পাঁচদিন ধরে লাগাতার বোমাবর্ষণে গাজায় মানবিক পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল থেকে জটিল আকার ধারণ করছে। ফিলিস্তিনের অঞ্চলটি ইসরায়েলি সেনারা অবরুদ্ধ রাখায় জীবনযাপনের প্রয়োজনীর রসদের সংকট দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে আজ। হাজার হাজার হতাহতের ভিড়ে হাসপাতালগুলোর অবস্থাও জটিল হয়ে উঠেছে। বিছানা সংকট তৈরি হওয়ায় মেঝেতেও চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের ওষুধ ফুরিয়ে যাচ্ছে।

বিবিসির সংবাদে বলা হয়, এমন পরিস্থিতিতে গাজা উপত্যকায় মানবিক করিডোর স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি জানায়, গত শনিবার (৭ অক্টোবর) থেকে পাঁচ লাখের বেশি গাজাবাসী প্রয়োজনীয় খাদ্য রেশন পায়নি। বাধ্য হয়ে সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয় তাদের।

এছাড়া মিশরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কায়রোর সরকার গাজায় খাদ্য সরবরাহ করার চেষ্টা করছে।

এদিকে ইসরায়েল খুব শিগগিরই গাজা উপত্যকায় হামলা জোরদার করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইসরায়েলের এক মুখপাত্র জানান, প্রায় তিন লাখ সেনা গাজাকে ঘিরে রেখেছে। তারা মিশন শুরু করতে প্রস্তুত। ইসরায়েলের এ কর্মকর্তা মনে করেন, তাদের বাহিনীকে মোকাবেলা করার সামরিক সক্ষমতা হামাসের নেই।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, গাজায় দুই শতাধিক স্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য, ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা প্রায় এক হাজার ২০০। আহত হয়েছেন আরো পাঁচ হাজার। এদিকে গতকাল ইসরায়েল জানায়, হামাসের হামলায় নিহত এক হাজার ২০০ ছাড়িয়ে গেছে।