সপ্তাহখানেক যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি
আকাশ ও স্থল হামলায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ গাজার বেসামরিক জনগণ। গতকাল সোমবার (৪ ডিসেম্বর)
কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ওই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ইসরায়েলের
প্রতি উপত্যকাটির বেসামরিক জনগণের সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ।
খবর রয়টার্স।
দক্ষিণ গাজায় বেসামরিক জনগণের ওপর এমন
হামলার পুনরাবৃত্তি অনুচিত বলে মনে করে তেল আবিবের ঘনিষ্ঠ মিত্র মার্কিন প্রশাসন। তবে
এই আহ্বান কানে তুলছে না ইসরায়েল। বরাবরের মতো নির্বিচার হামলায় প্রাণ যাচ্ছে নিরস্ত্র
ফিলিস্তিনি জনগণের।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল যেসব
অঞ্চলে আশ্রয়ের কথা বলেছে, আইডিএফ সেসব আশ্রয়কেন্দ্রেই হামলা করছে। গাজায় অবস্থানরত
সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চলের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার আশ্রয় নিয়েছেন বেসামরিক ফিলিস্তিনিরা।
সেখানেই হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
অন্যদিকে গাজায় বার বার বেসামরিকদের
লক্ষ্যবস্তু করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেস। বেসামরিক
প্রাণহানি ঘটে এমন সব পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে তেল আবিবের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, হামাস অধিকৃত গাজায় এরই মধ্যে ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
হামাসের এক অতর্কিত হামলার পরপরই গত
৭ অক্টোবর গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ইসরায়েলিরা দাবি করে আসছিল, উত্তরাঞ্চলে
হামাসের শক্তিশালী ঘাঁটি রয়েছে। সে অনুযায়ী, উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক হামলা চালায় তারা।
এবার দক্ষিণাঞ্চলেও হামলা চালাচ্ছে। কিন্তু হামাসের ঘাঁটি ধ্বংসের সুনির্দিষ্ট কোনো
প্রমাণ দিতে পারেনি।
এসব হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত প্রায়
১৬ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে প্রায় ১১ হাজারই নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন
হাজার হাজার।










