হামাস ও ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠীর ২০০
সদস্যকে গ্রেফতারের দাবি করেছে তেল আবিব। আরো জানায়, গত সপ্তাহে তাদের আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের
জন্য ইসরায়েলের ভূখণ্ডে নেয়া হয়েছে। খবর বিবিসি।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীর
সদস্যরা বেসামরিক জনগণের মাঝে লুকিয়ে ছিল। তাদের কেউ কেউ স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছে।
ইসরায়েল বলছে, হামাসকে নির্মূল করার
লক্ষ্যে গাজায় সামরিক অভিযান ও আক্রমণ শুরু করার পর থেকে ৭০০ ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর
সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অবশ্য এ সংবাদ প্রকাশ করে বিবিসি বলছে,
যুদ্ধক্ষেত্রের সব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে সক্ষম নয় তারা।
এদিকে স্বাধীনতাকামী হামাস শুরু থেকেই
বলে আসছে, ইসরায়েলিদের হাতে নিহতদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। জাতিসংঘের পরিসংখ্যানেও
সেই তথ্য উঠে এসেছে।
গত ৭ অক্টোবর হামাস যোদ্ধারা গাজা থেকে
দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রবেশ করে। ওই অভিযানে প্রায় এক হাজার ২০০ জন নিহত হয়। এছাড়া প্রায়
২৪০ জনকে জিম্মি করা হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েলের সর্বাত্মক হামলায়
গাজায় নিহত ২০ হাজার ছাড়িয়েছে ও আহত হয়েছেন ৫৩ হাজারের বেশি মানুষ। বাস্তচ্যুত হয়েছেন
প্রায় ১৯ লাখ মানুষ। শনিবারের আপডেটে বলা হয়েছে, এদিন ইসরায়েলি হামরায় ২০১ জন নিহত
ও ৩৬৮ জন আহত হয়েছেন।
একই সময়ে ইসরায়েল ঘোষণা করেছে যে গাজায়
আরো পাঁচ সৈন্য নিহত হয়েছে, যার ফলে স্থল অভিযান শুরুর পর থেকে মৃতের সংখ্যা ১৪৪ জনে
পৌঁছেছে।
গতকাল শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো
বাইডেন ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে
ফোনে আলোচনা করেছেন। হোয়াইট হাউজ জানায়, এ সময় মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে নিযুক্ত
ব্যক্তিসহ বেসামরিক জনগণকে রক্ষা করার ওপর জোর দেন বাইডেন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর বরাত
দিয়ে তার কার্যালয় জানিয়েছে, সব লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবে
ইসরায়েল।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, গাজা
উপত্যকার উত্তর অঞ্চল প্রায় সম্পূর্ণভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে ও এখন দক্ষিণে অভিযান
জোরদার করছে।
জাতিসংঘ বলেছে, সর্বশেষ উচ্ছেদ আদেশ
গাজার দেড় লাখ মানুষকে প্রভাবিত করেছে। ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য সংস্থা ইউএনডব্লিউআরএর
কর্মকর্তা টমাস হোয়াইট মন্তব্য করেছেন, গাজার বাসিন্দারাও মানুষ। তারা খেলার গুটি
নয়, অনেকে এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।










