ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধ নিরসনে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন। মধ্যপ্রাচ্যে সদ্য সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ছয় আরব দেশ সফরে এটি তার পঞ্চম যাত্রা বিরতি। খবর বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরব দেশগুলো যেন ইসরায়েলকে সমর্থন ও হামাসের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে- এমন প্রস্তাব নিয়েই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তবে ব্লিংকেন রিয়াদে পৌঁছানোর পরপরই দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা করেছে। ইসরায়েল অন্যায়ভাবে ফিলিস্তিনের বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষবস্তু করেছে বলে অভিযোগ সৌদি আরবের।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রিয়াদ-তেল আবিবের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। তবে হামাসের সশস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের সর্বাত্মক প্রতিক্রিয়ায় সে সম্পর্কে কতটা প্রভাব পড়েছে, তা নিয়ে নানা ধরনের মত রয়েছে।

বছরের শুরু থেকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে তৎপরতা হয় সৌদি আরব। এতে মধ্যস্থতা করে চীন। চলতি সপ্তাহে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিষয়েও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে কথা বলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি।

গাজার অভ্যন্তরে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য মানবিক করিডোর স্থাপনের ব্যপারে আলোচনা করতে মিসর সফরেরও কথা রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

এ সফরের শুরুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দেখা করেন ব্লিংকেন। এরপর ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার অন্যান্য গন্তব্যে ছিল জর্ডান, কাতার ও বাহারাইন।