ফ্লাইট পরিচালনা শুরুর প্রায় ২৬ বছর পর প্রথম নিজস্ব এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ চালু করছে মার্কিন কোম্পানি জেটব্লু এয়ারওয়েজ। নিউইয়র্ক সিটির অ্যাপার্টমেন্ট থেকে অনুপ্রাণিত এ লাউঞ্জের নাম ব্লুহাউজ।
জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট হলো জেটব্লুর কেন্দ্রস্থল। এ বিমানবন্দরের ৫ নং টার্মিনালে ১৮ ডিসেম্বর চালু হবে ব্লুহাউজ। এছাড়া আগামী বছর বোস্টনে আরো একটি ব্লুহাউজ লাউঞ্জ খুলবে জেটব্লু।
লাউঞ্জ চালুর মাধ্যমে ডেল্টা এয়ারলাইনসের মতো বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াচ্ছে জেটব্লু। বেশি খরচে ভ্রমণ করতে আগ্রহী যাত্রীদের টানতে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত এ কোম্পানিগুলো। জেটব্লু একাই নয়, সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইনসের সিইও বব জর্ডান সম্প্রতি জানিয়েছে, আকাশপথ লাউঞ্জ নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্যোগ রয়েছে কোম্পানিটির।
জেএফকের দুই তলা লাউঞ্জটি আর্ট ডেকো নকশায় তৈরি হয়েছে। এতে রয়েছে ফ্রি ওয়াই-ফাই পরিষেবা ও খোলামেলা বসার জায়গা। ‘গ্র্যাব অ্যান্ড গো’ ধাঁচের নিউইয়র্কের পরিচিত খাবার পরিবেশিত হবে লাউঞ্জে। সকালে বেকন, ডিম ও চিজ স্যান্ডউইচ আর দিনের পরের সময় পাস্ত্রামি অন রাই। পানীয় অংশীদার হিসেবে আছে জো কফি।
জেটব্লুর ট্রান্স-আটলান্টিক মিন্ট বিজনেস ক্লাসের যাত্রীরা এ লাউঞ্জের সুবিধা পাবেন। তারা একজন অতিথিকে বিনামূল্যে আনতে পারবেন। এর অতিরিক্ত হলে প্রতি জনে ৩৯ ডলার পরিশোধ করতে হবে। প্রিমিয়ার মাস্টারকার্ডধারীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এছাড়া জেটব্লুর লয়্যালটি প্রোগ্রামের সর্বোচ্চ পর্যায় মোজাইক ফোরের এলিট সদস্যরা লাউঞ্জ সুবিধা নিতে পারবেন। বেসিক ইকোনমি টিকিটধারীরা কোনো ধরনের বিনামূল্যে প্রবেশ বা এককালীন পাসের যোগ্য নয় বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনসটি।
ব্লুহাউজ লাউঞ্জ একসঙ্গে ১৪০ জন যাত্রীকে পরিষেবা দিতে পারবে, যা বড় প্রতিদ্বন্দ্বীদের কিছু লাউঞ্জের তুলনায় ছোট। অবশ্য জেটব্লুর নেটওয়ার্কও তুলনামূলক কম বিস্তৃত।
নিউইয়র্কভিত্তিক জেটব্লু সাম্প্রতিক মাসগুলোয় অলাভজনক রুট বাদ দিয়ে বাজার পুনর্বণ্টন করেছে। তাদের লক্ষ্য হলো উচ্চমানের অবকাশ ভ্রমণ পরিষেবা দান ও আবারো লাভজনক হয়ে ওঠা।
—খবর সিএনবিসি










