দুটি শহরের সামরিক স্থাপনা দখলের পর এবার মস্কোর দক্ষিণাঞ্চলে ঢুকে পড়েছে ভাড়াটে যোদ্ধা ওয়াগনার বাহিনী। ভরোনোজ ও মস্কোর মধ্যবর্তী লিপেৎস্ক অঞ্চলে ওয়াগনারের গাড়িবহর দেখা গেছে বলে নিশ্চিত করেছে বিবিসি।

লিপেৎস্ক-এর আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ শহরের বাসিন্দাদের বাড়ি বাইরে যেতে নিষেধ করেছে। এমনকি ওই অঞ্চলের ব্যক্তিগত ও গণপরিবহন বন্ধের নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই আদেশ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

ওয়াগনার বাহিনী এখন পর্যন্ত রোস্তভ অন ডন ও ভরোনোজের প্রধান সামরিক স্থাপনাগুলো নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

এদিকে সশস্ত্র বিদ্রোহ করায় ভাড়াটে সেনা ওয়াগনার গ্রুপের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতা ও পিঠে ছুরি মারার অভিযোগ এনেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই অভিযোগ অস্বীকার করে ওয়াগনার গোষ্ঠীর প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন বলেছেন,  ‘ভুল বিকল্প বেছে নিয়েছেন পুতিন’। তার দাবি, ওয়াগনার যোদ্ধারা বিদ্রোহী নয় তারা রুশ জনগণের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। একইসঙ্গে প্রিগোজিন জানান, দাবি না মানলে যোদ্ধার মস্কো অভিমুখে যাত্রা করবে। খবর বিবিসি ও ফাইনান্সিয়াল টাইমস।

ওয়াগনারের প্রেস সার্ভিসের এক বিবৃতিতে প্রিগোজিন বলেন, মাতৃভূমির সঙ্গে প্রতারণা যে অভিযোগ পুতিন এনেছেন—তাতে পরিষ্কার তিনি অনেক বড় ভুল করছেন। আমরা দেশপ্রেমিক। আমরা আমাদের লড়াই চালিয়ে যাবো।

ওয়াগনারের এই সশস্ত্র বিদ্রোহকে মার্চ অফ জাস্টিস বলে অভিহিত করেছেন প্রিগোজিন। তিনি বলেন, আমরা সের্গেই শোইগুর পদত্যাগ চাই। অন্যথায় আমরা মস্কো অভিমুখে এগিয়ে যাব। আমরা রাশিয়াকে রক্ষা করবো।

প্রিগোজিন আরো দাবি করেন, তার যোদ্ধারা রুশ যোদ্ধাদের উদ্দেশ্য করে গুলি করেছে। একই সঙ্গে রুশ বাহিনীর তিনটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে।