ড. মীর
মাকসূদ
আলী
একজন
অবকাঠামোগত
প্রকৌশলী
ও
যুক্তরাষ্ট্রের
বিখ্যাত
ইউনিভার্সিটি
অব
ইলিনয়
অ্যাট
আরবানা-শ্যাম্পেইনে
প্রফেসর
ইমেরিটাস।
The Bridge:
Joining East-West Nations and Cultures while Treading Life’s Difficult Path
গ্রন্থটি
তার
আত্মজীবনী।
এটি
বাংলাদেশের
উপকূলবর্তী
জেলা
পটুয়াখালীর
ছোট্ট
একটি
শহরে
বেড়ে
ওঠা
মীর
মাকসূদ
আলীর
মনোমুগ্ধকর
জীবন
কাহিনী।
ড.
আলী
ঢাকায়
তার
ইঞ্জিনিয়ারিং
শিক্ষা
সমাপ্তির
পর
পেশাগত
জীবন
শুরু
করেন
এবং
পরবর্তী
সময়ে
কানাডা
ও
যুক্তরাষ্ট্রে
পিএইচডি
ডিগ্রি
অর্জন
করার
পর
পেশাগত
জীবনে
প্রবেশ
করেন
এবং
স্ট্রাকচারাল
ইঞ্জিনিয়ার
হিসেবে
বিশ্বজোড়া
খ্যাতি
অর্জন
করেন।
এ
সূত্রেই
তিনি
বিশ্বখ্যাত
স্ট্রাকচারাল
ইঞ্জিনিয়ার
ড.
ফজলুর
রহমান
খানের
সান্নিধ্যে
আসেন,
যিনি
বহুতল
ভবন
নির্মাণের
গুরু
ছিলেন।
যে
উদ্দেশ্য
সামনে
রেখে
লেখক
তার
এ
আত্মজীবনী
রচনা
করেছেন,
সেটি
সম্পর্কে
তিনি
বলেন,
‘...এ আত্মজীবনী
লেখার
উদ্দেশ্য
হলো
এমন
একটি
দলিল
তৈরি
করা,
যেখানে
আমার
বিশ্বাস,
অর্জন,
জীবন
থেকে
পাওয়া
শিক্ষা,
ব্যক্তিগত
চিন্তাভাবনা,
পূর্বানুমান
এবং
পারিপার্শ্বিক
সামাজিক-রাজনৈতিক
পরিস্থিতির
সুন্দর
একটা
চিত্র
অংকিত
হবে।
যার
মাধ্যমে
এমন
একটা
উত্তরাধিকার
ধারা
তৈরি
হবে,
যেটা
থেকে
আমার
পরিবার,
বন্ধু-বান্ধব
ও
ভবিষ্যৎ
প্রজন্মের
পাশাপাশি
সব
পাঠকও
শিক্ষা
নিতে
পারবেন;
যারা
পুনর্বাসনের
মাধ্যমে
আমেরিকায়
নাগরিকত্ব
গ্রহণকারীদের
জীবনধারা
সম্পর্কে
জানতে
আগ্রহী।
তাদের
কাছে
আমার
জীবন
কাহিনীর
পাশাপাশি
প্রাচ্য
ও
পাশ্চাত্য
সভ্যতার
ছায়াতলে
থাকার
ফলে
যে
অভ্যন্তরীণ
দ্বন্দ্ব
সৃষ্টি
হয়
তার
গল্প
বলাই
আমার
উদ্দেশ্য।’
লেখক দক্ষতার সঙ্গে বইটিকে পাঁচ ভাগে মোট ২২টি অধ্যায়ে বিভক্ত করেছেন। প্রথম ভাগে তিনি তার জীবনের ভিত্তিপ্রস্তর গড়া বছরগুলো অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এ ভাগে রয়েছে তার শৈশব-কৈশোরকাল (১৯৪৪-১৯৫৮) এবং ঢাকায় তার জীবন গড়ার সংগ্রামের বছরগুলোর (১৯৫৮-১৯৭০) কাহিনী। দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে তার কানাডায় আসার বর্ণনা। এখানে আছে কানাডার অন্টারিও প্রদেশের বিভিন্ন শহরে তার পদচারণ ও কঠোর বাস্তবতার সম্মুখীন হওয়ার কাহিনী (১৯৭০-১৯৮০)। তৃতীয় ভাগে রয়েছে তার শিকাগোয় (১৯৮০-১৯৮৪) ও সিঙ্গাপুরে যাত্রার (১৯৮৪) এবং ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইনে (১৯৮৫-২০১৫) শিক্ষকতা জীবনের বর্ণনা। চতুর্থ ভাগে তিনি জীবনের প্রাপ্তি, গবেষণা অনুসন্ধান, মাতৃভূমির জন্য অবদান, বহুতল ভবন ও মহানগর কাউন্সিলে তার নেতৃস্থানীয় ভূমিকা, পেনসিলভানিয়ার লিহাই ইউনিভার্সিটিতে ফজলুর রহমান খান চেয়ার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এবং কনসালট্যান্সি কার্যক্রমের বিবরণ দিয়েছেন। আর পঞ্চম ভাগে শিকাগোয় ফিরে যাওয়া (২০১৫ থেকে বর্তমান), আমেরিকান ও বাংলাদেশী স্বপ্নের দার্শনিক আলোচনা, অবসরপ্রাপ্ত জীবনযাপনের কলাকৌশল, বিশ্বের দুই প্রান্তের অভিজ্ঞতা ইত্যাদি বর্ণনা করেছেন। সব শেষে একটি উপসংহার দিয়ে তিনি বইটি সমাপ্ত করেছেন।
তার
সফলতার
পেছনে
মা-বাবা,
ভাই
ও
বন্ধুদের
অবদানের
স্বীকৃতি
দিয়ে
লেখক
বলেন,
‘আমার জীবনের
অর্জন
হিসেবে
যতটুকু
আছে
এবং
যে
ধরনের
মানুষ
হিসেবে
আমি
গড়ে
উঠেছি,
তার
সবই
সম্ভব
হয়েছে
আমার
শিক্ষক,
সহযোগী,
আত্মীয়
স্বজন
ও
বন্ধু-বান্ধবসহ
বেশকিছু
মানুষের
সঙ্গে
আমার
ঘনিষ্ঠ
যোগাযোগ
এবং
সান্নিধ্যের
ফলে।
সর্বোপরি,
নিম্নোক্ত
ব্যক্তিবর্গের
প্রভাব
আমার
জীবনের
অগ্রযাত্রার
ক্ষেত্রে
সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা
পালন
করেছে:
আমার
দৃঢ়প্রত্যয়ী
মা
অজিফা
খাতুন,
যিনি
আমার
মাঝে
শিক্ষার
মূল্য
ও
উন্নত
নৈতিক
চরিত্রের
ভিত্তি
স্থাপন
করেছিলেন।
আমার
জ্ঞানী
ও
সদাচারী
পিতা
মীর
মুয়াজ্জাম
আলী,
যিনি
আমার
আচরণে
বিনয়,
উদারতা
এবং
সততার
প্রয়োগ
শিখিয়েছেন।
আমার
বড়
ভাই
ড.
মীর
মাসুদ
আলী,
যিনি
একজন
পরিষ্কার
ও
উন্নত
চিন্তার
অধিকারী
বুদ্ধিজীবী
ছিলেন
এবং
অন্যকে
সাহায্য
করার
ব্যাপারে
সদা
তার
সাধ্যের
সর্বোচ্চ
মাত্রা
পর্যন্ত
চেষ্টা
করতেন
এবং
ড.
ফজলুর
রহমান
খান,
যিনি
বহুতল
ভবনের
ক্ষেত্রে
বিপ্লব
ঘটিয়েছিলেন।
আমার
স্ত্রী
ডোরার
উৎসাহ
এবং
তার
প্রশান্তিবোধের
শক্তি
আমার
মাঝে
জীবনের
কণ্টকময়
ধাপগুলো
পার
হওয়ার
শক্তি
জুগিয়েছে।’
‘আমেরিকান
স্বপ্নের’
সন্ধানে
প্রাচ্যের
ছোট্ট
একটি
উপকূলীয়
শহর
থেকে
পাশ্চাত্যের
মহানগর
পর্যন্ত
যাত্রার
সময়
ও
প্রেক্ষাপটকে
ড.
আলী
তার
আত্মজীবনীতে
সুন্দরভাবে
ফুটিয়ে
তুলেছেন।
অত্যন্ত
দক্ষতার
সঙ্গে
তিনি
জীবনের
উঁচু-নিচু
ধাপগুলো
পার
হতে
এবং
প্রাচ্য
ও
পাশ্চাত্যের
সংস্কৃতির
সঙ্গে
খাপ
খাইয়ে
নিতে
যে
ধরনের
মনোবল
ও
দৃঢ়
প্রত্যয়ের
প্রয়োজন
তার
সুন্দর
ও
আকর্ষণীয়
বিবরণ
দিয়ে
কীভাবে
একজন
সত্যিকারের
বিশ্বনাগরিক
হওয়া
যায়, সে
চিত্র
তুলে
ধরেছেন।
সব
ধরনের
প্রযুক্তিবিষয়ক
ও
সাধারণ
পাঠক,
শিক্ষার্থী
ও
শিক্ষকদের
জন্য
বইটি
একটি
প্রয়োজনীয়
পাঠ্য।
তরুণ
প্রজন্ম
ড.
আলীর
অভিজ্ঞতা
ও
পরামর্শ
থেকে
অনেক
কিছু
শিখতে
পারবে।
নিচের
সাক্ষাত্কারটিতে
ড.
আলীর
অর্ধশতাব্দীরও
বেশি
সময়ের
কর্মজীবনের
অভিজ্ঞতার
বিভিন্ন
দিক
প্রতিফলিত
হয়েছে।
লেখক
ড.
আলীর
একটি
সাক্ষাত্কার
(সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন
ড.
আহমেদ
এস
খান)
প্রশ্ন:
‘সেতু’ পার
হয়ে
এবং
‘আমেরিকান স্বপ্ন’
বাস্তবায়ন
করে
আপনি
কি
সন্তুষ্ট?
প্রাচ্য
ও
পাশ্চাত্যে
বসবাস
করে
এ
দুইয়ের
মাঝে
কী
ধরনের
সাংস্কৃতিক
মিল
ও
অমিল
লক্ষ
করেছেন?
ড.
আলী:
হ্যাঁ,
আমি
সন্তুষ্ট।
প্রাচ্যের
সঙ্গে
পাশ্চাত্যের
সাংস্কৃতিক
মিল
খুব
কম,
অমিলই
বেশি।
ভারতীয়
উপমহাদেশে
ও
উত্তর
আমেরিকায়
আমার
বসবাসের
কারণে
আমি
এ
মূল্যায়ন
করতে
পারছি।
অমিলগুলোকে
আমি
কয়েকটি
ভাগে
ভাগ
করে
বলতে
চাই:
১.
প্রাচ্য
হলো
গতানুগতিক,
রক্ষণশীল
এবং
অনুন্মুক্ত
সমাজ
ব্যবস্থাসম্পন্ন।
পাশ্চাত্য
তার
চিন্তা
ও
চেতনাকে
স্বাধীনভাবে
প্রকাশ
করে
এবং
এখানে
রয়েছে
মুক্ত
সমাজ
ব্যবস্থা।
২.
প্রাচ্যে
তরুণরা
প্রবীণদের
অত্যন্ত
সম্মান
করেন
এবং
বড়
সিদ্ধান্তগুলো
সাধারণত
প্রবীণরাই
নেন।
প্রাচ্যে
পারিবারিকভাবে
আয়োজিত
বিয়ে
পদ্ধতিই
সাধারণভাবে
প্রচলিত।
অন্যদিকে
পাশ্চাত্যে
প্রবীণদের
কিছুটা
শ্রদ্ধার
সঙ্গে
বন্ধু
হিসেবে
দেখা
হয়
আর
বেশির
ভাগ
সিদ্ধান্তই
নবীনরা
নেন।
এখানে
ডেটিং
করে
বিয়ে
হয়।
ফলে
যৌন
বিশৃঙ্খলা
সমাজে
ব্যাপকভাবে
বিস্তৃত।
এখানে
বিবাহপূর্ব
যৌন
সম্পর্ক
একটি
সাধারণ
বিষয়,
কিন্তু
প্রাচ্যে
সামাজিকভাবে
তা
গ্রহণযোগ্য
নয়।
৩.
পাশ্চাত্য
সমাজে
অনেক
ক্ষেত্রেই
নগ্নতা
ও
আধা
নগ্নতা
গ্রহণযোগ্য,
কিন্তু
প্রাচ্য
সমাজে
তা
নয়।
পশ্চিমা
সমাজে
যুবক-যুবতীদের
খোলামেলা
জায়গায়
অন্তরঙ্গ
পরিবেশে
প্রায়ই
দেখা
যায়।
প্রাচ্যে
এমনটা
সাধারণত
চোখে
পড়ে
না।
তাছাড়া
সমকামিতা
ও
সমলিঙ্গের
বিয়ে
পাশ্চাত্য
সমাজে
গ্রহণযোগ্যতা
পেয়েছে,
কিন্তু
প্রাচ্যে
তা
পায়নি।
৪.
মদ্যপান
পশ্চিমা
দেশগুলোর
সংস্কৃতির
অংশ,
কিন্তু
প্রাচ্যে,
বিশেষত
ইসলামী
দেশগুলোয়
তা
গ্রহণযোগ্য
নয়।
৫.
পাশ্চাত্যের
মানুষ
আত্মকেন্দ্রিক,
কিন্তু
প্রাচ্যের
মানুষ
সমাজবদ্ধ
হয়ে
যৌথ
পরিবেশে
থাকতে
ভালোবাসে।
পরিবার
ও
বর্ধিত
পরিবারের
সঙ্গে
সম্পর্ক
প্রাচ্যে
অনেক
শক্তিশালী
কিন্তু
পাশ্চাত্যে
তেমন
নয়।
৬.
প্রাচ্যে
সাধারণত
সন্তানরা
বাড়িতে
তাদের
বৃদ্ধ
মা-বাবার
সেবা-যত্ন
করে,
কিন্তু
পাশ্চাত্যে
এ
প্রথা
বিরল।
৭.
প্রতিবন্ধী
ব্যক্তিদের
সঙ্গে
পাশ্চাত্যে
ভালো
আচরণ
করা
হয়
কিন্তু
প্রাচ্যে
তেমনটা
করা
হয়
না।
৮.
পাশ্চাত্যে
অধিকারের
ওপর
জোর
দেয়া
হয়,
প্রাচ্যে
জোর
দেয়া
হয়
কর্তব্যের
ওপর।
৯.
পাশ্চাত্য
সমাজে
বৈজ্ঞানিক
মনোবৃত্তি
ও
যুক্তিবাদের
প্রাধান্য
বেশি,
প্রাচ্য
সমাজে
আধ্যাত্মিকতা
ও
আবেগপ্রবণতার
প্রাধান্য
বেশি।
প্রাচ্য
ও
পাশ্চাত্য
সমাজের
মধ্যে
সাংস্কৃতিক
মিল
তেমন
নেই।
দুটো
ব্যাপারে
সামঞ্জস্য
লক্ষণীয়:
১.
প্রাচ্য
ও
পাশ্চাত্য
উভয়
সমাজের
মানুষ
স্বপ্ন
দেখে।
২.
প্রাচ্য
ও
পাশ্চাত্য
উভয়
সমাজের
মানুষ
পরিবার
ও
জীবিকা
নিয়ে
ব্যস্ত
থাকে।
প্রশ্ন:
আমেরিকায়
আসার
আগে
ও
পরে
আপনার
‘আমেরিকান স্বপ্নের’
ধারণায়
কী
ধরনের
পরিবর্তন
হয়েছে?
ড.
আলী:
প্রত্যক্ষ
অভিজ্ঞতা
না
থাকার
কারণে
আমেরিকায়
আসার
আগে
আমার
আমেরিকান
স্বপ্নের
ধারণাটা
ছিল
অনেকটা
প্রচ্ছন্ন।
তখনকার
দিনে
আমেরিকা
ছিল
এক
স্বপ্নরাজ্য।
আমি
এ
দেশের
প্রযুক্তিগত
অগ্রগতির
প্রেমে
পড়ে
যাই
এবং
যেসব
লোক
এখানকার
মহানগর-সভ্যতা
গড়েছিল,
তাদের
প্রশংসায়
পঞ্চমুখ
হয়ে
উঠি।
এ
দেশ
যেসব
সুবিধা
ও
সংস্থান
প্রদান
করে,
সেগুলোর
সদ্ব্যবহারের
মাধ্যমে
এবং
কঠোর
পরিশ্রম
করে
আমি
আমার
স্বপ্ন
বাস্তবায়ন
করতে
সক্ষম
হয়েছি।
কিন্তু
অভিবাসী
জনগোষ্ঠীর
এবং
স্থানীয়
সংখ্যালঘুদের
কাছে
আজ
একটা
অনিশ্চিত
সময়।
কিছু
রাজনৈতিক
নেতা
এখন
আগের
মতো
অভিবাসী
ও
সংখ্যালঘু
গোষ্ঠীকে
স্বাগত
জানান
না।
তাই
এখন
আমেরিকান
স্বপ্নের
অর্থ
ও
আবেদন
হ্রাস
পেয়েছে।
তা
সত্ত্বেও
আমি
আশাবাদী
যে
আমেরিকার
ইতিহাস
এর
আগেও
অস্থির
সময়
ও
কঠিন
অবস্থা
প্রত্যক্ষ
করেছে
এবং
সফলতার
সঙ্গে
তা
কাটিয়ে
উঠতে
পেরেছে।
আমেরিকা
একটি
বিরাটাকারের
শক্তিশালী
ও
স্থিতিশীল
দেশ।
এ
কারণে
আমেরিকান
স্বপ্ন
ফিরিয়ে
আনা
এ
দেশের
জন্য
কঠিন
নয়।
প্রশ্ন:
সফলতার
সিঁড়ি
বেয়ে
ওপরে
ওঠার
জন্য
পরবর্তী
প্রজন্মের
কাছে
আপনি
কোনো
পরামর্শ
ও
আশার
বাণী
পৌঁছে
দিতে
চান?
ড.
আলী:
আমি
বলতে
চাই,
কঠোর
পরিশ্রম
করুন,
অলসতা
পরিহার
করুন
এবং
শেখার
প্রচেষ্টা
কখনই
বন্ধ
করবেন
না।
দায়িত্বপরায়ণ,
উত্তম
চরিত্রের
অধিকারী
হিসেবে
নিজেকে
গড়ে
তুলুন।
অন্যের
প্রতি
যত্নশীল
হোন
এবং
সদয়
আচরণ
করুন।
কর্মক্ষেত্রে
শত্রু
তৈরি
করবেন
না।
নিজেকে
ভালো
নাগরিক
হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত
করুন।
দেখবেন
সফলতা
আপনার
দ্বারপ্রান্তে
অপেক্ষা
করছে।
ড. আহমেদ এস খান: ফুলব্রাইট স্পেশালিস্ট স্কলার, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটস ব্যুরো অব এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স, যুক্তরাষ্ট্র










