তাইওয়ানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) প্রার্থী লাই চিং তে। চীনের হুমকি উপেক্ষা করে তাকে নির্বাচিত করেছে দেশটির জনগণ। স্থানীয় সময় গতকাল বিকাল ৪টায় ভোট গ্রহণ শেষ হয়। এরপর শুরু হয় গণনা। সন্ধ্যার দিকে ঘোষণা করা হয় ফল। খবর রয়টার্স।
তাইওয়ানে এবারের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনকে ‘যুদ্ধ ও শান্তির মধ্যে একটিকে বেছে নেয়া’ বলে অভিহিত করেছিল চীন। তবে বেইজিংয়ের চোখরাঙানি উপেক্ষা করেই ক্ষমতাসীনদের ভোট দিয়েছে দেশটির ভোটাররা।
বহুদিন ধরে কর্তৃত্ববাদী শাসন ও সামরিক আইন চলার পর ১৯৯৬ সাল থেকে তাইওয়ানে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বেছে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তার পর থেকে তাইওয়ানে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত আছে। প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন। একজন সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকতে পারেন। এটি তাইওয়ানের অষ্টম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এবারের নির্বাচনের জয়ী হওয়ার মাধ্যমে তাইওয়ানের ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসতে যাচ্ছে।
উত্তেজনা আর নানা সমীকরণের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন—দুই দেশের কাছেই কৌশলগতভাবে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ তাইওয়ান। চীন দেশটিকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের পক্ষে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।
এবারের নির্বাচনী দৌড়ে ছিলেন তিন রাজনৈতিক দলের তিন প্রার্থী। ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির লাই চিং তে, বিরোধী দল কুয়োমিনতাংয়ের সদস্য এবং রাজধানী তাইপের মেয়র হো ইয়ু ইহ এবং ২০১৯ সালে গঠিত মধ্যপন্থী বিকল্প দল তাইওয়ান পিপলস পার্টির (টিপিপি) সদস্য ও তাইপের সাবেক মেয়র কো ওয়েন-জে।










