যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় শপথ নিতে যাচ্ছেন। দায়িত্ব নেয়ার পর দেশটির ফেডারেল সরকারের ওপর তার আগের যেকোনো প্রেসিডেন্টের চেয়ে নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করতে তিনি প্রস্তুত। এর মধ্যে তিনি ও তার মিত্রদের দাবি করা ‘ডিপ স্টেট’ ভেঙে দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব হস্তান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত দুটি সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।

একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথম দিনেই একটি নির্বাহী আদেশ জারি করতে পারেন তিনি। যার মাধ্যমে প্রায় ৫০ হাজার সরকারি কর্মকর্তার চাকরির সুরক্ষা বাতিল করা হবে। এতে তাদের বদলে ট্রাম্পের পছন্দের ও অনুগত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সরকারের হাজার হাজার রাজনৈতিক নিয়োগ পূরণ করার জন্য চাপ দেবে। সম্ভবত অন্যান্য সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্টদের তুলনায় সরকারের কাজকর্মে বেশিসংখ্যক রাজনৈতিক অনুগতকে গভীরভাবে অন্তর্ভুক্ত করাই মূল লক্ষ্য।

রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের দল এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ তিন কূটনীতিকের পদত্যাগ চেয়েছে। তারা দপ্তরের কর্মকর্তা ব্যবস্থাপনা ও অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম দেখভাল করতেন। এটি ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ট্রাম্পের সমর্থকরা বিশ্বাস করেন, তার প্রথম মেয়াদে বিচার বিভাগ, শিক্ষা বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থায় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হয়েছিল অসহযোগী আমলাদের কারণে।