তা
হলো
বড়
হলে
মেয়ের
যে
বন্ধু
বা
জীবনসঙ্গী
হবে
সে
কোনোদিন
ওর
ছোটবেলায়
ক্যান্সারে
আক্রান্ত
হওয়ার
কথা
বলে
কষ্ট
দেবে
না
তো?
একজন
প্রতিষ্ঠিত
মায়েরও
সেই
দুশ্চিন্তা
কিন্তু
অমূলক
নয়।
এসব
কারণে
অনেকেই
নিজের
অসুখের
কথা
প্রকাশ
করতে
চান
না।
আমি
নিজে
যখন
ক্যান্সারের
চিকিৎসা
নিতে
পাঁচ
মাস
টানা
ভারতের
মুম্বাইয়ে
ছিলাম
তখন
এক
নববিবাহিত
দম্পতিকে
দেখেছিলাম,
যাদের
বিয়ের
ছয়
মাসের
মাথায়
নারীটির
ওভারিতে
ক্যান্সার
হয়।
সে
খবর
জেনে
শ্বশুরবাড়ির
নিকটজনেরা
বলেছিল,
বিয়ের
আগেই
রোগ
হয়েছিল।
অসুখ
লুকিয়ে
মা-বাবা
মেয়েকে
বিয়ে
দিয়েছেন।
এটি
যে
কী
কষ্টের
তা
বলে
বোঝানো
যাবে
না।
শুধু
কি
তাই,
ক্যান্সারে
আক্রান্ত
সন্তান
মারা
যাওয়ার
পর
দম্পতির
ডিভোর্স
হয়ে
গেছে
এমন
এক
লড়াকু
নারীর
সঙ্গে
সম্প্রতি
পরিচয়
হয়েছে।
সন্তান
না
থাকায়
একসঙ্গে
বসবাসের
আর
কোনো
অর্থ
তারা
খুঁজে
পান
না
অথবা
কখনো
কখনো
‘যত দোষ
নন্দ
ঘোষ’
মাকে
দোষারোপ
করে
বাবা
আলাদা
হয়ে
যান।
এ
রকম
হাজারো
উদাহরণ
দেয়া
যেতে
পারে।
এ
রোগের
চিকিৎসার
কয়েকটি
ধাপের
একটি
পুনর্বাসন।
মানে
যারা
সার্ভাইব
করে
তাদের
জন্য
পুনর্বাসন
জরুরি।
যেমন
আমার
কথাই
যদি
বলি।
দীর্ঘ
পাঁচ
মাস
ভারতের
মুম্বাইয়ে
টাটা
মেমোরিয়াল
হাসপাতাল
থেকে
ওভারিয়ান
ক্যান্সারের
চিকিৎসা
নিয়ে
দেশে
ফিরে
সবকিছুতেই
নতুন
করে
নিজেকে
খাপ
খাওয়াতে
হচ্ছে।
নতুন
শরীর,
আবেগের
নিয়ন্ত্রণ,
ভেজালমুক্ত
খাবার,
কর্মস্থলে
মানিয়ে
নেয়াসহ
হাজারো
বিষয়।
একটা
কথা
বারবার
শুনি,
কোয়ালিটি
লাইফ।
প্রকৃতির
সঙ্গে
নিবিড়
সংযোগ
রাখা।
আমার
বাসার
চৌহদ্দিতে
কোনো
পার্ক
নেই।
মাছ-মাংস,
শাকসবজি,
ডিম-দুধ
যা
খাচ্ছি
তা
কতটা
নিরাপদ
জানি
না।
ঢাকার
সিসাভরা
বাতাসের
কথা
নতুন
করে
আর
কী
বলব!
সুতরাং
ক্যান্সারের
চিকিৎসাকে
ক্রসকাটিং
ইস্যুর
ভিত্তিতে
দেখতে
হবে।
কেবল
চিকিৎসা
নয়,
এ
রোগ
ও
আক্রান্তের
প্রতি
সামাজিক
মনোভাব,
স্টিগমা,
মানসিক
স্বাস্থ্যসেবা,
আর্থিক
বিষয়,
পুনর্বাসন
এগুলো
নিয়ে
সমন্বিত
পরিকল্পনা
করতে
হবে।
এজন্যই
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থা
সমন্বিত
হোলিস্টিক
অ্যাপ্রোচের
কথা
বলে।
এ
রকম
একটি
বাস্তবতায়
২০২২-২৪-এর
বিশ্ব
ক্যান্সার
দিবসের
প্রতিপাদ্য
ঠিক
করা
হয়েছে
‘ক্লোজ কেয়ার
গ্যাপ’।
এর
মধ্য
দিয়ে
আসলে
ক্যান্সার
চিকিৎসার
নির্মম
বাস্তবতাকে
স্বীকার
করে
নেয়া
হয়েছে।
এ
গ্যাপ
বৈশ্বিক।
সম্পদের
বৈষম্য
রোগ
ও
চিকিৎসায়ও
প্রকট
হয়েছে।
ক্যান্সার
বিশ্বজুড়ে
মৃত্যুর
অন্যতম
কারণ।
২০২০-এ
১০
মিলিয়ন
মানুষ
ক্যান্সারে
মারা
গেছে।
আর
বাংলাদেশে
২০২০
সালে
১
লাখ
৬৫
হাজার
৭৭৫
জন
আক্রান্ত
হয়েছে।
এর
মধ্যে
৮৮
হাজার
৭৫
জন
পুরুষ,
আর
৬৮
হাজার
৭০০
জন
নারী
আক্রান্ত
হয়েছেন।
এর
মধ্যে
মারা
গেছেন
৬৩
হাজার
৫৪১
পুরুষ,
আর
৪৫
হাজার
৪৪৯
জন
নারী
(গ্লোবাল ক্যান্সার
স্ট্যাটিস্টিকস-২০২০)।
অথচ
দুর্ভাগ্যজনক
যে
বাংলাদেশে
৩৬টি
সরকারি
মেডিকেল
কলেজ
হাসপাতালের
মধ্যে
মাত্র
১৪টিতে
অনকোলজি
বিভাগ
রয়েছে।
সেগুলোয়ও
আবার
পর্যাপ্ত
যন্ত্রপাতি,
লোকবলের
অভাব
রয়েছে।
জাতীয়
একটি
দৈনিকের
এক
প্রতিবেদন
থেকে
জানা
যায়,
সারা
দেশে
২৫
জন
মেডিকেল
অনকোলজিস্ট
রয়েছেন।
এছাড়া
মাত্র
৩০
জন
সার্জিক্যাল
অনকোলজিস্ট
রয়েছেন।
প্রতিবেদনে
প্রফেসর
এম
আনওয়ার
হোসেনকে
উদ্ধৃত
করে
বলা
হয়,
‘ক্যান্সার সার্জারি
খুবই
জটিল।
সার্জিক্যাল
অনকোলজিস্টকে
অবশ্যই
রেডিয়েশন,
মেডিকেল
অনকোলজিস্টের
সঙ্গে
মিলে
টিউমারের
ধরন
ও
প্রকৃতি
আলাদা
করতে
হবে।
কিন্তু
দুর্ভাগ্যজনভাবে
আমরা
কো-অর্ডিনেশন
অ্যাপ্রোচ
প্রয়োগ
করতে
পারি
না।
ফলে
আমাদের
জেনারেল
সার্জনরাই
সার্জারি
করেন।’
আর
সার্জারির
সঠিকতার
ওপর
চিকিৎসার
সফলতা
অনেকাংশে
নির্ভর
করে।
বিষয়টি
মুম্বাইয়ে
চিকিৎসা
নিতে
গিয়ে
ডাক্তাররা
আমাকেও
বলেছেন।
আমার
সার্জারিটা
অসম্পূর্ণ
রয়ে
গেছে।
ফলে
চিকিৎসা
আরো
কার্যকর
হওয়ার
ক্ষেত্রে
এটি
একটি
প্রতিবন্ধকতা
হিসেবে
কাজ
করে।
চিকিৎসা
বৈষম্যের
কথা
উল্লেখ
করে
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থা
বলছে,
নিম্ন
ও
মধ্যম
আয়ের
দেশে
দেরিতে
ক্যান্সার
শনাাক্তকরণ
এবং
চিকিৎসার
অপ্রতুলতা,
শনাক্তকরণের
সুবিধার
অভাব
দায়ী।
ক্যান্সারের
ক্ষেত্রে
উন্নত
দেশগুলোয়
৯০
শতাংশ
ক্ষেত্রে
সমন্বিত
চিকিৎসা
প্রযোজন।
কিন্তু
এ
চিকিৎসা
নিম্ন
আয়ের
দেশে
১৫
শতাংশের
কম।
এক
প্রতিবেদন
বলছে,
বিশ্বে
২০১০
সালের
ক্যান্সারের
আর্থিক
খরচ
হিসাব
করা
হয়েছিল
১
দশমিক
১৬
মিলিয়ন
ডলার।
বাংলাদেশে
কোনো
সরকারি
প্রতিষ্ঠানে
সঠিকভাবে
কেমোথেরাপি
দেয়ার
জন্য
হাই
এফিশিয়েন্সি
পার্টিকুলার
এয়ার
ফিল্টার
সিস্টেম
নেই।
এ
রকম
পরিস্থিতিতে
মধ্যবিত্ত
অনেকেই
নানাভাবে
অর্থের
সংস্থান
করে
দেশের
বাইরে
বিশেষ
করে
ভারতে
চিকিৎসার
জন্য
যেতে
বাধ্য
হন।
বিদেশের
মাটিতে
পরিবার-পরিজন
ছাড়া
ক্যান্সারের
মতো
একটি
জটিল
ও
দীর্ঘমেয়াদি
চিকিৎসা
নিতে
গিয়ে
প্রায়
সবাই
প্রকট
মানসিক
স্বাস্থ্যঝুঁকিতে
পড়েন।
কেবল
আক্রান্তই
নন,
কেয়ার
গিভারের
জন্যও
এটি
একটি
বড়
চ্যালেঞ্জ।
কারণ
বিদেশের
মাটিতে
একা
একটানা
একজন
কেয়ার
গিভারের
পক্ষে
রোগীর
যত্ন
এবং
সবকিছু
করা
অত্যন্ত
কষ্টকর।
এছাড়া
করোনাকালে
বিদেশে
সময়মতো
ফলোআপে
যেতে
না
পারায়
অনেকের
রোগ
ছড়িয়ে
গেছে।
২০১৭
সালের
৩১
মে
সপ্তম
আন্তর্জাতিক
স্বাস্থ্যবিষয়ক
সম্মেলনে
‘ক্যান্সার প্রিভেনশন
অ্যান্ড
কন্ট্রোল
ইন
দ্য
কনটেস্ট
অব
এন
ইন্টিগ্রেটেড
অ্যাপ্রোচ’
গৃহীত
হয়েছে।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থা
ও
আইএআরসি
যৌথভাবে
জাতিসংঘের
কাছে
কিছু
প্রস্তাব
রেখেছে।
তারা
বলেছে
জাতিসংঘের
সব
দেশ
যেন
সেগুলো
মেনে
চলে।
যেমন
ক্যান্সার
প্রতিরোধে
বেস্ট
বাই
এবং
অন্যান্য
কস্ট
ইফেক্টিভ
প্রায়োরিটি
স্ট্র্যাটেজির
কথা
বলেছে।
এছাড়া
জাতীয়
ও
স্থানীয়
স্বাস্থ্য
ব্যবস্থাপনা
উন্নততর
করা,
গবেষণা
ও
সমন্বয়
এবং
ক্যান্সার
বার্ডেন
মনিটরিংয়ের
বিষয়ে
নজর
দিতে
পরামর্শ
দেয়া
হয়েছে।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য
সংস্থা
বলছে,
৩০-৫০
শতাংশ
ক্যান্সার
রিস্ক
ফ্যাক্টর
প্রতিরোধ
করার
মাধ্যমে
এবং
চিকিৎসাসংক্রান্ত
গাইডলাইনের
(এভিডেন্স বেজড
প্রিভেনশন
স্ট্র্যাটেজিস)
মাধ্যমে
প্রতিরোধ
করা
সম্ভব।
কিন্তু
এখন
পর্যন্ত
বাংলাদেশে
ক্যান্সার
কন্ট্রোল
স্ট্র্যাটেজি
অ্যান্ড
ন্যাশনাল
ক্যান্সার
প্রটোকল
নেই
(দ্য ডেইলি
স্টার
রিপোর্ট)।
নেই
পপুলেশন
বেজ
ক্যান্সার
রেজিস্ট্রি
(পিবিসিআর)।
ফলে
আমরা
জানি
না
বয়স,
লিঙ্গ,
পেশাভেদে
জনগোষ্ঠী
কোন
ক্যান্সারে
আক্রান্ত
হয়
বেশি।
আর
এটি
জানা
না
গেলে
পলিসি
নির্ধারণ
করা
সম্ভব
নয়।
এক
মাপের
জামা
সবার
জন্য
প্রযোজ্য
হয়
না,
তা
আমরা
ভালো
করে
জানি।
সেজন্য
প্রতিটি
চ্যালেঞ্জ
মোকাবেলা
করার
জন্য
সুনির্দিষ্ট
পদক্ষেপ
নিতে
হবে।
যেমন
নজর
দিতে
হবে
জেনপার
গ্যাপ,
স্টিগমা
বদলানোর
প্রতিও।
যেমনটা
আগেই
বলছিলাম,
২০২২
থেকে
২০২৪
পর্যন্ত
নির্ধারণ
করা
হয়েছে
ক্লোজ
দ্য
কেয়ার
গ্যাপ।
তিন
বছরজুড়ে
ধাপে
ধাপে
এ
থিমকে
নিয়ে
কাজ
করা
হবে।
এর
আওতায়
২০২২
সালে
বিশ্বজুড়ে
বিদ্যমান
সম্পদ
ও
স্বাস্থ্য
ব্যবস্থার
বৈষম্যকে
স্বীকৃতি
দেয়ার
মধ্য
দিয়ে
এ
সমস্যা
উপলব্ধিতে
নেয়ার
ওপর
গুরুত্ব
দেয়া
হয়েছে।
কারণ
ক্যান্সার
চিকিৎসার
ক্ষেত্রে
অসমতাকে
স্বীকার
না
করলে
অসমতা
দূর
করার
উদ্যোগ
নেয়া
সম্ভব
হবে
না।
অসমতার
কারণে
ক্যান্সার
আক্রান্ত
সবাই
একই
মানের
প্রাতিষ্ঠানিক
সেবা
থেকে
বঞ্চিত
হচ্ছে।
এছাড়া
যেকোনো
পদক্ষেপ
নেয়ার
ক্ষেত্রে
আক্রান্তদের
কথা
শোনার
ওপর
গুরুত্বারোপ
করা
হয়েছে।
আক্রান্তদের
চোখ
দিয়ে
সমস্যা
উপলব্ধি
করতে
না
পারলে
সেবা
দেয়ার
ক্ষেত্রে
ফারাক
থেকে
যেতে
পারে।
অন্যদিকে
২০২৩-এ
মূলত
ফোকাস
‘একতাই বল’-এর
ওপর
প্রতিষ্ঠিত।
এতে
সমমনা
বন্ধু,
পরিবার,
সহকর্মী
ও
কমিউনিটিকে
ঐক্যবদ্ধ
করার
দিকে
নজর
দেয়ার
ওপর
গুরুত্বারোপ
করা
হয়েছে।
আর
শেষ
বছর,
অর্থাৎ
২০২৪
সালের
লক্ষ্য
হচ্ছে
সমমনারা
এক
হয়ে
বিশ্বনেতাদের
কাঙ্ক্ষিত
পরিবর্তন
আনার
জন্য
উদ্যোগ
নিতে
দাবি
তুলে
ধরবেন।
তাদের
ওপর
চাপ
দেয়া
তারা
যেন
বৈশ্বিক
অসমতা
দূর
করতে
উদ্যোগ
নেন,
ক্যান্সারমুক্ত
বিশ্ব
গড়ে
তুলতে
সম্পদের
এবং
স্বাস্থ্য
খাত
থেকে
অসমতা
দূর
করার
জন্য
প্রচেষ্টা
নেন।
এখানে
আরো
একটি
বিষয়
উল্লেখযোগ্য,
সমতার
ফারাক
কেবল
উন্নত
বিশ্বের
সঙ্গে
নিম্ন
বা
মধ্যম
আয়ের
দেশেরই
নয়,
বরং
উন্নত
দেশের
ভেতরেও
রয়ে
গেছে।
তথ্যে
দেখা
যায়,
মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রে
শ্বেতাঙ্গ
নারীদের
সার্ভাইব
করার
হার
৮৫
শতাংশ।
যেখানে
কৃষ্ণাঙ্গ
নারীদের
বেলায়
এ
হার
৫৮
শতাংশ।
আবার
নিউজিল্যান্ডের
মুরি
জনগোষ্ঠীর
মধ্যে
ক্যান্সারে
মৃত্যুর
হার
অন্য
জনগোষ্ঠীর
(অ-মুরি)
দ্বিগুণ।
সার্ভিক্যাল
ক্যান্সারে
আক্রান্তদের
মধ্যে
৯০
শতাংশ
নিম্ন
ও
মধ্যম
আয়ের
দেশের
নারীরা
মারা
যান।
এ
রকম
এক
পরিস্থিতিতে
বাংলাদেশে
বিশ্ব
ক্যান্সার
দিবস
উপযাপন
হচ্ছে।
একজন
ক্যান্সারজয়ী
হিসেবে
আমি
চাই
এ
দেশেও
ক্যান্সার
কেয়ার
গ্যাপ
কমে
আসুক।
জাহান-ই-গুলশান: কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর










