হামাসের হামলার বিষয়ে জেনেও চুপ ছিল
বেশ কয়েকটি সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধিরা। ইসরায়েল এমন অভিযোগ আনলেও অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্টরা।
খবর সিএনএন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) বিশ্বের
শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলো ইসরায়েলের এই বক্তব্যকে জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে এপি ও রয়টার্সের
মতো বার্তা সংস্থা। তারা জানিয়েছে, হামাসের হামলার বিষয়ে কোনো পূর্বাভাস ছিল না।
এর আগে ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম
অনেস্টরিপোর্টিংয়ের এক প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কিছু ছবি শেয়ার করে সংবাদ
সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়।
হামাসের হামলার সময় সংবাদ সংস্থার কয়েকজন
ফটোগ্রাফার যোদ্ধাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বলে ইসরায়েলি গণমাধ্যমটি দাবি করে। আর এ
অভিযোগ এসেছে এপি, রয়টার্স, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনের বিরুদ্ধে।
এপি ও সিএনএন তাদের এক ফ্রিল্যান্সার
ফটো সাংবাদিকের সঙ্গে কাজের চুক্তি শেষ করেছে বলে জানা গেছে। কারণ হিসেবে সংবাদ সংস্থাগুলো
জানিয়েছে, ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে ফটো সাংবাদিক হাসান এসলাইয়াহের উপস্থিতি
চিহ্নিত করা হয়েছে।
অবশ্য এপির প্রেস মিডিয়া রিলেশনশিপ
ডিরেক্টর লরেন ইস্টন এক বিবৃতিতে বলেছেন, এপির কাছে হামাসের হামলার কোনো পূর্বাভাস
ছিল না। এছাড়া ফটোসাংবাদিকদের থেকে পাওয়া ছবিগুলো প্রমাণ করে এগুলো হামলার পরবর্তী
ছবি।
দ্য টাইমস জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবরের
হামলা ও যুদ্ধকে তারা নিরপেক্ষতার সঙ্গে কভার করেছে।"রয়টার্সও পূর্বাভাস পায়নি
বলে উল্লেখ করেছে।
এদিকে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট
(সিপিজে) বলছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অন্তত ৩৯ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত
হয়েছেন। যার মধ্যে ৩৪ ফিলিস্তিনি, চার ইসরায়েলি ও একজন লেবানিজ রয়েছেন।










