মিয়ানমারে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে জান্তা সরকার। এর আগে দুই দফা বেড়েছে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। ভূমিকম্প পরবর্তী ত্রাণ ও পুনর্গঠন কার্যক্রমে সহায়তার লক্ষ্যে মেয়াদ বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স।

গত মার্চের শেষদিকে ভয়াবহ ভূমিকম্পে দেশটিতে প্রায় চার হাজার মানুষ প্রাণ হারান। সেইসঙ্গে বেশকিছু এলাকার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ২৮ মার্চের ওই ভূমিকম্পের পর ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সহায়তায় এপ্রিলের শুরুর দিকে প্রথম যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে জান্তা সরকার। তার আগে জান্তাবিরোধী বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীও যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার কথা জানায়।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল মিয়ানমার ইন্টারন্যাশনাল টিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ক্ষতির শিকার মানুষদের পুনর্বাসন ও ভেঙে পড়া অবকাঠামো মেরামতের কাজ এখনো চলছে। এ কারণেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। বিরোধী গোষ্ঠীগুলোও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছে।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও মিয়ানমারের অনেক এলাকায় জান্তা বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করেছে বলে বিরোধীরা এর আগে অভিযোগ করেছিল। দেশটির সেনাবাহিনীও বিরোধীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পাল্টা অভিযোগ এনেছে।

জান্তার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির সময়ে যদি কোনো গোষ্ঠী বেসামরিক লোকদের ক্ষতি হয়— এমন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়— সেক্ষেত্রে তার কঠোর জবাব দেবে সামরিক সরকার।