গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আহত-নিহত বেড়ে ভুক্তভোগীর সংখ্যা ১৫ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এ পরিসংখ্যান উল্লেখ করে গতকাল বুধবার (১৮ অক্টোবর) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের মধ্যে ৭০ শতাংশই নারী, শিশু ও বৃদ্ধ। খবর আনাদোলু।

গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও অভিযানে গাজা উপত্যকায় নিহত হন প্রায় সাড়ে তিন হাজার ও আহত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি বাসিন্দা।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কেদরা গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এই পরিসংখ্যান উল্লেখ করে জানান, ‘চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে গুরুতর পরিণতির’ ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। এ হামলাকে ‘জাতিগত নির্মূলের জন্য ধারাবাহিক পদক্ষেপ ও ফিলিস্তিনি অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি জানান, ইসরায়েলি হামলায় তিন হাজার ৪৭৮ জন নিহত হয়েছেন ও আহত হয়েছেন ১২ হাজার ৬৫ জন। হতাহতের মধ্যে ৭০ শতাংশই শিশু, মহিলা ও বৃদ্ধ।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের মতে, আল-আহলি ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতালে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ৪৭১ জন নিহত হয়েছেন।

তবে গতকালেল পরিসংখ্যানে হাসপাতালে বোমা হামলা অন্তর্ভুক্ত কিনা তা স্পষ্ট নয়।

গত ৭ অক্টোবর হামাস ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ শুরু করে। অতর্কিতভাবে তারা ভূমি, সমুদ্র ও আকাশপথে ইসরায়েলে রকেট হামলা ও প্রবেশ করে। আল-আকসা মসজিদে হামলা ও ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিশোধ হিসেবে এ হামলা বলে উল্লেখ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।

এর পরপরই ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজা উপত্যকায় হামাসের লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সোর্ডস অব আয়রন’ শুরু করে।

সংঘাতে ইসরায়েলে এক হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।