আগামী মার্চ থেকে থাইল্যান্ড ও চীনে
প্রবেশে দুই দেশের নাগরিকদের লাগবে না কোনো ধরনের ভিসা। আজ মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) থাই
প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন জানান, নাগরিকদের জন্য ভিসার প্রয়োজনীয়তা স্থায়ীভাবে
বাদ দিচ্ছেন তারা। খবর রয়টার্স।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম
অর্থনীতির দেশ থাইল্যান্ড ব্যাপকভাবে পর্যটনের ওপর নির্ভর করে। নতুন ঘোষণার আগেই চীনের
জন্য বিশেষ সুবিধা দিয়ে রেখেছে ব্যাংকক। গত সেপ্টেম্বর থেকে এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
চীনা পর্যটকদের দেশটিতে প্রবেশে ভিসা লাগছে না।
প্রধানমন্ত্রী স্রেথা জানান, ভিসা উঠে
যাওয়ার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।
গত বছরে থাইল্যান্ডে দুই কোটি ৮০ লাখ
পর্যটক প্রবেশ করেছে, যা দেশটির লক্ষ্যমাত্রা থেকে সামান্য বেশি। এ খাতে তাদের আয় তিন
হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার।
এর মধ্যে শীর্ষ উৎস মালয়েশিয়া থেকে
এসেছে ৪৫ লাখ দর্শনার্থী, তারপর চীন থেকে ৩৫ লাখ মানুষ থাইল্যান্ড ভ্রমণ করে।
দেশটিতে কভিডের আগে তিন কোটি ৯০ লাখ
পর্যটক আসার রেকর্ড রয়েছে, যাদের মধ্যে চীনের নাগরিক এক কোটি ১০ লাখ।










