নির্বাচনী প্রচারে ক্ষমতার অপব্যবহার ও পাবলিক মিডিয়ার অপব্যবহারের জন্য ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারো ২০৩০ সাল পর্যন্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। গতকাল শুক্রবার (৩০ জুন) দেশটির সর্বোচ্চ নির্বাচনী আদালত এ রায় দিয়েছে। খবর সিএনএন।

সাত বিচারকের মধ্যে পাঁচজন সাবেক প্রেসিডেন্টকে দোষী সাব্যস্ত করেন। এই রায় কার্যকর হলে ২০২৬ সালের নির্বাচনে ফিরে আসার আশা নেই বোলসোনারোর। এছাড়া স্থানীয় নির্বাচনেও অংশ নিতে পারবেন না।

গত বছরের সালের জুলাইয়ে বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠককে কেন্দ্র করে এই মামলা। অভিযোগ উঠেছে, ওই বৈঠকে বোলসোনারো ব্রাজিলের নির্বাচনী ব্যবস্থা সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন ও এর বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন। বৈঠকটি অফিসিয়াল টেলিভিশন চ্যানেল ও ইউটিউবে সরাসরি প্রচার করা হয়। পরে ভুয়া নিউজ সম্পর্কিত নীতিমালা মেনে না চলায় সরাসরি প্রচার বন্ধ করে দেয় ইউটিউব।

ব্রাজিলের নির্বাচনে ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ব্যালট হ্যাক করে কারচুপির সুযোগ আছে অনেক দিন ধরে এই দাবি করে আসছিলেন বোলসোনারো। এমন মিথ্যা দাবির মাধ্যমে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছিল।

বিচারে নেতৃত্ব দেয়া আলেকজান্দ্রে দে মোরেস বরেন, আসুন গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পক্ষে আমাদের বিশ্বাসকে পুনঃনিশ্চিত করি।

অবশ্য কোনো অন্যায় করার কথা অস্বীকার করেছন বলসোনারো। গতকাল এক রেডিও স্টেশনকে জানান, আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

সর্বশেষ নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম ব্যবধানে হেরেছেন বোলসোনারো। এর পর তার অনুসারীরা ব্রাজিলে কয়েক সপ্তাহ বিক্ষোভ করে। সরকারি ভবনে ভাঙচুর করে।