গত জুনে রাশিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি এবার অনুমোদন করেছে উত্তর কোরিয়া। এ চুক্তিতে সশস্ত্র আক্রমণের ক্ষেত্রে উভয়পক্ষ একে অপরকে সহায়তা করবে বলে জানানো হয়েছে। আজ স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ তথ্যটি জানায়। খবর বিবিসি।
দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতা নিয়ে যখন আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা- সমালোচনা হচ্ছে সে সময় এল পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদনের খবর। উত্তর কোরিয়া ইতিমধ্যে রাশিয়াকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তার জন্য কয়েক হাজার সৈন্য পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সোমবার একটি ডিক্রিতে চুক্তিটি অনুমোদন করেন বলে জানায় কেসিএনএ। এতে আরো বলা হয়েছে, উভয়পক্ষ চুক্তির অনুমোদন বিনিময় করলেই এটি কার্যকর হবে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও চুক্তিটিকে আইনে পরিণত করেছেন। এর মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে যে, কোনো পক্ষ যুদ্ধে জড়ালে অপর পক্ষ সেই দেশকে প্রয়োজনীয় সকল উপায় ব্যবহার করে তৎক্ষণাৎ সামরিক এবং অন্যান্য সহায়তা প্রদান করবে।
পুতিনের সঙ্গে কিম জং উন গত জুন মাসে অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ সম্মেলনে চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি ‘জোটের মতো উচ্চতায়’ উন্নীত করার পদক্ষেপ বলে সে সময় উল্লেখ করেন কিম।
সিউল, ওয়াশিংটন এবং কিয়েভ বলেছে যে, রাশিয়ায় ১০ হাজারেরও বেশি উত্তর কোরীয় সৈন্য রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা ও ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, উত্তর কোরিয়ার কিছু সংখ্যক সৈন্য ইউক্রেন সীমান্তের কাছে কুরস্কে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত সপ্তাহে বলেছিলেন যে, উত্তর কোরীয় সৈন্যরা তার দেশের বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে হতাহত হয়েছে এবং এই যুদ্ধ ‘বিশ্বে অস্থিতিশীলতার একটি নতুন অধ্যায় উন্মোচন করেছে।‘









