গত মাসে প্রতিষ্ঠান তিনটি জানায়, লোকসানের পরিমাণ ৯০০ কোটি ইউয়ান পর্যন্ত হতে পারে। বিশ্বজুড়ে জেট ফুয়েলের দাম বাড়াকে লোকসানে মূল কারণ হিসেবে তুলে ধরেছে এ তিন সংস্থা। খবর রয়টার্স।
জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট বিঘ্ন হওয়ায় ব্যবসায় চাপ তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি ব্যয় বেড়েছে। একই সময় মানুষের গ্রীষ্মকালে ভ্রমণের প্রবণতা কমেছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইনস এয়ার চায়না প্রথমার্ধে ২৩০ কোটি ইউয়ান নিট লোকসান করেছে। এক বছর আগে একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির লোকসান ছিল ১৮১ কোটি ইউয়ান। চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনসের লোকসান হয়েছে ২২০ কোটি ইউয়ান। গত বছরের একই সময় প্রতিষ্ঠানটির লোকসান ছিল ১৪৩ কোটি ইউয়ান। অন্যদিকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনসের লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩৭০ কোটি ইউয়ানে। এক বছর আগে লোকসান ছিল ১৫৩ কোটি ইউয়ান।
তথ্য বলছে, বছরের প্রথম তিন মাসে প্রতিষ্ঠান তিনটির সম্মিলিত মুনাফা ছিল ৪৮২ কোটি ইউয়ান। চীনের চান্দ্র নববর্ষকে ঘিরে ভ্রমণের চাহিদা বাড়ায় এ সময় ভালো আয় হয়। তবে পরের তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) জ্বালানি ব্যয় ও আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট জটিলতায় সে মুনাফা ধরে রাখা যায়নি। লোকসানের খবর প্রকাশের পর গতকাল চীনের মূল ভূখণ্ড ও হংকংয়ের বাজারে প্রতিষ্ঠান তিনটির শেয়ারদর পড়ে যায়।
জ্বালানি খরচ বেড়েছে তিনটি এয়ারলাইনসেরই। প্রথমার্ধে প্রতিষ্ঠানগুলোর এ ব্যয় ৩৫-৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। চায়না সাউদার্ন জানায়, জেট ফুয়েলের দামের ওঠানামাজনিত ঝুঁকি সামাল দেয়ার কার্যকর উপায় বর্তমানে সংস্থাটির হাতে নেই।
তবে জ্বালানি ব্যয়ের চাপের মধ্যেও তিন এয়ারলাইনসের আয় বেড়েছে। বছরের প্রথম ছয় মাসে এয়ার চায়নার আয় বেড়েছে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। চায়না ইস্টার্নের ১১ দশমিক ১ ও চায়না সাউদার্নের ৯ দশমিক ৭ শতাংশ আয় বেড়েছে।










