যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি খাতের নতুন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সর্বশেষ এক বছরে দেশটির প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের চুক্তি বেড়েছে দ্বিগুণ। তবে দ্রুত বেড়ে ওঠা এসব স্টার্টআপ এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। খবর রয়টার্স।

সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ায় সিমি ভ্যালিতে অনুষ্ঠিত রিগান ডিফেন্স ফোরামে প্রতিরক্ষা শিল্প খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কথা বলেন। তাদের মতে, গবেষণাকেন্দ্রিক ছোট প্রতিষ্ঠান থেকে বড় পরিসরে অস্ত্র তৈরিতে সক্ষম অর্জন কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

চালকবিহীন যুদ্ধবিমান, ড্রোন বোট ও এআই-ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার বানানো প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে এ স্টার্টআপগুলো। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয় এমন প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর বাজারমূল্য চলতি বছর অনেক বেড়ে গেছে।

উদাহরণ হিসেবে ড্রোন বোট নির্মাতা সারনিক টেকনোলজিসের কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে। লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে একটি শিপইয়ার্ড তৈরি করছে কোম্পানিটি। গত ফেব্রুয়ারিতে সারনিকের বাজারমূল্য ছিল ৪০০ কোটি ডলার। পামার লাকি পরিচালিত ড্রোন ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র প্রস্তুতকারক অ্যান্ডুরিলের বাজারমূল্য ৩ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে।

ভার্জিনিয়ার প্রতিরক্ষা সফটওয়্যার কোম্পানি গভিনির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে পেন্টাগনের মোট প্রতিরক্ষা চুক্তির ১ দশমিক ৩ শতাংশ দখলে নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা স্টার্টআপগুলো, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে বোয়িং, লকহিড মার্টিন, আরটিএক্স ও নরথ্রপ গ্রুম্যানের মতো জায়ান্টের দখলে রয়েছে চুক্তির ৯২ শতাংশ। ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা কোম্পানির হিস্যা ৭ দশমিক ৪ থেকে নেমে এসেছে ৬ দশমিক ৬ শতাংশে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, সিলিকন ভ্যালি সমর্থিত এসব মার্কিন স্টার্টআপ কোম্পানির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো গবেষণা ও প্রোটোটাইপ তৈরি থেকে বের হয়ে অস্ত্র উৎপাদন করা। একসঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির সঙ্গে প্রতিযোগিতা তো রয়েছেই।