দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ২৮ সম্মেলনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারসংক্রান্ত চুক্তিতে ১১৬টি দেশ স্বাক্ষর করেছে। এর মাধ্যমে জ্বালানি শক্তি রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে এবং বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ কমাতে উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেয়া হবে। খবর অ্যারাবিয়ান নিউজ।
ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট অ্যাকশন সামিটে দুবাইয়ের শিল্প ও উন্নত প্রযুক্তিমন্ত্রী এবং কপ২৮-এর প্রেসিডেন্ট ড. সুলতান বিন আহমেদ আল জাবের গ্লোবাল ডিকার্বনাইজেশন অ্যাকসেলারেটর (জিডিএ) উদ্যোগের উন্মোচন করেন।
জিডিএ উদ্যোগে ভবিষ্যৎ জ্বালানি শক্তি ব্যবস্থার স্কেলিং, বর্তমান জ্বালানি শক্তিকে ডিকার্বনাইজ করা এবং মিথেন এবং নন-কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রিনহাউজ গ্যাসগুলোকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে।
স্বাক্ষরিত মূল চুক্তিটি ছিল গ্লোবাল রিনিউয়েবলস অ্যান্ড এফিসিয়েন্সি প্লেজের আওতায়। যেখানে এখন পর্যন্ত ১১৬টি দেশ স্বাক্ষর করেছে। এ দেশগুলো ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তি সক্ষমতা তিন গুণ বাড়িয়ে ১১ হাজার গিগাওয়াটে উন্নীত করতে সম্মত হয়েছে। দেশগুলো নিজেদের বার্ষিক সক্ষমতা দ্বিগুণ করে ৪ শতাংশেরও বেশি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এছাড়া ৫০টি জ্বালানি কোম্পানি তেল ও গ্যাস ডিকার্বনাইজেশন চার্টারে স্বাক্ষর করেছে। তারা মিথেন নির্গমন নির্মূল করার পাশপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাস পোড়ানো বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তেল, গ্যাস ও কৃষি খাতে মিথেন হ্রাস প্রকল্পগুলোর জন্য ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে।
ড. আল জাবের জানান, জলবায়ু কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য এ কর্মসূচি একটি টার্নিং পয়েন্ট। তিনি বিশ্বাস করেন, উচ্চাভিলাষী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন হলে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের সীমার মধ্যেই থাকবে।
এবারের চুক্তি আগের চেয়ে আরো বেশি দেশ এবং সংস্থাকে একত্রিত করেছে। সবাই প্রচলিত জ্বালানি শক্তি থেকে দূরে সরে আসার চেষ্টায় অংশ নিয়েছে। ফলে বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন কমে আসবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।










