গত বছরের
নভেম্বরে
স্কটল্যান্ডের
গ্লাসগোয়
হয়ে
যাওয়া
কপ-২৬
জলবায়ু
সম্মেলন
(কনফারেন্স অব
পার্টির
২৬তম
সম্মেলন)
বৈশ্বিক
কার্বন
নিঃসরণ
হ্রাসে
সবার
মনে
একটি
আশার
সঞ্চার
করেছিল।
অন্য
বছরের
তুলনায়
এ
সম্মেলনের
গুরুত্ব
ছিল
একটু
বেশি।
কারণ
দুই
বছরেরও
বেশি
সময়
ধরে
বিশ্বের
সব
কর্মকাণ্ডের
মূলে
ছিল
কভিড-১৯
থেকে
পরিত্রাণ
পাওয়া
এবং
অর্থনীতির
চাকাকে
আগের
মতো
সচল
করা।
এ
লক্ষ্যে
দেশগুলো
একটি
উদার
মুদ্রানীতি
অবলম্বন
করে
বিভিন্ন
খাতে
বিনিয়োগে
বাড়িয়েছে।
এতে
জলবায়ু
পরিবর্তনের
বিষয়টি
শুধু
উপেক্ষিতই
হয়নি,
বরং
অর্থনীতির
এমন
সব
খাতে
বিনিয়োগ
বৃদ্ধি
পেয়েছে,
যা
আদতে
কার্বন
নিঃসরণ
বাড়ায়।
অন্যদিকে
জলবায়ু
পরিবর্তন
রোধে
উন্নত
দেশগুলো
প্যারিস
জলবায়ু
চুক্তিতে
যে
প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিল,
তার
প্রায়
কোনোটাই
পূরণ
হয়নি
এখন
পর্যন্ত।
তাই
বিশ্বের
নজর
ছিল
কপ-২৬
ক্রমবর্ধমান
হারে
বাড়তে
থাকা
কার্বন
নিঃসরণ
রোধে
কার্যকরী
কোনো
পদক্ষেপ
নিতে
পারে
কিনা
তার
ওপর।
কপ-২৬
অবশ্য
হতাশ
করেনি।
জলবায়ু
পরিবর্তন
মোকাবেলায়
এবং
কার্বন
নিঃসরণ
হ্রাসে
উন্নয়নশীল
দেশগুলোকে
১০
হাজার
কোটি
মার্কিন
ডলার
সমপরিমাণ
তহবিল
প্রদানের
যে
অঙ্গীকার
করেছিল,
উন্নত
দেশগুলো
সেই
প্রতিশ্রুত
তহবিল
প্রদানের
অঙ্গীকার
পুনর্ব্যক্ত
করে।
বনাঞ্চল
নিধন
রোধে
সব
ধরনের
নীতিমালা
প্রণয়ন
এবং
তা
বাস্তবায়নের
কার্যকরী
পদক্ষেপ
নেয়ার
ঘোষণা
দেয়।
নিট
কার্বন
নিঃসরণের
হার
শূন্যে
নামানোর
সব
ধরনের
নীতি
গ্রহণে
দেশগুলো
একাত্মতা
ঘোষণা
করে।
সর্বোপরি,
গ্রিনহাউজ
গ্যাস
নিঃসরণের
প্রধান
নির্ণায়ক
কয়লা
উৎপাদন
ক্রমেই
শূন্যে
নিয়ে
যাওয়ার
ওপর
জোর
দেয়া
হয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব
এশিয়া,
ইউরোপসহ
অন্তত
২৩টি
দেশ
কয়লা
উৎপাদন
ও
ব্যবহার
পর্যায়ক্রমে
বন্ধ
করার
ঘোষণা
দিয়েছে।
এছাড়া
জীবাশ্ম
জ্বালানিতে
ভর্তুকি
কমানোর
জন্য
একটি
চুক্তি
রয়েছে,
যাতে
১৯৭টি
দেশ
স্বাক্ষর
করেছে।
যদিও
কয়লার
ব্যবহার
‘পর্যায়ক্রমে
কম’ নাকি ‘পর্যায়ক্রমে
বন্ধ’
করা
উচিত—এ
নিয়ে
তর্ক
এখনো
চলমান,
প্যারিস
জলবায়ু
চুক্তিতে
স্বাক্ষরিত
দেশগুলো
যে
কয়লার
দিকে
মুখ
ফিরিয়ে
নিচ্ছিল—এ
কথা
হলফ
করেই
বলা
যায়।
এ হাওয়ায়
পরিবর্তন
আসতে
পারে
রাশিয়া-ইউক্রেনের
মধ্যে
চলমান
যুদ্ধের
কারণে।
ধারণা
করা
হচ্ছে
ইউক্রেন
সংকট
জীবাশ্ম
জ্বালানির
উৎপাদন
ও
ব্যবহারে
নতুন
মাত্রা
যোগ
করবে।
তবে
স্বল্পমেয়াদে
এ
সংকট
কার্বন
নিঃসরণ
রোধে
হয়ে
উঠতে
পারে
একটি
বড়
অন্তরায়।
২৪
ফেব্রুয়ারি
থেকে
রাশিয়া
ইউক্রেনে
একটি
ছায়া
সরকার
প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে
সামরিক
আগ্রাসন
পরিচালনা
করে
আসছে।
যুদ্ধের
প্রায়
তিন
সপ্তাহ
পেরিয়ে
গেলেও
এ
সংকটের
আশু
সমাধান
হওয়ার
কোনো
লক্ষণ
আপাতত
নেই,
যদিও
রাশিয়া
ভেবেছিল
ইউক্রেনে
দ্রুত
বিজয়
অর্জন
করতে
পারবে।
এ
লক্ষ্য
অর্জনে
রাশিয়া
ভারী
ও
স্বল্প
ভারী
অত্যাধুনিক
সব
সমরাস্ত্র
ব্যবহার
করছে।
ইউক্রেনও
করছে
কমবেশি
সমান্তরাল
হারে।
এ যুদ্ধের
প্রভাব
মানবজীবনের
জন্য
ভয়াবহ
সে
কথা
বলার
অবকাশ
রাখে
না।
কিন্তু
যুদ্ধ
নিজেই
অতিমাত্রার
কার্বন
নিঃসরণকারী
ঘটনাগুলোর
একটি।
ইনসাইড
ক্লাইমেট
নিউজের
হিসাব
মতে,
গত
দুই
দশকে
মধ্যপ্রাচ্যে
মার্কিন
সামরিক
অভিযানের
কারণে
১
দশমিক
২
বিলিয়ন
টনেরও
বেশি
গ্রিনহাউজ
গ্যাস
তৈরি
হয়েছে,
যা
একই
সময়ে
পর্তুগাল
ও
ডেনমার্কের
মোট
কার্বন
নিঃসরণের
চেয়েও
বেশি।
সুতরাং
এ
কথা
বলা
যায়,
ইউক্রেনে
রাশিয়ার
সামরিক
কার্যক্রম
দেশটির
কার্বন
নিঃসরণের
পরিমাণ
অনেক
গুণে
বাড়িয়ে
দেবে।
কার্বন নিঃসরণ
বা
নিঃসরণ
রোধে
এ
যুদ্ধের
প্রভাব
হবে
সুদূরপ্রসারী;
কারণ
জীবাশ্ম
জ্বালানি
উৎপাদন
ও
রফতানিতে
রাশিয়া
বিশ্বের
অন্যতম
দেশ।
কার্বন
নিঃসরণ
করে
এমন
সব
পণ্য
রফতানিতে
যুক্তরাষ্ট্র
ও
সৌদি
আরবের
পরেই
রাশিয়ার
অবস্থান।
ইউক্রেনের
সঙ্গে
যুদ্ধে
রাশিয়া
তার
সামরিক
শক্তির
পাশাপাশি
প্রাকৃতিক
সম্পদ,
যেমন
গ্যাস
ও
অপরিশোধিত
তেলকে
অর্থনৈতিক
হাতিয়ার
হিসেবে
ব্যবহার
করে
যুদ্ধের
ফল
তাদের
দিকে
টানার
চেষ্টা
করবে।
বিশেষ
করে
তেল
ও
গ্যাস
সরবরাহ
নিয়ন্ত্রণের
মাধ্যমে
রাশিয়া
ইউরোপীয়
ইউনিয়নকে
এক
রকমের
জিম্মি
করার
চেষ্টা
করবে—এ
কথা
নিঃসন্দেহে
বলা
যায়।
ইউরোপের
মোট
প্রাকৃতিক
গ্যাসের
চাহিদার
৪০
শতাংশ
এবং
জ্বালানি
তেলের
এক-তৃতীয়াংশ
রাশিয়া
একাই
সরবরাহ
করে।
ইউরোপের
সবচেয়ে
বড়
অর্থনীতি
জার্মানি
তার
প্রাকৃতিক
গ্যাসের
চাহিদার
৬৫
শতাংশ
রাশিয়া
থেকে
আমদানি
করে।
এছাড়া
ইতালি
৪৩
শতাংশ
এবং
ফ্রান্স
১৬
শতাংশ
গ্যাস
রাশিয়া
থেকে
আমদানি
করে।
ইউরোপের
অন্যান্য
ছোট
দেশ,
যেমন
চেক
প্রজাতন্ত্র,
হাঙ্গেরি,
পোল্যান্ড
ও
স্লোভাকিয়ার
প্রাকৃতিক
গ্যাসের
চাহিদার
সিংহভাগই
জোগান
দেয়
রাশিয়া।
বলা যায়,
রাশিয়ার
জ্বালানিই
ইউরোপের
শক্তির
ভরসাস্থল।
এজন্যই
চলমান
সংকট
ইউরোপের
কার্বন
নিঃসরণকে
দুভাবেই
প্রভাবিত
করতে
পারে।
প্রথমত,
রাশিয়ার
জীবাশ্ম
জ্বালানির
ওপর
নির্ভরতা
কমাতে
দেশগুলো
নবায়নযোগ্য
জ্বালানিতে
অধিক
হারে
বিনিয়োগ
বাড়িয়ে
ক্লিন
এনার্জির
সক্ষমতার
সঙ্গে
সঙ্গে
কার্যকারিতা
বাড়ানোর
চেষ্টা
করবে।
যেহেতু
নবায়নযোগ্য
জ্বালানি
উৎপাদন
একটি
সময়সাপেক্ষ
ব্যাপার
সেহেতু
রাশিয়ার
বলয়
থেকে
মুক্তি
পেতে
দেশগুলো
নিজেরাই
জীবাশ্ম
জ্বালানি
উৎপাদনে
মনোনিবেশ
করবে
অথবা
নতুন
কোনো
রফতানিকারক
দেশের
দিকে
ঝুঁকবে।
এ
কর্মকাণ্ড
অবিলম্বে
বায়ুমণ্ডলে
কার্বনের
পরিমাণ
বাড়িয়ে
দেবে,
কারণ
নতুন
নতুন
স্থাপনা
ও
উৎপাদন
কার্বন
দক্ষতা
অর্জন
করতে
সময়
নেবে।
লক্ষণীয়, ইউক্রেনের
সংঘাত
এরই
মধ্যে
বিশ্বব্যাপী
কয়লার
বাজারে
বিভিন্নভাবে
প্রভাব
ফেলেছে।
রাশিয়ার
ওপর
অর্থনৈতিক
নিষেধাজ্ঞার
কারণে
ব্যাংক,
বীমা,
শিপিং
কোম্পানিগুলো
রাশিয়াকে
এড়িয়ে
চলতে
বাধ্য
হচ্ছে।
কয়লা
আমদানিকারক
দেশগুলো
তাই
সরবরাহের
বিকল্প
উৎসের
সন্ধান
করছে।
এতে
আন্তর্জাতিক
বাজারে
কয়লার
দাম
ঊর্ধ্বমুখী।
ইতালি
এরই
মধ্যে
জানিয়ে
দিয়েছে
দেশটির
জ্বালানি
সুরক্ষা
অটুট
রাখার
লক্ষ্যে
আগামী
দিনগুলোয়
আরো
বেশি
পরিমাণে
কয়লা
পোড়াতে
হবে,
যা
বায়ুমণ্ডলে
কার্বনের
পরিমাণ
বাড়াবে।
জার্মানির অবস্থানও
একই।
জাপানের
ফুকুশিমা
পারমাণবিক
বিপর্যয়ের
পর
বিদ্যুৎ
উৎপাদনে
জার্মানি
ক্রমেই
পারমাণবিক
শক্তির
ওপর
নির্ভরশীলতা
কমিয়ে
প্রধানত
গ্যাস
এবং
কিছুটা
কয়লার
ওপর
জোর
দিয়েছে,
যদিও
২০৪৫
সালের
মধ্যে
দেশটি
বিদ্যুতের
চাহিদার
শতভাগ
নবায়নযোগ্য
উৎস
থেকে
উৎপাদনে
আশাবাদী।
তাই
রাশিয়ার
গ্যাসের
ওপর
জার্মানি
অতিমাত্রায়
নির্ভরশীল।
জার্মানিতে
রাশিয়ার
গ্যাসের
নিরবচ্ছিন্ন
সরবরাহে
১
হাজার
১০০
কোটি
মার্কিন
ডলার
ব্যয়ে
নর্ড
স্ট্রিম-২
পাইপলাইন
স্থাপন
করা
হয়েছে।
ইউক্রেনে
রাশিয়ার
সামরিক
আগ্রাসনের
জবাবে
জার্মানি
নর্ড
স্ট্রিম-২
ব্যবহার
স্থগিত
করেছে।
তাই
জার্মানি
আপাতত
রাশিয়ার
গ্যাসের
বিকল্প
হিসেবে
তরল
প্রাকৃতিক
গ্যাস
বা
এলএনজির
অধিকতর
আমদানির
লক্ষ্যে
নতুন
নতুন
টার্মিনাল
নির্মাণ
করছে।
সেই
সঙ্গে
কয়লার
ব্যবহার
বাড়ানো
হয়েছে।
ইউরোপের
অন্য
অনেক
দেশ
একই
নীতি
গ্রহণ
করছে।
তবে এ
নীতি
দীর্ঘমেয়াদে
টেকসই
হবে
না।
এমনিতেই
যুদ্ধের
ফলে
গ্যাসের
দাম
রেকর্ড
পরিমাণ।
সেই
সঙ্গে
অপরিশোধিত
জ্বালানি
তেলের
দামও
আকাশছোঁয়া।
অন্যদিকে
এলএনজির
দাম
পাইপলাইনে
সরবরাহকৃত
গ্যাসের
দামের
চেয়ে
অনেক
বেশি।
তার
মানে
এলএনজির
ব্যবহার
বিদ্যুতের
দাম
বাড়াবে,
যা
ভোক্তার
অসন্তুষ্টিকে
বাড়িয়ে
রাজনৈতিক
অস্থিরতা
উসকে
দিতে
পারে।
এখন
কথা
হলো,
পুঁজিবাদী
দেশগুলো
এ
রাজনৈতিক
ঝুঁকি
নিতে
রাজি
কিনা।
আবার
যেহেতু
কয়লা
গ্যাসের
চেয়ে
দামে
সাশ্রয়ী
সেহেতু
কয়লা
ব্যবহারের
দিকেই
দেশগুলো
সচেষ্ট
হবে।
ইউরোপের
কয়লার
চাহিদা
পূরণে
রাশিয়া
ব্যতীত
অন্য
কোনো
একক
বিকল্প
আপাতত
নেই।
এর অর্থ
দাঁড়ায়,
স্বল্পমেয়াদে
এলএনজির
ওপর
নির্ভরশীল
হলেও
দীর্ঘমেয়াদে
নবায়নযোগ্য
জ্বালানি
ছাড়া
কোনো
গত্যন্তর
নেই।
যদি
ইউরোপীয়
দেশগুলো
রাশিয়ার
তেল
ও
গ্যাসের
ওপর
নির্ভরতা
কমাতে
চায়।
এ
থেকে
অনুমান
করা
যায়,
ইউক্রেন
সংকট
ক্লিন
এনার্জিতে
বিনিয়োগের
চলমান
ঢেউ
বেগবান
করবে।
রাশিয়ার
আক্রমণের
প্রতিক্রিয়ায়
বিশ্বজুড়ে
শেয়ারবাজারে
সূচকের
পতন
লক্ষ
করা
গেছে।
কিন্তু
নবায়নযোগ্য
জ্বালানির
সঙ্গে
সম্পর্কিত
কোম্পানির
শেয়ারের
দাম
গড়ে
প্রায়
১০
শতাংশ
বেড়েছে
গত
কয়েক
দিনে।
২০২০
সালে
শুরু
হওয়া
মহামারীর
কারণে
নিম্নমুখী
বাজার
প্রবণতায়
এটিই
ছিল
শেয়ার
দামের
সবচেয়ে
বড়
উল্লম্ফন।
ক্লিন
এনার্জি
শুধু
ক্লিনই
নয়,
বরং
শক্তির
অপরাপর
উৎসের
তুলনায়
উৎপাদন
খরচ
অনেক
কম।
তাই
এরই
মধ্যে
অনেক
বিনিয়োগকারী
উন্নয়নশীল
দেশে
নবায়নযোগ্য
জ্বালানিতে
বিনিয়োগের
আগ্রহ
প্রকাশ
করেছেন।
এ
পরিপ্রেক্ষিতে
রাশিয়া-ইউক্রেন
দ্বন্দ্বকে
নবায়নযোগ্য
জ্বালানিতে
বৈশ্বিক
বিনিয়োগ
আকর্ষণ
করার
একটি
মোক্ষম
সুযোগ
হিসেবে
কাজে
লাগানোর
অবকাশ
রয়েছে।
এ
পদক্ষেপ
দেশগুলোকে
জ্বালানির
সরবরাহে
দীর্ঘমেয়াদি
নিরাপত্তা
প্রদানে
সাহায্য
করবে
এবং
একই
সঙ্গে
দেশগুলোকে
তাদের
কাঙ্ক্ষিত
জলবায়ু
লক্ষ্য
পূরণে
সহায়তা
করবে।
ইউরোপ গ্যাস
ছাড়ছে
না,
এ
কথা
নিশ্চিত।
এমনকি
রাশিয়া
থেকে
গ্যাস
ও
জ্বালানি
তেলের
ওপর
নিষেধাজ্ঞা
আরোপ
করার
মার্কিন
প্রস্তাবে
জার্মানি,
নেদারল্যান্ডস,
বুলগেরিয়াসহ
আরো
কিছু
দেশ
আপত্তি
জানিয়েছে।
তবে
রাশিয়া
থেকে
পাইপযুক্ত
গ্যাসের
ওপর
নির্ভরতা
কমাতে
গ্যাস
রিজার্ভের
অবকাঠামো
তৈরি,
তরলীকৃত
প্রাকৃতিক
গ্যাস
আমদানিসহ
আমদানি
উৎসের
বহুমুখিতার
ওপর
জোর
দেয়া
হয়েছে।
এগুলো
সবই
স্বল্পমেয়াদি
সমাধান।
টেকসই
সমাধান
হলো
জীবাশ্ম
জ্বালানি
পরিত্যাগ
করে
নবায়নযোগ্য
জ্বালানির
ওপর
নির্ভরতা
বাড়ানো।
যদি
তাই
হয়,
ইউক্রেন-রাশিয়ার
যুদ্ধের
একটি
বড়
ও
অনিচ্ছাকৃত
ফল
হতে
পারে
নবায়নযোগ্য
জ্বালানিতে
রূপান্তরের
মাধ্যমে
বায়ুমণ্ডলের
কার্বন
নিঃসরণের
হ্রাস
টেনে
ধরা।
ড. এম কবির
হাসান: অধ্যাপক, নিউ
অরলিন্স
বিশ্ববিদ্যালয়,
যুক্তরাষ্ট্র;
ইসলামিক
ডেভেলপমেন্ট
প্রাইজ
ইন
ব্যাংকিং
অ্যান্ড
ফাইন্যান্স-২০১৬
বিজয়ী
ড. মোহাম্মাদ দুলাল মিয়া: সহযোগী অধ্যাপক; নিজওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ওমান










