জাপানে সহকর্মীর গুলিতে দুই সেনা নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। দেশটির সেনাবাহিনী জানায়, গিফু শহরে অবস্থিত একটি সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। খবর বিবিসি।

১৮ বছর বয়সী ওই প্রশিক্ষণার্থীকে ঘটনাস্থলে আটক করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

জাপানের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, আজ গিফুতে অবস্থিত সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শুটিং অনুশীলনের সময়ে এক সৈনিক সহকর্মীদের ওপর গুলি চালায়।

দেশটির গ্রাউন্ড সেলফ ডিফেন্স ফোর্স জানিয়েছে, কোনো বেসামরিক নাগরিক এ ঘটনায় জড়িত ছিল না। নতুন ও সম্ভাব্য সেনা প্রার্থীদের লাইভ-ফায়ারিং প্রশিক্ষণের সময় এ ঘটনা ঘটে। সন্দেহভাজন ওই সৈনিক সম্পর্কে বিশদ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জাপানে বন্দুক সহিংসতা অত্যন্ত বিরল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে গত জুলাই মাসে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে এক বিক্ষোভকারী গুলি করে হত্যা করেন। এ ঘটনা পুরো বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছে। এছাড়া গত মে মাসে নাগানো অঞ্চলে চাকু ও গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ চারজনকে হত্যা করে এক ব্যক্তি।

আজ বুধবারের ঘটনার পর গিফুর ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

জাপানের মন্ত্রিপরিষদের মুখ্য সচিব ম্যাতসুনো হিরোকাজু এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ঘটনাটি তদন্তের অধীনে রয়েছে বলে জানান তিনি।

জাপানে বন্দুকের মালিকানার ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে। বেসামরিক নাগরিকদের শুধু শিকারের রাইফেল ও এয়ার বন্দুক কেনার অনুমতি দেয়া হয়। তবে বন্দুক কেনার জন্য কঠোর পরীক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।