ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাবিত ওয়াকফ সংশোধনী বিলটি অবশেষে আইনে পরিণত হয়েছে। নতুন আইনে ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগ, এতে মুসলিমদের অধিকার খর্ব হয়েছে।

সম্প্রতি ওয়াকফ বিলটি নিয়ে সংসদে তুমুল বিতর্ক হয়। লোকসভায় ৫৬ ভোটের ব্যবধানে বিলটি পাস হয়, যেখানে পক্ষে ২৮৮ ভোট ও বিপক্ষে ২৩২ ভোট পড়ে। রাজ্যসভায়ও বিলটি ২৩ ভোটের ব্যবধানে পাস হয়। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বিলে সই করেন।

গতকাল কেন্দ্র সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে সংশোধনী ওয়াকফ আইন প্রকাশ করেছে।

সংশোধিত আইন অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো জমি ওয়াকফ কিনা, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জেলাশাসক। এছাড়া ওয়াকফ বোর্ডে এবার অমুসলিম সদস্যেরও থাকা যাবে। বোর্ডের কার্যক্রমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

এদিকে বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার আগেই বিরোধীরা আদালতে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছে। কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি (এএপি) ও মিম দলের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছে। কেরালার একটি মুসলিম সংগঠনও বিলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

বিরোধীদের অভিযোগ, নতুন আইন ওয়াকফ বোর্ডের একচ্ছত্র ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে মুসলিমদের অধিকার হরণ করেছে।