সারা বিশ্বের নজর এখন হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের দিকে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতটিকে কেন্দ্র করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে সমর্থন ও প্রতিবাদ মিছিল। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মিছিল হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও ইউরোপীয় দেশগুলোতে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সে ইহুদি সম্প্রদায় সমর্থন জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতি। খবর রয়টার্স।

হামাসের রকেট হামলার পর ইসরায়েলের প্রতি কিছুটা সহানুভূতি তৈরি হয় পশ্চিমা দেশগুলোতে। কিন্তু দেশটির প্রতিক্রিয়াকে ভালোভাবে নেয়নি অনেক মানুষ। বিশেষ করে আরব ও মুসলিম দেশগুলোতে দেখা গেছে ক্ষোভ আর প্রতিবাদ।

তুরস্কের দিয়ারবাকিরতে হাজারো মানুষ জমায়েত হয়ে হামাসের পক্ষে স্লোগান দিয়েছে। ইসরায়েল দখলকৃত নাবলুসের রাস্তায় প্রতিবাদ জানিয়েছে তরুণরা। ইতালির রোম ও ডেনমার্কের ব্রাব্যান্ডে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে সমর্থন জানিয়েছে সাধারণ মানুষ। অবশ্য জার্মানি ও ফ্রান্স ফিলিস্তিন সমর্থনে মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নিরাপত্তাকে কারণ দেখিয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রে অবশ্য উভয় পক্ষের সমর্থনে মিছিল দেখা গেছে নিউইয়র্ক থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে। ওয়াশিংটনে আমেরিকান জুইশ কমিউনিটির অধীনে ইসরায়েলের সমর্থনে মিছিল হয়েছে। অন্যদিকে নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে একত্র হয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে স্লোগান দেয় মানুষ।

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের তাহরির স্কয়ারে লাখো মানুষ জমায়েত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান দিয়েছে। ইরানে ফিলিস্তিনের পক্ষে জমায়েত হয় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগেই। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে এবং জাপানের টোকিওতে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানায় সাধারণ মানুষ।

ইহুদি জনগোষ্ঠীও তাদের মতো করে সমর্থন জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রতি। পোল্যান্ডের ওয়ারশ ও ফ্রান্সের প্যারিসে তারা সমবেত হয়ে সমর্থন প্রকাশ করেছে। ফ্রান্সের পুলিশ শুক্রবার ফিলিস্তিনের সমর্থনে হওয়া একটি মিছিলকে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

লন্ডন ও নেদারল্যান্ডসে নিরাপত্তাকে কারণ দেখিয়ে ইহুদি স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তার পরও সেখানে জমায়েত দেখা গেছে। এছাড়া ফিলিস্তিনের সমর্থনে মিছিল হয়েছে শ্রীলংকা, বুলগেরিয়া, ইয়েমেন, দক্ষিণ আফ্রিকা, কাশ্মীর, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও মিসরে।