সিএসি জানায়, সমাজে ফেসিয়াল রিকিগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহারে ঝুঁকি নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের প্রতিক্রিয়ায় এই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যারা ফেসিয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করতে সম্মত নন, তাদের অন্যান্য যুক্তিসঙ্গত ও সুবিধাজনক বিকল্প পদ্ধতিতে পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
হোটেলে চেক ইন বা অন্যান্য সংরক্ষিত স্থানে প্রবেশের ক্ষেত্রে সবাইকে ফেসিয়াল রিকগনিশন পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এর ব্যবহার ক্রমে অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার ফলে নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার নীতির লঙ্ঘন হচ্ছে। এ কারণে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে এর বিকল্প ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বলে জানিয়েছে সিএসি। এরই মধ্যে বিষয়টিতে অনুমোদন দিয়েছে চীনের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়। আগামী জুন মাস থেকে দেশব্যাপী এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা রয়েছে।
অবশ্য জনপরিসরে কীভাবে ফেস রিকগনিশনের বিকল্প কার্যকর করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করো কিছু উল্লেখ করা হয়নি, তবে যেখানে যেখানে ফেসিয়াল রিকগনিশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, সেসব স্থানে বিকল্প পদ্ধতি স্থাপন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে শহরের কোনো কোনো স্থানে ফেস রিকগনিশনের বিকল্প পদ্ধতির ব্যবহার শুরুও করা হয়েছে।
২০২১ সালে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মিডিয়া আউটলেট দ্য বেইজিং নিউজের সঙ্গে যুক্ত একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্কের জরিপে দেখা গেছে, ৭৫ শতাংশ উত্তরদাতা ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। আর ৮৭ শতাংশ উত্তরদাতা উন্মুক্ত স্থানে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। একই বছর চীনের সুপ্রিম কোর্ট শপিং মল ও হোটেলের মতো উন্মুক্ত স্থানে পরিচয় যাচাইকারী প্রযুক্তির ব্যবহার নিষিদ্ধ করেন এবং কিছু ক্ষেত্রে নাগরিকদের বিকল্প বিকল্প যাচাইকরণ পদ্ধতির অনুরোধ করার অনুমতি দেন। ওই বছরই দেশটিতে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন কার্যকর হয়।










