জেনস স্টলটেনবার্গকে ন্যাটোর মহাসচিব হিসেবে আরো এক বছর থাকার জন্য বলা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও এক মার্কিন কর্মকর্তার মতে, লিথুয়ানিয়ায় আগামী জুলাইয়ের মাঝামাঝি শীর্ষ সম্মেলনের আগে জোটটির দায়িত্বে স্টলটেনবার্গের প্রতিস্থাপক কে হতে পারে, তা নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। খবর রয়টার্স।

নরওয়েজিয়ান বংশোদ্ভূত জেনস স্টলটেনবার্গ নয় বছর ধরে এ পদে আছেন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে তার পদত্যাগ করার কথা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রটি রয়টার্সকে বলেছে, জোটের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন ও একজন কার্যকর নেতা হিসেবে তিনি সুনাম কুড়িয়েছেন। সূত্রটি বলছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন স্টলটেনবার্গকে আরো এক বছর পদটিতে বহাল রাখার পরিকল্পনা করছে। কেননা এ মুহূর্তে তার প্রতিস্থাপনের ব্যাপারে জোটের মধ্যে মতানৈক্য নেই।

লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে স্টলটেনবার্গের জন্য চতুর্থ মেয়াদে পদটিতে মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা বেড়েছে। বর্তমানে ন্যাটোর পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বিভিন্ন দেশ পিছু হটলেও ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের বিরোধিতা অব্যাহত রেখেছে সামরিক জোটটি। এ মুহূর্তে যে কেউ এ ভূমিকায় থাকুক না কেন, তিনি ইউক্রেনকে সমর্থন করার পাশাপাশি মিত্রদের একত্র রাখার দ্বৈত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন। একই সঙ্গে এমন কোনো উত্তেজনার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে যা ন্যাটোকে সরাসরি রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে আনবে।

এদিকে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব বেন ওয়ালেস গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছিলেন, তিনি পদটিতে বসতে পছন্দ করবেন। কিন্তু জোটের কিছু সরকার মহাসচিব পদে প্রথম কোনো নারীকে চাইছে। এক্ষেত্রে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেনও একজন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন। ফ্রেডেরিকসেন চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ওয়াশিংটনে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে সূত্র বলছে, জো বাইডেন বিশ্বাস করেন স্টলটেনবার্গ একটি চ্যালেঞ্জিং সময়ে দুর্দান্ত কাজ করেছেন। অনেক মিত্ররাও একই মত পোষণ করেছেন।