পাপুয়া নিউ গিনির রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে
বড় ধরনের দাঙ্গা ও সহিংসতায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার (১০ জানুয়ারি) বেতন নিয়ে অসন্তুষ্টি
প্রকাশ করে পুলিশ সদস্যরা ধর্মঘটে যাওয়ার পর শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। খবর বিবিসি।
এসময় দোকান ও গাড়িতে আগুন দেয়া হয়,
লুটপাটের শিকার হয় সুপারমার্কেটগুলো। পরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনী মোতায়েন
করে সরকার।
স্থানীয় গভর্নর পাওয়েস পার্কপ এক রেডিও
বক্তৃতায় অভিযোগ করেন, কিছু ‘সুবিধাবাদী’ লোক লুটপাট চালিয়েছে। আমাদের শহর ও দেশের
ইতিহাসে আগে কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি। এ সংঘর্ষ অভুতপূর্ব।
কোনো সংখ্যা উল্লেখ না করে পার্কপ বলেন,
দুঃখজনকভাবে কিছু মানুষ জীবন হারিয়েছেন আজ।
গতকাল দেশটির সংসদের বাইরে বিক্ষোভ
প্রদর্শন করে পুলিশ ও অন্যান্য সরকারী কর্মচারীরা। বেতন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোয় তারা
এদিন ধর্মঘট পালন করে। এরপরই সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হয়।
অবশ্য প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপে বলছেন,
কম্পিউটারে ত্রুটির কারণে সরকারী কর্মচারীদের বেতনের চেক থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত কাটা
পড়ে। বিক্ষোভকারীরা যেমনটা দাবি করছেন সে অনুযায়ী করও বাড়াচ্ছে না সরকার।
তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য
ছড়ানোর পর অনেক লোক সেই সুযোগ নিয়েছিল।
টিভি ফুটেজে শহর জুড়ে ব্যাপক জনসমাগম
ও লুটপাটের দৃশ্য দেখা গেছে। এসময় আগুন দেয়া ভবনের মধ্যে একটি বড় শপিং সেন্টার ছিল।
দাঙ্গাকালে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। মার্কিন
দূতাবাসের কাছেও গুলির ঘটনা ঘটে।
চার লাখ জনসংখ্যার পোর্ট মোরেসবিতে
রাত নাগাদ বেশির ভাগ এলাকার সহিংসতা বন্ধ হয়ে যায়। আরো জানা গেছে, হতাহতের সংখ্যার তথ্য নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সবাইকে শান্ত থাকার
আহ্বান জানিয়েছে পাপুয়া নিউ গিনির প্রতিবেশী ও প্রধান নিরাপত্তা অংশীদার অস্ট্রেলিয়া।










